আদিমা মজুমদার
মৃত্যু যে এত সুন্দর হতে পারে, জানতাম না।
জুবিন, তুমি দেখিয়ে দিয়েছো
জীবিত জুবিন থেকে মৃত জুবিন কত শক্তিশালী, কত মহান।
জুবিন তোমার মৃত্যু আমাদের জোট বাঁধতে শেখায়, শেখায় প্রতিবাদের ভাষা,
বিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করতে মাঠে নামায়, বর্বরতা নিষ্ঠুরতা তোমাকে কাঁদায়।
খুলে দেয় রাজনৈতিক মুখোশ, জাতপাতের ধার ধারতে না তুমি,
বলেছিলে তোমার কোন ঈশ্বর নেই!
ঈশ্বরের কি আর কোন ঈশ্বর থাকতে হয়?
তুমি নিজেই ঈশ্বর।
জুবিন ধ্বনিতে যখন আসামের আকাশ বাতাস গর্জে ওঠে-
সেপ্টেম্বর ২০২৫ এ ১৯শের বাতাস ভারি হয়,
কেঁপে উঠে বুক, গরম হয় রক্ত।
চোখের সামনে ভেসে বেড়ায় স্কুবা ড্রাইভিং এর দৃশ্য...
অভিশপ্ত সিঙ্গাপুর!
নোনা জলে জ্বলজ্বল করে ওঠে তোমার গায়ে আঁকা টেটো।
যার মর্ম আমরা বুঝতে পারিনি.
জুবিন, মায়াবীনি রাতের বুকে দেখতে পাই তোমার ছবি।
পাহাড়ের গা বেয়ে বয়ে যাওয়া ঝরনার মত জীবন তোমার,
মানে না কোন বাধা নিষেধ, মানে না কোনো আইন।
সত্যিই তুমি ছবি হয়ে গেলে?
সোসিয়াল লেফটিস্ট, ক্ষণজন্মা তুমি,
আসামের চা, গন্ডার আর জুবিন আমাদের আত্মপরিচয়।
তুমি থাকছো, জুবিন তুমি
থাকবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন