নমিতা আচার্য্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নমিতা আচার্য্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫২

 




আবোল-তাবোল স্বপ্ন

। নমিতা আচার্য্য ।

আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,

আমি জেগে থাকি সেথায়।

মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,

চোরাবালির উপর হেঁটে;

ভিড় করে কত অলীক আশা,

                                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন

ভূরো

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।

ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


নীরবতার পাঠ

। শিল্পী দেব ।

জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়, 

নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...

নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়, 

আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...

                              পুরো কবিতাটি পড়ুন

           আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে

                   । পরিমল কর্মকার ।

যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,

যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,

যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --

সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --

পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।

                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন


স্মৃতি যখন হাসায়

। পুষ্পিতা দাস ।

পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"

আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!

  পুরো গল্পটি পড়ুন

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪

প্রতাপ : অনলাইন-১৩


  তুমি চলে গেলে এক অজানা ঠিকানায় ...

            । গোপেন দাস ।

  তুমি চলে গেলে অনেক দূরে

  থাকালেনা একবারও ফিরে

  দূরে এক অজানা ঠিকানায়

  আমাদের সবাইকে ফেলে 

পুরো কবিতা পড়ুন ] ❤   



খালি মাঠ'টা
। নমিতা আচার্য্য ।

ঐ মাঠ'টা ডাকছে কেমন

বিকেল আর ভোরে, 

আমার ক্রোড়ে আঁচল পাতা

রয়েছে তোদের তরে;



  পথ যদি হারাই 

    । প্রদীপ চন্দ্র দাস ।

  পথ যদি হারাই

          আমি পথ যদি হারাই 

  দিও শক্তি তোমায় 

               যেন না ভুলে যাই।

  [ পুরো কবিতা পড়ুন ] ❤



            বৈষম্য

          । রঞ্জন কুমার বণিক ।

সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ঊর্ধ্বপানে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত,
মুদ্রিত নেত্রে ক্রন্দনের রোল,
নাড়ি কাটায় মাত্র সামান্য সময়ের তফাৎ,
বাইরে লিঙ্গ নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল ।
শিশুটি এখনও পায়নি জন্মদাত্রী মাতৃক্রোড়,
বেদনায় কাতর মায়ের ফেরেনি এখনও হুশ,



একটি কালো মেয়ের গল্প  

 । সুজিতা দাস ।

 মেয়েটি কালো। গায়ের রং ময়লা। একমাত্র কালোর জন্যই বাড়িতে কদর কম। তিন বোন ওরা। তিন বোনের মধ্যে বড়ো এবং ছোটটি বেশ ফুটফুটে সুন্দরী হয়েছে। মাঝখান থেকে মেজটি কেন যে কালো হলো ভাবা যায় না। মানুষ সুন্দরের পূজারী। সুন্দরকে সবাই ভালোবেসে কাছে পেতে চায়। আধঘন্টা বসে গল্পও করতে ভালোবাসে। সে আপন হোক বা পর, সবার সুন্দরের দিকেই নজর।  পুরো গল্প পড়ুন ] ❤

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত । প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং স...