রাখী দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাখী দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫০





                উনিশ প্রতিদিন

       । সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় ।

প্রতিদিন ঈশানের বাংলা মায়ের কান্না শুনি

কখনও উত্তাল কখনও কুলুকুলু ধ্বনি,

এ যেন সন্তানহারা কোল খালি করা

এক মায়ের অব‍্যক্ত কান্নার অস্ফূট বাণী। 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


অনন্ত অক্ষরে অগ্নিস্মৃতি

। মধুমিতা দত্ত ।

মাতৃভাষা প্রতিটি মানুষের আবেগ-অনুভূতি প্রকাশের প্রথম মাধ্যম, তার অস্তিত্ব, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের গভীরতম ভিত্তি। বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনের ফলে বহু সময়েই মানুষ তার মাতৃভাষা চর্চার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাই এই বঞ্চনার ইতিহাস যেমন দীর্ঘ, তেমনি তার সমান্তরালে রচিত হয়েছে প্রতিবাদের ইতিহাস, স্পর্ধার ইতিহাস, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃপ্তভাবে রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস। এই সংগ্রামের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হল উনিশে মে, যা বরাকবাসী তথা সমগ্র বাঙালি সমাজের চিন্তন ও মননে আজও গভীরভাবে প্রোথিত। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


          পরাণের শব্দ তুলে যাঁরা

             । অপাংশু দেবনাথ ।

বেদি বেয়ে নামে কার রক্ত! আয় বৃষ্টি, ধুয়ে

নিয়ে যা, নিষ্ঠুর এই পাপ, ভেসে যাক জলে।

এতো কান্না হাওয়ায় ভাসে ফিরে আসে তবু

পুষ্প নিয়ে হাতে বলো রাখি কোন্ বেদিমূলে?

রক্তচিহ্ন লেগে আছে দেখো আমাদের মুখের ভাষায়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


১৯শে মে : একাদশ ভাষা শহিদের রক্তস্নাত এক পবিত্র দিন

। দীপক সেনগুপ্ত ।

১৯৬১ সালের ১৯শে মে তারিখে দক্ষিণ আসামের শিলচর রেলস্টেশনে পুলিশের গুলিতে এগারো জন ভাষা সৈনিক আত্মবলিদান করে শহিদ হয়েছিলেন। ১৯৬০ সালের আসাম রাজ্যের ভাষা আইনের বিরোধিতায় এই আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। উল্লেখিত আইনে অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যে মাধ্যমিক পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। বহুভাষিক আসামে ভাষাশিক্ষা নিজের পছন্দের হওয়া উচিত। অন্য কোনো ভাষার সঙ্গে সংঘাতে নয়, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার এই লড়াই সব ভাষিক, এমনকি উদার অসমীয়া ভাষিক গোষ্ঠীরও সমর্থন পেয়েছিল।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


             ১৯শে মে

         । রাখী দাস ।

রক্তে লেখা এক ইতিহাস,

ভাষার টানে জাগে বিশ্বাস।

মায়ের মুখের বাংলা ভাষা,

ছিল সবার হৃদয়-আশা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪১

    এই ছবিটি নূতন আশা ও নূতন বছরের এক চমৎকার প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ। ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি অন্ধকার পথ বা সুড়ঙ্গের শেষে একটি উজ্জ্বল আলোর বৃত্ত। এটি আমাদের জীবনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়: অন্ধকারের শেষে আলোর দিশা

    ছবিটিতে কালো ও ধূসর রঙের আধিপত্য মূলত ফেলে আসা বছরের কষ্ট, হতাশা বা প্রতিকূলতাকে বোঝায়। কিন্তু পথের শেষে যে জ্বলজ্বলে বৃত্তটি দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো নূতন বছর। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, রাত যত গভীরই হোক না কেন, সূর্যোদয় অনিবার্য। - জ্যোতি বসু দে।


বৃষ্টি নামুক 

। জয়শ্রী ভট্টাচার্য ।

সম্পর্কের সব যোগাযোগ 
ছিন্ন হয়ে গেলে,
আমি ঝরাপাতা দের সাথে কথা বলি,
সূর্যাস্তের শেষ রশ্মিটুকুর সাথে
নিজেকে একাত্ম করে নিই।

উজ্জ্বল নক্ষত্র

। রাখী দাস ।

মিটমিট করা তারাগুলোর মনের কথা—
কেউ কি কখনো বোঝে?
যখন একটি তারা ভেঙে পড়ে যায়,
তখন কে-ই বা তাহাকে খোঁজে?
পুরো কবিতা পড়ুন


শীতের সকাল

। তানিয়া দাস ।

কুয়াশায় চাদর টেনে
ঘুম ভেঙে মাঠের আলপথে,
শিশিরে ভেজা ঘাসে
পা ডুবালে শরীর কাঁপে।
পুরো কবিতা পড়ুন


              নিজের প্রেমে মগ্ন

                 । আকাশ দাস ।

একলা পথে চলতে এখন বড্ড ভালোবাসি,

নিজের মাঝেই খুঁজে পাই সব সুখ আর হাসি।

প্রয়োজন নেই মিথ্যে মায়ার, নেই কোনো পিছুটান,

নিজেকে নিয়ে বাঁচার মাঝেই খুঁজে পাই সম্মান।

পুরো কবিতা পড়ুন

                      স্বপ্ন উড়ান

       । শাশ্বতী পুরকায়স্থ (চৌধুরী) ।

একটা অবসেশনের মধ্যে ঘেমে উঠেছিল মেঘবালিকার—
বুক-চিরা দাউ দাউ ঝলসানো স্বপ্ন ও কথারা।

হাজার মাইলফলকের হিসেব, প্রশ্নচিহ্নের পাহাড় ছুঁয়েছে;
ভাবনার বাইরে ছিল সামান্য ওই সেকেন্ডরা।
পুরো কবিতা পড়ুন

রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

প্রতাপ : অনলাইন-৩১

হতেম যদি মানুষ

     । পুষ্পিতা দাস ।

- ও আপনি?
- কতটুকু লাগবে?
- এইতো, কাটার পর দেড়-দুকেজি হলেই হবে।
-ঠিক আছে। রেডি করে রাখছি। আপনার বাকী কাজ সেরে একটু দূরে দাঁড়াবেন। আমরা আপনার হাতে দিয়ে আসব।   পুরো গদ্যটি পড়ুন

লুকোচুরি

। সুজিতা দাস ।

তুমি কি 

গাছের আড়ালে,

মেঘের আড়ালে,

শান্ত, স্নিগ্ধ জোছনায়

শীতল ছায়ার চেহারা নিয়ে লুকিয়ে আছো?

 

        নিয়তি 

    । নীলাদ্রি ভট্টাচার্য ।

অন্তিম লগ্নে মনে হলো

দূরত্বে তুমি একা

এক ব্যাকুল রক্ত ঘুর্ণিতে তুমি নতমস্তক 


যা আসছে মনে

। অঞ্জলি দে নন্দী, মম ।

ভিয়েতনামের বিমানবন্দরে রয়েছি।

মুম্বাই যাব, অপেক্ষা করছি।

এলাম বালি, ইন্দোনেশিয়া থেকে।

বেশ কিছুটা ক্লান্তও হয়েছি।

সেই সকাল থেকে উড়োজাহাজে চড়ছি।


   প্রিয় বান্ধবীরা

       । রাখী দাস ।

প্রথমে বলি একটি মেয়ে

নামটি তার প্রিয়াংকা,

দেখতে যত শান্ত-শিষ্ট 

তবুও মনে আশঙ্কা।।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত । প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং স...