। অপর্ণা দেব ।
ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।
বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল? পুরো গল্পটি পড়ুন
। চান্দ্রেয়ী দেব ।
সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,
প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,
সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।
প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,
মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।
ঊনিশের শহীদ
। রাখু মালাকার ।
উনিশে মে রক্তে লেখা
বরাকের সেই গান,
মাতৃভাষার অধিকারের জন্য
দিয়েছিল যারা প্রাণ।
তীব্র সুখ
। সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।
মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,
অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?
সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,
মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।
লিখে রেখো কিছু কথা
। মাম্পী দাস ।
অন্ধকার নিরালায়,
প্রকাণ্ড আকাশতলায়,
গা এলিয়ে বসি আমি।
মিটমিট করে বাতি।





