সন্দীপ সাহু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সন্দীপ সাহু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪২

ভেতরের আগুন, বাইরের ধোঁয়া: এক অব্যক্ত যন্ত্রণা”—এই চিত্রকর্মটি মানুষের অন্তর্লোকের এক নীরব বিস্ফোরণ।

চিত্রে অবয়বটি স্থির, কিন্তু তার ভেতরে অদৃশ্য আগুন জ্বলছে। সেই আগুনের তাপ বাইরে আগুন হয়ে নয়, ধোঁয়া হয়ে বেরোচ্ছে—ঘন, কালচে, আচ্ছন্ন। ধোঁয়া মুখ ও শরীরের একাংশ ঢেকে রেখেছে, যেন অনুভূতিগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠতে চায় না, কিংবা বলা যায় না। চোখে ক্লান্তি, ঠোঁটে নীরবতা—সব মিলিয়ে এক অব্যক্ত আর্তনাদ।

নীল রঙের পোশাক শান্তির প্রতীক হলেও তা সম্পূর্ণ প্রশান্ত নয়; বরং চাপা কষ্টকে ঢেকে রাখার এক প্রচেষ্টা। বুকের ওপর রাখা হাতটি আত্মরক্ষার ভঙ্গি—নিজেকে সামলে রাখা, ভেঙে না পড়ার চেষ্টা। অবয়বের নিচের প্রতিবিম্ব যেন জানিয়ে দেয়, যন্ত্রণা শুধু উপরের স্তরে নয়, গভীরতাতেও তার ছায়া ফেলে।

এই চিত্রকর্ম আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সব আগুন জ্বলে না, সব কষ্ট চিৎকার করে না। কিছু যন্ত্রণা ধোঁয়া হয়ে নীরবে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। - জ্যোতি বসু দে


যাত্রাপথের এক জীবনকথা

। শৈলেন দাস ।

    প্রফুল্ল চন্দ্র সরকার—চাতলা হাওরের সন্ন্যাসী টিলায় জন্ম নেওয়া এক নিরলস যাত্রাশিল্পীর নাম। পিতা পরেশ চন্দ্র সরকার। পড়াশোনার হাতেখড়ি রাজপুর হাইস্কুলে, পরবর্তী সময়ে রাধামাধব কলেজে শিক্ষা লাভ। কিন্তু তাঁর জীবনের মূল পাঠশালা ছিল যাত্রামঞ্চ—আলো, সংলাপ আর মানুষের আবেগে ভরা সেই জগৎ।


                 সঙ্গম সময়

               । সন্দীপ সাহু ।

রূপনারানে নিশিপদ্মর পাপড়ি খুলে এলে

আকাশ থেকে তারা খসে মাটি হয়

মাটি, মাতৃদুগ্ধ চাঁদ-ঘ্রাণে সারদা বিগ্রহ 

বিগ্রহে গঙ্গা মাথা ছোঁয়ালে রামপ্রসাদ গেয়ে ওঠেন



      না বলা কিছু ভাবনা ও কথা

                  । মাম্পী দাস।

একদিন আমিও জমিয়ে রেখেছিলাম

অজস্র কথা ও কতো কতো সাজানো ভাবনা।

শীতের শুষ্কতায় খসে পড়া মোটা হলদে পাতার মতো

ঝরে পড়েছে সাজানো সকল ভাবনা, কতো না বলা কথা, 



               অদৃশ্য ঠিকানা

                । মাধুরী দাস ।

জন্মের ঘরটাকে বলে — বাবার বাড়ি,
ভালোবাসা থাকলেও সেখানে নাকি
তাদের অধিকার অর্ধেকেরও কম।

বিয়ের পরে আরেক ঠিকানা পায়,
যাকে সবাই বলে — শ্বশুরবাড়ি,


কবরস্থানের রহস্য

।  প্রতীক চক্রবর্তী ।

গৌরবপুর থেকে কিছু দূরে অবস্থিত ছিল একটি বড় কবরস্থান। এটি প্রায় দুশো বছর পুরোনো। না জানি কী যে রহস্য লুকিয়ে আছে সেই কবরস্থানে, যা আজও লোকেদের প্রাণ নিয়ে খেলা করে। কবরস্থানটির জমির আকৃতি ছিল বর্গাকৃতির। আশেপাশে ছিল বড় বড় তালগাছ। রাস্তাটিও ছিল আঁকাবাঁকা। আশেপাশে কোনো ঘরবাড়ি নেই, শুধু ছিল গাছগাছালির মধ্যে দু-চারটি বাঁশ-বেতের ঘর।    পুরো গল্পটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...