পাগলি

প্রতাপ : অনলাইন-৪৫

। ঝুমুর পান্ডে ।

(১)

পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—

“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”

সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও… 

ধুর! ধুর! ধুর!

কাকে বলছে পাগলি কে জানে! কে জানি পাগলিকে একটা না দুটো বিস্কুট দিয়ে গেল। ঝাড়ু ছেড়ে পাগলি এখন তাই বসে বসে খাচ্ছে। এমন করে খাচ্ছে যেন অমৃত খাচ্ছে। তার মানে স্বাদ, গন্ধ—সবই বুঝে পাগলি।

মাথার চুলগুলো খুব ছোট ছোট করে কাটা। কে কেটে দিয়েছে কে জানে! ওই যখন উঁচু পেট নিয়ে ঘুরত, তখন মাথার চুল লম্বাই ছিল, তবে কেমন জট পাকানো ছিল। হাত পেতে খাবার চাইত।

এ কেমন পাগলি! খাবারের লোভ দেখিয়েই অনেকে ওকে ভোগ করত—লোকে বলে। লোকে তো কত কিছুই বলে। এই যেমন পাগলির যেদিন তারাপুরের মাঠে প্রসব হলো, কেউ নাকি এগিয়ে গেল না। একাই কাতরাতে কাতরাতে নাকি প্রসব হয়েছিল পাগলির।

এ গল্প আকাশে-বাতাসে, চায়ের টেবিলে—বিশেষ করে লেখক-বুদ্ধিজীবীদের আড্ডায়—খুব স্থান করে নিয়েছিল। তবে পাগলির কাছাকাছি বোধহয় কেউ যায়নি বেশ কিছুদিন—মানে কয়েক মাস, বছর দুয়েক হবে।

বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে ঘুরত পাগলি। ওই যে শিরিষ ফুলের গাছটার নিচে বাচ্চাটাকে দুধ খাওয়াত। ছেলে শিশু না মেয়ে শিশু ছিল কে জানে! তবে শিশুটাকে বুকে জড়িয়ে রাখত। কিন্তু শিশুটা এখন বুকছাড়া হলো কী করে? কে নিয়ে গেল বাচ্চাটাকে?

আবার পেটে এসে গেল বাচ্চা।

পাগলির এখন ঝাঁট দেওয়া শেষ। আকাশি রঙের ওয়াগনার গাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে যেন কী করছে। ওহো! মুছছে গাড়িটাকে। কিন্তু মুছছে কোথায়? নোংরা করে ফেলছে মোছার নামে।

ড্রাইভার নেমে এসে এখন পাগলিকে সরানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছুতেই যেতে চাইছে না পাগলি। কে একটা কলা হাতে ধরিয়ে দিতেই পাগলি সরে গেল। এখন জনতা প্রেসের সামনে দাঁড়িয়ে কলাটা খোসা ছাড়িয়ে খাচ্ছে। খোসাটাও রাস্তায় ফেলল না। দূরে ফেলে এলো।

আগে শাড়ি পড়ত। এখন একটা চুড়িদার পরে থাকে। ওটাও কে দিল কে জানে! কেউ দিয়েছে নিশ্চয়ই, নইলে পাগলি পেল কোথায়?

এখনো কারও কারও দয়া-মায়া আছে। না হলে… এই যে এখন কে বিস্কুট দিল!

কোথায় জন্ম হয়েছিল পাগলির? কে ছিল মা? গর্ভযন্ত্রণা ভোগ করে পালন করেছিল যেই নারী। ওই মাতা কি জানত—ওর সন্তানের রাস্তায় হবে ঠাঁই? দশজনে লুটেপুটে খাবে ওর শরীর। তারপর মাঠে-ঘাটে কাতরাতে কাতরাতে জন্ম দেবে সন্তানের। ওই সন্তানও বেহাত হয়ে যাবে, বিক্রি হয়ে যাবে।

আচমকা ঝমঝম করে বৃষ্টি এলো। পাগলি সেই বৃষ্টিতে ভিজল না। ভেজে তো মানুষ আনন্দে, খুশিতে, সুখে। পাগলি সবজির দোকানের চালাটার এক কোণে দাঁড়িয়ে রইল।

(২)

পাগলিটা আজ কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে বসে ছিল এতক্ষণ। এখন আবার হাঁটতে শুরু করল। একটা ব্যাগের ভেতর রাজটির জিনিস। আজ একটা নাইটি পড়েছে। এটা কে দিল কে জানে!

আগের সালোয়ার-কামিজটা আবার কোথায় ফেলল?

এখন চুলগুলো আবার কিছু লম্বা হয়েছে। জট পাকিয়ে আছে মাথার এদিকে-সেদিকে। রাজ্যির যানবাহন, যানজট। পাগলি কিন্তু ঠিকঠাক হাঁটছে… রাস্তাটাও ঠিকঠাক পেরিয়ে গেল।

অথচ সুন্দর সাজগোজ করা মহিলা একজন সেই কখন থেকে দাঁড়িয়ে আছে—রাস্তা পার হবে বলে।

পাগলি এসব ব্যাপারে ভীষণ স্মার্ট।

এখন ফটোর স্টুডিওর সামনে এসে দাঁড়াল। ওখানে ওর কী কাজ কে জানে!

একজন পথচারী— ফটো উঠতায় নি গো?

আরেকজন— বোধহয় আধার কার্ড বানাইত।

আরেকজন— “ব্যাংকে বোধ হয় টাকা থইত। টাকা জমাইছে পাগলিয়ে! হা হা হা…

আরেকজন— “না না, দেখ! পাগলিরে বোধ হয় এনআরসিয়ে ধরছে! হা হা হা হা হা…

এরা বোধহয় জানে না—এরা কেন ফুটপাতে দাঁড়িয়ে আছে? পাগলিকে বিদ্রুপ করার জন্য? এসব করে কী আনন্দ পায় এরা?

পাগলির কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। একমনে স্টুডিওর দিকেই তাকিয়ে আছে।

একটু পরে স্টুডিওর দরজাটা খুলে গেল। একজন লোক বেরিয়ে এলো। পাগলি এখন আবার হাঁটতে লাগল।

লোকগুলো বলছে— দেখ, পাগলি বোধ হয় ব্যাংকে যার… হা হা হা হা হা… হি হি হি হি…

(৩)

পাগলি আজ আবার শিরিষ গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে আছে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এদিকে-সেদিকে তাকাচ্ছে। পাগল হলেও ওর দৃষ্টিতে কেমন একটা ধার আছে।

পাগলি বেশ লম্বা। একসময় হয়তো গায়ের রংটা উজ্জ্বল ছিল। কোনো দিন ইস্কুলে কি গিয়েছিল পাগলি? বাবা কি ওকে মেলায় নিয়ে যেত? ঠাকুমা কি পাগলিকে শোনাত ভূত-প্রেত, রাজা-রানীর কাহিনি? কে জানে! পাগলি কি খেলত বন্ধুদের সঙ্গে কখনো এক্কা-দুক্কা? বন্দি খেলতে খেলতে কখনো কি ডাক দিয়েছে—

একদিন গেলাম উত্তরে

ডলু বাসের ভিতরে

ডলুরে বম বম…

লোকটা যেতে যেতে পাগলিকে দেখে থমকে দাঁড়াল। যে লোকটা মানুষের গলির ভেতর ঘুরে ঘুরে গান করে—

সবেমাত্র একটি খুঁটি,

খুঁটির গোড়ায় নাইকো মাটি।

কিসে ঘর রবে খাঁটি,

ঝড়-তুফান এলে…

কতক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল। কী দেখল কে জানে!

পাগলি তখন শিরিষ গাছটার পাতা, না ফুল, না পাখি—কী দেখছিল কে জানে!

আবার গাছ থেকে চোখ নামিয়ে লোকটাকে দেখল। মনে হয় হাসলও।

পাগলে পাগল চেনে।

দুজনের চোখে চোখে কী কথা হলো কে জানে! আবার দুজন দুদিকে হাঁটতে লাগল।

পাগলি এখন চায়ের দোকানটার সামনে দাঁড়াল। সামনে সার-বিচির দোকানে অনেক লোক—সব কিনছে। দোকানি বলছে— দাঁড়াও, দাঁড়াও, দিমু।

পাগলিকে কিছু দেবে নাকি?

একটা মিছিল যাচ্ছে। অনেকের হাতে প্ল্যাকার্ড উঁচু করে ধরা।

“মানছি না, মানব না!” বলতে বলতে যাচ্ছে।

পাগলিও মাথা চুলকাতে চুলকাতে ওদের সঙ্গে হাঁটতে লাগল…

(৪)

আজও পাগলি শিরিষ গাছের তলে উঁচু পেট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওই দিকের হলটাতে পাগলদের কিভাবে ভালো রাখা যায়—এ নিয়ে সেমিনার হচ্ছে। কত বুদ্ধিজীবী, কত সমাজসেবী, গণ্যমান্যদের ভিড়! ওর দিকে কেউ তাকিয়েও দেখছে না। একজন শুধু বলল— এখানে কী করছিস? সর।

কোনো বক্তার গাড়ি পার্কিং করাবে বোধহয় ওই গাছের নিচে।

দাঁড়াতে দাঁড়াতে এখন বসে পড়ল পাগলি। চোখে-মুখে ভীষণ যন্ত্রণা। এমা, শুয়েই পড়ল দেখি। রাস্তা দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে, মানুষ যাচ্ছে। ঠেলা, রিকশা—কত কিছু যাচ্ছে।

আজও একটা মিছিল যাচ্ছে। কত মানুষের কত রকম দাবি-দাওয়া, কিন্তু পাগলির জন্য কারোর সময় নেই।

পাগলি এখন কী সব আবোলতাবোল বকতে লাগল। আর শিরিষ ফুলগুলো ঝরতে লাগল পাগলির নাকে, কপালে, মুখে, ঠোঁটে, বুকে।

(৫)

পাগলি এখন সদরঘাটের ব্রিজের কিনার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। কী একটা বন কামড় দিয়ে দিয়ে খাচ্ছে। ওর সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল যে সুন্দর করে মেয়েটা—ফর্সা, মাথায় এক ঢাল চুল। এখন লাফিয়ে পড়ল জলে।

কারা যেন চেঁচালো। পাগলির কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। ওদিকে জলের ভেতর খোঁজাখুঁজি চলছে।

পাগলি একমনে বন খাচ্ছে।

চড়কের শিব, দুর্গা—আরও কিছু লোকজন ঝুমঝাম করে চলে গেল। কাল রাতে যারা শিব, দুর্গা, কালী, কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী সেজে মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরছিল—নেচে নেচে, গান গাইছিল। এই শিব, দুর্গা, কার্তিক, গণেশ, কালী—ওদের নিয়েই…

পাগলি আর দাঁড়াল না। ওদিকে পুলিশও এসে গেছে। মেয়েটাকে বোধহয় তুলেছে কোনো এক মাঝি। প্রাণ আছে কিনা বলা যাচ্ছে না।

আহা রে! কাদের বাড়ির মেয়ে? কী বা নাম? কলেজে পড়ত নিশ্চয়ই—না ইউনিভার্সিটিতে?

সেদিন নদীটার ওইদিকে দুজন জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে ছিল। পাগলি কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল শূন্য দৃষ্টি মেলে। পাগলিকে কেউই পাত্তা দেয় না।

পাগলির সামনে একটা খুনও হয়েছিল একবার। পাগলিকে পাত্তাই দেয়নি খুনি। পুলিশও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। কিন্তু সবকিছুই তো পাগলির সামনেই ঘটেছিল।

আরে, পাগলি তো! ওর তো শুধু শরীরটাই আছে। আর কী? হ্যাঁ, আর কী!

যখন-তখন রাতের বেলা ভোগ করো। কোনো কোনো দিন পাগলির শরীরের ভাগ নিয়ে ঝগড়াও হয়। দুই ভাগিদারের কখনো অধিকও হয়।

এই এখন যেমন—পাগলির দুপা গড়িয়ে রক্তস্রাব হচ্ছে। নাইটির পেছনেও ছোপছোপ রক্তের দাগ।

প্যাড নিয়ে আজকাল অনেক সচেতনতা সভা হয় গ্রামগঞ্জ শহরে। কত প্রচার! অক্ষয় কুমারকে দিয়ে ফিল্মও হয়। কত স্লোগান!

কিন্তু যাক গে…

এই তো পাগলির একবার এবরশনও হলো। তাও এই নদীর ধারেই। কতক্ষণ বেহুঁশ হয়ে পড়েছিল।

পাগলি এখন হেঁটে হেঁটে ব্রিজ পার হয়ে এসেছে। এমা, একটা বিরাট ষাঁড় একটু হলেই পাগলিকে গুঁতো মারত!

গরমে দরদর করে ঘামছে পাগলি। হাঁটতে হাঁটতে ওই পাড়ের একটা দোকানের সামনে এসে দাঁড়াল। দুজন মহিলা কী সব কিনে বের হচ্ছে। পাগলিকে দেখে—মানে ওর পায়ে গড়ানো রক্তস্রাব দেখে—একজন হাসল।

আহা রে! কত কিছু যে ধারণ করে আর বহন করে পাগলি!

একটা লোক কোল্ড ড্রিংস খাচ্ছিল। এখন অর্ধেকটা খেয়ে পাগলিকে বোতলটা দিয়ে দিল। পাগলি কেন জানি খেল না। হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করে ফেলে দিল।

আবার হাঁটতে লাগল পাগলি।

ব্রিজের উপর উঠতেই হাঁসফাঁস গরমে হঠাৎ করে বৃষ্টি নামল বড় বড় ফোঁটায়। ধুয়ে যেতে লাগল পাগলির দেহ থেকে গড়ানো যত রক্তস্রাব, যত অপমান।

মেঘও ডাকতে লাগল—কড় কড় কড়াৎ…

(৬)

পাগলি আবার উঁচু পেট নিয়ে ঘুরছে। আজ একটা ঢোলা শার্ট-প্যান্ট পড়েছে। এসব আবার কোথায় পেল?

কে জানি পাগলিকে আবার একটা বিস্কুট দিয়ে গেল। ভবঘুরে লোকটা পাগলিকে দাঁড়িয়ে একটু সময় দেখল, তারপর আবার হাঁটতে লাগল।

পাগলি আজ কেন জানি লোকটার দেওয়া বিস্কুটটা খেল না। ফেলে দিল রাস্তার ধারে। একটা কাক ওটা ঠোঁট দিয়ে নিল।

হ্যাঁ, আসন্ন প্রসবা পাগলি এখন ধীরে ধীরে পা ফেলে ফেলে হাঁটছে।

বেশ বড় একটা জটলার সামনে থমকে দাঁড়াল পাগলি। প্রতিবাদ করছেন দিদিমণিরা। হ্যাঁ, প্রতিবাদ করছেন ধর্ষণের।

পাগলি এখানে কিছুক্ষণ দাঁড়াল। চারদিকে তাকাল। কারা জানি ওকে ওখান থেকে সরিয়ে দিল। প্রতিবাদকারীরাও পাগলিকে কেমন যেন দেখেও দেখল না।

পাগলি আবার হাঁটতে শুরু করল।

ক্যাপিটাল হয়ে ট্রাংক রোড ধরে হাঁটছে। একবার জোরে হোঁচটও খেল। আকাশবাণীর কাছে কয়েকজন কমবয়সী বাচ্চা ছেলে পাগলিকে খেপানোর চেষ্টা করল। পাগলি পাত্তাই দিল না।

সবার নজর তো ওর পেটের দিকে।

ওদিকে বাঁশি বাজিয়ে মন্ত্রী না এমপির গাড়ি গেল। পাগলি বলল— ধুর! ধুর! ধুর!

তারপর ওদিকে তাকিয়ে একটু থুতু ফেলল।

হাঁটতে হাঁটতে এখন অন্নপূর্ণা ঘাটের দিকে বাঁক নিল পাগলি। যেন কত পরিচিত রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। একবার বসে পড়ল, আবার উঠে দাঁড়াল।

ওদিকে শিঙাড়া ভাজার গন্ধ আসছে। ফুটে আছে অনেক শিরিষ ফুল। নিচে পড়ে আছে কিছু।

পাগলি হঠাৎ বসে পড়ল শিরিষ গাছের নিচে। তারপর কিছু ফুল নিয়ে নিজের মাথায়ই ছিটাল।

একটু হাঁটতেই ডানে অন্নপূর্ণার মন্দির। ওদিকে একবার তাকাল।

তারপর এবড়োখেবড়ো ঘাট দিয়ে আস্তে আস্তে নেমে যেতে লাগল নদীর দিকে।

ওই তো বরাক নদী—কী সুন্দর বয়ে যাচ্ছে! ওপারে কত গাছগাছালি, বাড়িঘর। মাথার উপর উড়ছে কত চিল। উড়ে গেল কয়েকটা সাদা বক।

নদীর কিনারায় বাঁধা আছে একটা ছোট্ট নৌকাও।

কারা যেন গান গাইছে, কিন্তু কথা বোঝা যাচ্ছে না।

পাগলি যেন মনে মনে হাসল। তারপর নেমে যেতে লাগল নদীর দিকে।

৩টি মন্তব্য:

  1. এমন একটা গল্প একমাত্র ঝুমুর পাণ্ডের কলমে সম্ভব। অসাধারণ।

    উত্তরমুছুন
  2. আগে জানতাম যারে বড় পাপি,
    এখন মন্দিরে সে সভাপতি।
    সে সমাজ কল্যাণ কার্য সারে।
    চক্ষু চড়কগাছ হল দেশ দুনিয়ার ব্যবহারে।।

    উত্তরমুছুন
  3. সভ্য সমাজের বাস্তবতা প্রকাশ করে এই পাগলির জীবন চরিত

    উত্তরমুছুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...