রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৩








এই নৈবেদ্যের রঙ লাল

। অপর্ণা দেব ।

ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।

বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল?  পুরো গল্পটি পড়ুন


                 সৌহার্দ্যের অজ্ঞানতা

                     । চান্দ্রেয়ী দেব ।

সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,

প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,

সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।

প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,

মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


    ঊনিশের শহীদ

  । রাখু মালাকার ।

উনিশে মে রক্তে লেখা

বরাকের সেই গান,

মাতৃভাষার অধিকারের জন্য

দিয়েছিল যারা প্রাণ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                        তীব্র সুখ

           । সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।

মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,

অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?

সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,

মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


লিখে রেখো কিছু কথা

     । মাম্পী দাস ।

অন্ধকার নিরালায়,

প্রকাণ্ড আকাশতলায়,

গা এলিয়ে বসি আমি।

মিটমিট করে বাতি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫২

 




আবোল-তাবোল স্বপ্ন

। নমিতা আচার্য্য ।

আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,

আমি জেগে থাকি সেথায়।

মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,

চোরাবালির উপর হেঁটে;

ভিড় করে কত অলীক আশা,

                                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন

ভূরো

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।

ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


নীরবতার পাঠ

। শিল্পী দেব ।

জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়, 

নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...

নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়, 

আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...

                              পুরো কবিতাটি পড়ুন

           আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে

                   । পরিমল কর্মকার ।

যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,

যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,

যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --

সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --

পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।

                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন


স্মৃতি যখন হাসায়

। পুষ্পিতা দাস ।

পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"

আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!

  পুরো গল্পটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রতাপ এর কথা

।। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।। শৈলেন দাস বরাক উপত্যকার সাহিত্য চর্চায় এক পরিচিত নাম। শৈলেনের কবিতা আমি প্রথম ওঁর কন্ঠেই পাঠ শুনেছিলাম শনবিলে একটি...