অদৃশ্য ঠিকানা



                । মাধুরী দাস ।

জন্মের ঘরটাকে বলে — বাবার বাড়ি,
ভালোবাসা থাকলেও সেখানে নাকি
তাদের অধিকার অর্ধেকেরও কম।

বিয়ের পরে আরেক ঠিকানা পায়,
যাকে সবাই বলে — শ্বশুরবাড়ি,
সেখানে ভালোবাসা থাকলেও
অধিকার থাকে ধার করা চাবির মতো।

একা হলে সমাজ বলে —
“নারীর ঘর কই? কাকে সে মানবে নিজের?”
দেয়াল, দরজা, ছাদের মাঝেও
একটুকরো নিরাপদ জায়গা
পরের হাতেই বাঁধা থাকে।

মেয়েরা কি তবে ভাড়াটে?
জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি
শুধুই কি অন্যের ঘরে আশ্রিত?

তবুও মেয়ের বুকের ভেতরে
আছে এক সীমাহীন আকাশ—
যেখানে তার স্বপ্ন, পরিশ্রম,
ভালোবাসা আর সংগ্রাম দিয়ে
গড়ে ওঠে এক অদৃশ্য ঠিকানা।

সেই ঘরটাই আসলে সবচেয়ে নিজের,
যেখানে কেউ প্রশ্ন করে না—
“এটা কি তোমার ঘর?”

কারণ মেয়েদের ঘর
ইট আর কাঠের দেয়ালে নয়,
তাদের সাহসী হৃদয়ের ভিতরে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত । প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং স...