বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৮

বছরের নতুন প্রভাতে ‘প্রতাপ’-এর শুভানুধ্যায়ী, পাঠক ও লেখকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন সূর্যের আলোয় ভরে উঠুক সৃজনের পথ, শব্দে শব্দে ফুটে উঠুক অনুভূতির নতুন দিগন্ত। শুভ নববর্ষ! - শৈলেন দাস

নববর্ষ : স্মৃতি, সংস্কার ও সময়ের স্রোত

। দূর্বা দেব ।

নববর্ষ বাঙালির জীবনে এক অনন্য উৎসব। পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নতুনকে স্বাগত জানানো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিনযাপনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সেকালের নববর্ষ ছিল গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, আর এখন নববর্ষ মননে ও যাপনে আধুনিক ও বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির প্রভাবে নববর্ষ উদযাপন হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক।

অনেকে মনে করেন সপ্তম শতকে রাজা শশাঙ্কের আমলে বাংলা সনের সূত্রপাত। কারো মতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর রাজস্ব আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন। পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


        নববর্ষের নতুন আলো

          । সৈকত মজুমদার। 

মুছে যাক পুরনো গ্লানি, ধুয়ে যাক যত রেশ,

নতুন দিনের আবাহনে সাজুক এ পৃথিবী।

ভোরের আকাশে রাঙা সূর্য দিচ্ছে নতুন আলো,

হৃদয়ে জাগুক নবীন আশা, চঞ্চল হোক প্রাণ।

বয়ে আনুক এই নতুন বছর সবার মুখে হাসি,

ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে হই চলো কাছাকাছি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                নববার্তা

       । প্রমিলা দাস ।

এসো হে বৈশাখ, বাজিয়ে ঢাক,

ঋতুর রানি আজ বিদায় জানাক।

এসো হে বৈশাখ,

ইচ্ছেপরীটি হয়ে,

যাবে খরস্রোতা নদীর তৃষ্ণা মিটে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                  নতুন বছর

               । সুমঙ্গল দাস ।

নতুন ভাবনা নিয়ে আসে দিন, বৈশাখ মাসে—

হাসিখুশিতে যায় যেন বছর, সবাই মিলেমিশে।

পাড়াপড়শি, ভাই-বন্ধু সব, ঝগড়াঝাঁটি না বাঁধে,

একে অন্যের সহায়তায় থাকব, না কেউ ক্রোধে।

নতুন দিনের নতুন আশা, সহায়তা করব নেশা,

ভরসা করতে, কেউ যেন কোথাও হারায় না দিশা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


নববর্ষ ও মায়ের তৈরি জামা

। ছন্দা দাম ।

সে সময় রেডিমেড জামাকাপড়ের তেমন রেওয়াজ ছিল না। নতুন বছর শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে বাবা নিয়ে আসতেন সুতির থানের ফুল, লতা-পাতা ছাপানো কাপড়। আর মা সারাদিনের সাংসারিক কাজের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে নিজের হাতে কাঁচি দিয়ে কেটে, সুঁই-সুতোয় বানিয়ে তুলতেন আমরা বোনেদের জন্য দারুণ আকর্ষণীয় জামা।

একটা বাড়িতে অনেকটা পরিবার একসাথে থাকতাম। সব ঘরের ছেলেমেয়েরা যখন উঠোনে জমা হতাম, তখন আমার মুখে থাকত মায়ের হাতে তৈরি জামাকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসার কত কথা। অন্যান্যদের মায়েদের সেই শিল্প জানা ছিল না। তাই বাজারে কেনা কাপড়েই পালিত হতো ওদের শুভ নববর্ষ। আমি গর্ব বোধ করতাম—মা নিজের হাতে জামা বানিয়ে দিতেন।  পুরো স্মৃতিচারণটি পড়ুন


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...