ঝুমুর পান্ডে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঝুমুর পান্ডে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৫




                      আজব দুনিয়া

                    । রূপালী দাস ।

আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি,

এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?

হাজার হাজার অট্টালিকা গড়ে উঠছে নিমেষে—

এটাই হচ্ছে সত্য এখন, চমকে ওঠার কী আছে!

পুরো কবিতাটি পড়ুন


মাতৃভাষার টান

। শেখর মালাকার ।

নদীমাতৃক বাংলার ভোর মানেই কুয়াশা ভেজা ধানক্ষেত, দূরে তালগাছের মাথায় সূর্যের প্রথম আলো, আর মসজিদের আজান কিংবা মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে থাকা এক মধুর সুর—বাংলা ভাষার সুর। এই ভাষাতেই মা তার সন্তানকে প্রথম আদর করে ডাকে, এই ভাষাতেই কবি স্বপ্ন দেখে, কৃষক গান গায়, আর বিপ্লবী শপথ নেয়।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      তোমায় চাই শুধু নিরবে

              । মাম্পী দাস ।

তোমায় খুঁজি আমি গল্পের মাঝে।

তোমায় দেখি আমি কবিতার সাজে।

কে বলেছে হৃদয়কে তোমায় এত ভালোবাসতে?

তোমায় খুঁজি আমার সকল সুখ-দুঃখের মাঝে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


পুরোনো বটগাছের রহস্য

। অপর্ণা কুমার ।

আমাদের বাড়ির উত্তর দিকে একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটা এত বড় ছিল যে দিনের বেলাতেও তার নিচে আলো কম পৌঁছাত। তার মোটা কাণ্ড, ঝুলন্ত শেকড় আর ঘন ডালপালা দেখে মনে হতো যেন কোনো প্রাচীন প্রহরী পাহারা দিচ্ছে। গ্রামের লোকেরা বলত, বটগাছটার নিচে নাকি অদ্ভুত ছায়া নড়ে, গাছের সামনে গেলে নাকি কারও ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। তাই রাতে রাস্তা পার হতে অনেকেই ভয় পেত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


পাগলি

। ঝুমুর পান্ডে ।

(১)

পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—

“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”

সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও…   পুরো গল্পটি পড়ুন

মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫

প্রতাপ : অনলাইন-২৪


 নদী, চিল ও সমীরণ 

। ঝুমুর পান্ডে ।
 
নদীর উপর এক চক্কর, দুই চক্কর, তিন চক্কর দিতে দিতে সাঁই করে নেমে এসে মাছ টাকে ধরে ফেলল চিলটা। চিল না চিলনি কে জানে? যেই হোক। সমীরণ কি আর অতশত জানে না বোঝে! একবার সমীরণের ছোট্ট ঘরের পাশে যে অর্জুন গাছটা ছিল তাতে এক চিলনির সংসার ছিল। ছানা পিনা নিয়ে থাকতো। তাদের উপস্থিতির টের পেত সমীরণ। শেষে একদিন কারা কেটে ফেলল গাছটাকে। গাছ কাটলে ভীষণ কষ্ট হয় সমীরণের। ভীষণ! চিলনিটা তারপর ওর বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে কোথায় গেল কে জানে!নদীর ওপর দুটো নৌকাও এদিক-ওদিক হচ্ছে। তার মানে মাছ ধরছে। সামনে নদীর ব্রিজটা বুক চিতিয়ে মানুষ গাড়ি সব পার করছে। লোকে বলে বরাক ব্রিজ। এই কিছুদিন আগে একজন সুন্দরী কন্যা এই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে পড়ল। সম্পূর্ণ গল্পটি পড়ুন



আমার গ্রাম

। সুমন দাস ।

আমার গ্রাম, এখনো সকালে ঘুম ভাঙে কাক ডাকার শব্দে,

পুকুরপাড়ে ঝাঁপিয়ে নামে রোদ, গাছে উঠে শিশুরা হাসে।

মাঠের বুক চিরে হেঁটে যায় একটা সরু পথ,

যেন কারো চুলের বেণী...বাঁধা স্মৃতির ফিতেতে।

দাদুর ঘরের পাশে আম গাছটা এখনো আছে,

তার ছায়ায় কত দুপুর কেটে গেছে.....       সম্পূর্ণ কবিতাটি পড়ুন



     নির্বাক দর্শক

         । রুমা দাস ।

     নিভৃত নীলাকাশের ওপারে

     এক চিরচেতনা বসত করে—

     তিনি নন শুধু ঈশ্বর,

     তিনি সাক্ষী—

     সমগ্র সৃষ্টির নীরব পর্যবেক্ষক।

     সম্পূর্ণ কবিতাটি পড়ুন



কথা নানা ধরণের
। এম রিয়াজুল আজহার লস্কর ।

কিছু কথা শুনলে মনের কষ্ট শুধু পালায়,

কিছু কথা যায়না ভুলা আগুন হয়ে জ্বালায়।

কিছু কথায় মনটা খারাপ অবসাদে থাকা,

কিছু কথায় শক্তি পাওয়া স্বপ্ন ধরে রাখা।




   মনের মাঝে তুমি

            । চাঁদনী দাস ।

তুমি আমার মনের গহনে,

        সুপ্ত সোনালী বাসনা।

তোমায় নিয়ে প্রতিনিয়ত,       

        লিখি রামধনুর কল্পনা।

তুমি ছিলে বলে প্রেম ছিল,          

   ভালোবাসার পরশে রঙীন।        সম্পূর্ণ কবিতাটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...