"তেমন রাবার নেই মুছে উনিশে মে" কবি করুণা রঞ্জন ভট্টাচার্যের এই বাণী শ্বাশত। বরাকে বাঙালীর দৈনন্দিন জীবনে হাজারও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, ভাষা কেন্দ্রিক আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে উনিশের চেতনাকে স্তিমিত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে যারা তাদের জানিয়ে রাখি, কবির এই প্রদীপ্ত ঘোষণাই আমাদেরও দৃঢ় অঙ্গীকার।
- শৈলেন দাস
অমর শহীদ । রাহুল দাস।
ওহে শহীদ,
তোমাদের কাছে আমরা ঋণী
কৃতজ্ঞ থাকবো চিরকাল।
রক্ষা করতে বঙ্গ মায়ের সম্মান
হাসতে হাসতে তোমরা করে দিলে
কত সতেজ প্রাণের বলিদান।
মহান উনিশ, তুমি আছো
। সীমা পুরকায়স্থ ।
উনিশ, তুমি আছো ট্রেনে ঘুরে ফেরা
ফেরিওয়ালার মুখের বেসুরো গানে।
বাংলায় কথা বলা, রুমাল, টর্চ, ঘড়ি
চেইন, পার্স আদি বিক্রেতার মুখের বুলিতে
তুমি আছো কৃষকের ঘরের
অভাবী ছাত্রের বর্ণমালার বইয়ে।
পুরো কবিতা পড়ুন
। সীমা পুরকায়স্থ ।
উনিশ, তুমি আছো ট্রেনে ঘুরে ফেরা
ফেরিওয়ালার মুখের বেসুরো গানে।
বাংলায় কথা বলা, রুমাল, টর্চ, ঘড়ি
চেইন, পার্স আদি বিক্রেতার মুখের বুলিতে
তুমি আছো কৃষকের ঘরের
অভাবী ছাত্রের বর্ণমালার বইয়ে।
পুরো কবিতা পড়ুন
ফাগুনের রং লাগিয়ে সবে গেল বসন্ত ,
কোন তান্ডবের জোয়ার নিয়ে বৈশাখ দ্বারে দ্বারস্ত,
যে স্টেশনে ছুটে যায় সবাই বরণ করিতে অতিথি আগন্তুক,
সেই স্টেশনেই শেষ ঠিকানা ফেরাতে মাতৃভাষার তরী ডুবন্ত।
পুরো কবিতা পড়ুন
। পুষ্পিতা দাস ।
৬১ আর ৭১ এ যারা,
ত্যাগ করেছেন নিজ প্রাণ।
তাদের জন্য গাইছি আমরা,
উনিশ, একুশের গান।
দুই বাংলার বীর শহীদদের জানাই,
আজ শতকোটি প্রণাম।
। জয়ন্তী দত্ত ।
ওগো তোমরা শোনো
কান পেতে শোনো
ঐ শোনা যায় মহাকালের ডাক
খড়্গ হাতে উদ্যত, করিতে ছেদন
আমাদের সাধের বাংলাভাষা।
৬১ আর ৭১ এ যারা,
ত্যাগ করেছেন নিজ প্রাণ।
তাদের জন্য গাইছি আমরা,
উনিশ, একুশের গান।
দুই বাংলার বীর শহীদদের জানাই,
আজ শতকোটি প্রণাম।
তোমাদের স্মরি
ওগো তোমরা শোনো
কান পেতে শোনো
ঐ শোনা যায় মহাকালের ডাক
খড়্গ হাতে উদ্যত, করিতে ছেদন
আমাদের সাধের বাংলাভাষা।
কত সাধনার ধন, কত রক্তের বন্যায় রঞ্জিত মাটি,
কত আত্মত্যাগ্ এগুলো কি বিফলে যাবে?




