প্রমিলা দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রমিলা দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৭





প্রতাপ : স্বপ্ন, সংগ্রাম ও স্বাতন্ত্র্যের পথচলা

। মমতা চক্রবর্তী ।

"প্রতাপ" পত্রিকার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে প্রান্তিকায়িত হৃদয়ের স্পর্ধিত উচ্চারণ। ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক টগবগে তরুণের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্ন নিয়ে "প্রতাপ"-এর জন্ম।

"প্রতাপ": সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস কোনো একক স্বপ্ন বা আশার প্রতীক নয়, বরং অদম্য, প্রতিস্পর্ধী সামূহিক উচ্চারণের নাম।

প্রায় পনেরো বছরের নিরন্তর পথচলায় সমাজ ও সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য উজ্জ্বল কবি-সম্পাদক শৈলেন দাসের "প্রতাপ"।


        আমাদের বাবা

       । সুজিতা দাস ।

বাবা আমাদের পথের দিশা।
নিমিষে কেটে যায় দুর্বলতা, ভয় আর খারাপ নিশা।
হাতে ধরে দেখিয়ে বলেন, 
সদা সত্যি বল আর সামনে এগিয়ে চল।
বাবা আমাদের সকল সাহস-বল। 

রাখীর সুতোয় ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন

। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।

রাখীবন্ধন ভারতীয় সংস্কৃতির এক পরিচিত ও আবেগঘন উৎসব। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এই উৎসবকে সাধারণভাবে ভাই-বোনের ভালোবাসা, পারস্পরিক স্নেহ ও দায়িত্ববোধের উৎসব হিসেবে দেখা হয়। একটি ছোট্ট সুতো কব্জিতে বাঁধার মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের নবায়ন ঘটে, তার তাৎপর্য কিন্তু কেবল পারিবারিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাখী হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, বিশ্বাস, দায়িত্ব, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতিরও প্রতীক। শ্রাবণী পূর্ণিমায় রাখী বাঁধার প্রচলিত রীতি বিশেষত ভাই-বোনের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      সে কি কথা ছিল?

       । প্রমিলা দাস ।

ডুব দিয়েছি ভবসাগরে
মায়ায় মোহিত হয়ে।
ভবে আসার কালে যা ছিলাম বলে,
তা নিয়ত যাচ্ছি আমি ভুলে,
সার ছেড়ে অসার নিয়ে লিপ্ত,
তোমার কথা ভাবতে ভাবি সংক্ষিপ্ত। 


মিথ্যা বলার পরিণাম

। প্রতীক চক্রবর্তী ।

কিরন দেখতে বেশ মিষ্টি চেহারার ছেলে। কিন্তু তার স্বভাবটা ভালো ছিল না। সে অলস ছিল। সহজে অনেক টাকা কামাতে চাইতো। তাই সে এক অদ্ভুত উপায় বের করল। সে প্রতিদিন নতুন নতুন রাস্তাঘাটে যেত। মানুষের সামনে গিয়ে কাঁদতে বসত। সে বলত, "আমার মা মারা গেছেন, বাবাও নেই। আমি একদম একা।" তার অভিনয় এত নিখুঁত ছিল যে মানুষের মায়া হতো। তারা তাকে অনেক টাকা সাহায্য করত। সবুজ সেই টাকা দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত। দামি জিনিস কিনত। মিথ্যা কথা বলে টাকা কামানো তার রোজকার নেশা হয়ে দাঁড়াল।  পুরো গল্পটি পড়ুন

বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৮

বছরের নতুন প্রভাতে ‘প্রতাপ’-এর শুভানুধ্যায়ী, পাঠক ও লেখকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন সূর্যের আলোয় ভরে উঠুক সৃজনের পথ, শব্দে শব্দে ফুটে উঠুক অনুভূতির নতুন দিগন্ত। শুভ নববর্ষ! - শৈলেন দাস

নববর্ষ : স্মৃতি, সংস্কার ও সময়ের স্রোত

। দূর্বা দেব ।

নববর্ষ বাঙালির জীবনে এক অনন্য উৎসব। পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নতুনকে স্বাগত জানানো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিনযাপনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সেকালের নববর্ষ ছিল গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, আর এখন নববর্ষ মননে ও যাপনে আধুনিক ও বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির প্রভাবে নববর্ষ উদযাপন হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক।

অনেকে মনে করেন সপ্তম শতকে রাজা শশাঙ্কের আমলে বাংলা সনের সূত্রপাত। কারো মতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর রাজস্ব আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন। পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


        নববর্ষের নতুন আলো

          । সৈকত মজুমদার। 

মুছে যাক পুরনো গ্লানি, ধুয়ে যাক যত রেশ,

নতুন দিনের আবাহনে সাজুক এ পৃথিবী।

ভোরের আকাশে রাঙা সূর্য দিচ্ছে নতুন আলো,

হৃদয়ে জাগুক নবীন আশা, চঞ্চল হোক প্রাণ।

বয়ে আনুক এই নতুন বছর সবার মুখে হাসি,

ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে হই চলো কাছাকাছি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                নববার্তা

       । প্রমিলা দাস ।

এসো হে বৈশাখ, বাজিয়ে ঢাক,

ঋতুর রানি আজ বিদায় জানাক।

এসো হে বৈশাখ,

ইচ্ছেপরীটি হয়ে,

যাবে খরস্রোতা নদীর তৃষ্ণা মিটে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                  নতুন বছর

               । সুমঙ্গল দাস ।

নতুন ভাবনা নিয়ে আসে দিন, বৈশাখ মাসে—

হাসিখুশিতে যায় যেন বছর, সবাই মিলেমিশে।

পাড়াপড়শি, ভাই-বন্ধু সব, ঝগড়াঝাঁটি না বাঁধে,

একে অন্যের সহায়তায় থাকব, না কেউ ক্রোধে।

নতুন দিনের নতুন আশা, সহায়তা করব নেশা,

ভরসা করতে, কেউ যেন কোথাও হারায় না দিশা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


নববর্ষ ও মায়ের তৈরি জামা

। ছন্দা দাম ।

সে সময় রেডিমেড জামাকাপড়ের তেমন রেওয়াজ ছিল না। নতুন বছর শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে বাবা নিয়ে আসতেন সুতির থানের ফুল, লতা-পাতা ছাপানো কাপড়। আর মা সারাদিনের সাংসারিক কাজের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে নিজের হাতে কাঁচি দিয়ে কেটে, সুঁই-সুতোয় বানিয়ে তুলতেন আমরা বোনেদের জন্য দারুণ আকর্ষণীয় জামা।

একটা বাড়িতে অনেকটা পরিবার একসাথে থাকতাম। সব ঘরের ছেলেমেয়েরা যখন উঠোনে জমা হতাম, তখন আমার মুখে থাকত মায়ের হাতে তৈরি জামাকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসার কত কথা। অন্যান্যদের মায়েদের সেই শিল্প জানা ছিল না। তাই বাজারে কেনা কাপড়েই পালিত হতো ওদের শুভ নববর্ষ। আমি গর্ব বোধ করতাম—মা নিজের হাতে জামা বানিয়ে দিতেন।  পুরো স্মৃতিচারণটি পড়ুন


শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

প্রতাপ : অনলাইন-৩৮

             নিঃশব্দতা

 
           । পিংকী দাস ।
 
নিঃশব্দতার ভেতরেও গল্প লেখা হয়
শব্দহীন এক অনুভবে জেগে থাকে ক্ষত। 
সেঁজুতির আলসে সন্ধ্যাতারা আনাড়ি হাতে
স্মৃতি হাওড়ায় বুড়ো ছাতিমের হিম গন্ধে। 
পুরো কবিতা পড়ুন



   মাতোমাকে বলছি
    । মমতা চক্রবর্তী ।
মা---------
শুনছো
আজ তোমার কথা খুব মনে পড়ছে...
জানো মা----
রাজার হট্টহাসি,কোটালের চোখ রাঙানো
বড়ো অসহায় করে তোলে
                                                                        পুরো কবিতা পড়ুন


তোমার গল্পের শিরোনাম

   । সোনালী গোস্বামী ।

কোনো একদিন বসে নিরালায়..
কেদারায় চড়ে চায়ের চুমুকে,
কতো অজানা গল্পের হারিয়ে যাওয়া দেশে..
খুঁজে পেতাম নিজেকে তোমার সেই গল্পের আমিতে।
পুরো কবিতা পড়ুন
               

ঘুড়ি উৎসব
 
 । প্রমিলা দাস ।
 
ঘুড়িঘুড়ি মন,

ফাগুনের পবনে ডাকে সারাক্ষণ।

হারানো ছেলেবেলা

পুনঃ শনবিলে দিল দেখা।

পুরো কবিতা পড়ুন


           জুবিনের গান 
 
      । আদিমা মজুমদার ।
 
মৃত্যু যে এত সুন্দর হতে পারেজানতাম না।
জুবিনতুমি দেখিয়ে দিয়েছো
জীবিত জুবিন থেকে মৃত জুবিন কত শক্তিশালী, কত মহান।
জুবিন তোমার মৃত্যু আমাদের জোট বাঁধতে শেখায়শেখায় প্রতিবাদের ভাষা,
বিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করতে মাঠে নামায়বর্বরতা নিষ্ঠুরতা তোমাকে কাঁদায়। 
পুরো কবিতা পড়ুন

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০২৪

প্রতাপ : অনলাইন-০৮

 



              ভয়

। শৈলেন দাস 

কিছু সুন্দর মুহূর্ত যেমন

আর্থিক স্বচ্ছলতার কারণে সাহিত্য চর্চা

বা অন্যকোন সেবামূলক কাজে

নিজেকে জড়িত রাখা

আমার আত্মতৃপ্তি বা শ্লাঘার কারণ।
  পুরো কবিতা পড়ুন ❤


সেই কিশোরী

। মমতা চক্রবর্তী ।

নৌকার পিঠে 

আলকাতরা মাখা ছেলেটির   

 চোখ - কান চঞ্চল হয়ে ওঠে

 সেই কিশোরীর জন্য

 পুরো কবিতা পড়ুন ❤                                                     

  

    শেকল বাঁধা প্রাচীরে

     । অজিত দেবনাথ ।

তবুও যেতে হয় সমস্ত বন্ধনীর ওপারে 

অব্যক্ত ভালোবাসার দহনে

যেখানে বৃক্ষ সেজে ওঠে স্নায়ুর ধারাজলে 

উত্তরের হাওয়ায় নড়ে অহিংসার ধূলিকণা 

 পুরো কবিতা পড়ুন ❤


  বন্যার তান্ডব 

 । চম্পক সাহা ।

বাঁশের বেড়া, টিনের চাল 

দিবা রাত্রি থাকি সুখে

পাহাড়ে বৃষ্টি, নদীর বুক ভেসে 

চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ!

পুরো কবিতা পড়ুন ❤



                  আশা

          । প্রমিলা দাস 

আশায় ভরা মধুময় জীবনে

     মানুষ আশায় বাঁচে 

আশা আছে বলেই সবার জীবনে

     আনন্দে খুশিতে নাচে। 

   পুরো কবিতা পড়ুন ❤

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রতাপ এর কথা

।। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।। শৈলেন দাস বরাক উপত্যকার সাহিত্য চর্চায় এক পরিচিত নাম। শৈলেনের কবিতা আমি প্রথম ওঁর কন্ঠেই পাঠ শুনেছিলাম শনবিলে একটি...