রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

প্রতাপ এর বহুদূর যাত্রা আলোকিত হোক


। চন্দ্রিমা দত্ত ।
আজ দেরীতে লিখছি একটি আনন্দ খবর-
গত ১৭মে, রবিবার সকাল ১১টায় সকলের পরিচিত 'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকার ১৯তম সংখ্যার উন্মোচন হয় আশ্রমরোডে সুন্দর এক আনন্দঘন পরিবেশে, অনেক গুণীজনের সাথে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক তারুণ্যে ভরপুর স্বপ্নদেখা লিখিয়ে মেয়েরা, ছেলেরা যা আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছে।
'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকাকে আমি ভালোবাসি সম্পাদক শৈলেনের ইচ্ছে, স্বপ্ন এবং নিজের মেধাকে গুরুত্ব দিয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাওয়ার গূঢ় কথাটি অনুভব করতে পারি বলে।
নানা কষ্টের সম্মুখীন হয়েও সে তার পত্রিকা অন লাইন, অফ লাইন দু'ভাবেই প্রকাশে অবিচল। শিক্ষক হিসাবে, লেখক- সম্পাদক হিসাবে সে অভিভাবকত্বের জায়গায় দাঁড়িয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে এবং তার সমাজকেও আলোর পথ দেখাতে যথার্থই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলছে। 

আসলেই সমাজের প্রতি স্তরে যদি সৃজন আলো পৌঁছায় তবে একটা সুস্থ ও মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।
একদম অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা যখন কবিতা পাঠ করছিল অনুষ্ঠানে একটু সংকোচে, একটু সাহসে আমার খুব ভালোলাগছিল। ওরা সবাই তাদের শৈলেন স্যারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিল।
এমন একটি সুন্দর অনুষ্ঠানে 'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকার পক্ষ থেকে শৈলেন আমাকে গুণীজন সম্মান জানায় সেদিন। 
ছোটরা যখন বড়দের ভালোবেসে আদরে শ্রদ্ধায় সম্মান জানায়- এ যে বড় প্রাপ্তি!! 
আমি সম্মানের গুরুভার নিয়ে আনন্দিত রে শৈলেন।
আমার দ্বারা যদি তোদের লেখাভুবনে কোনও কাজ হয়- জানাস। আমি সহযোগিতায় আছি।
আজকাল মনভোলা হয়েছি তাই একটু মনে করিয়ে দিস...
প্রতাপের ১৯তম সংখ্যার সম্পাদকীয় খুব ভালো হয়েছে শৈলেন।
মে মাস শহিদের মাস, আমাদের গর্বের মাস, নিজেদের ফিরে দেখার দিন আর এমনদিনে একটি বাংলা পত্রিকা প্রকাশ তো বাংলাভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
প্রার্থনা রাখি- প্রতাপের বহুদূর যাত্রা আলোকিত হোক। তরুণ প্রজন্ম খুঁজে পাক স্বপ্নের লেখাভুবন।

সবাই শুদ্ধভাবে বাংলা বলুক, লিখুক এবং মাতৃভাষা বাংলার জন্য মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখুক।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত । প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং স...