মলাট
নীরব রাতে একলা বসে,
হাজার কথা যায় যে ভেসে।
হাসির আড়ালে লুকানো ব্যথা,
কেউ বোঝে না মনের কথা।
মলাট
নীরব রাতে একলা বসে,
হাজার কথা যায় যে ভেসে।
হাসির আড়ালে লুকানো ব্যথা,
কেউ বোঝে না মনের কথা।
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
বৃন্দাবন থেকে মথুরা,
উত্তর থেকে দক্ষিণ।
প্রান্ত থেকে প্রান্তরে, প্রতিটি প্রাণ যাকে ছাড়া প্রাণহীন।
কেউ বেসেছে ভালো কৃষ্ণ নামে তোমায়,
কারও কাছে মাধব, প্রিয় সখা সুধায়।
। রঞ্জন কুমার বণিক ।
একটি অবাক শিশু, ছুটে চলে রথের পিছু পিছু।
হারানো শৈশব খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত রথের মেলায়,
মাটির বুড়োটি কেবল ঘাড় নাড়ে অবহেলায়।
একটি বন্দি শিশু, রথ মানে অব্যক্ত অনেক কিছু।
। অপর্ণা কুমার ।
আষাঢ়ের আকাশে বাজে আনন্দের সুর,
চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির ভরপুর।
জয়ধ্বনিতে জেগে ওঠে জনপদের পথ,
ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে জগন্নাথের রথ।
। প্রীতি দাস ।
অবুঝ মন, কী অদ্ভুত, তাই না?
সে ভালোবাসতে জানে, আবার ভুলতেও জানে।
যাকে মনে রাখতে চাই, তাকে ভুলিয়ে দেয়;
আর যাকে ভুলে যেতে চাই,
তাকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।
। শাশ্বতী পুরকায়স্থ (চৌধুরী) ।
মনের ক্যাম্পাসের করিডরে আত্মহত্যা করছে, এক রং তুলির ফেস্টুন। ফুলকারীরা তখন আবছায়ার মাঝে- অসংযত মেঘেদের লুকোচুরি খেলায় '-চাঁদ'একা,কিছু ক্ষতবিক্ষত চুরমার ইচ্ছেরা ইমারত গড়ে নির্দ্বিধায় অথচ,মুহূর্তের কারচুপি গুলু ফাঁকতালে পরে থাকে। পুরো গদ্য কবিতাটি পড়ুন
। শিপ্রা দাশ ।
এক অতি সাধারণ গরিব পরিবারের মেয়ে আশা। আরও পাঁচ পাঁচটা মেয়ের মতনই অনেক স্বপ্ন ছিল আশার জীবনে। সেই স্বপ্ন পূরণ হবার আগেই,গরিব বাবা পাঠশালার গণ্ডি পেরুতে না পেরুতেই বিয়ে দিয়ে দেন। সেও বাধ্য হয়ে সেই বিয়েকে মেনে নেয়। আশা স্বপ্নের জাল বুনতে বুনতেই শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশ করে। স্বামী নিতান্তই ছোটখাটো কাজ করেই সংসারের হাল টানে। রোজকার অভাব অনটনের মধ্য দিয়েই চলতো তাদের সংসার। পুরো গল্পটি পড়ুন
স্মার্যকথা
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
এই সময়টা আমার নয়
। শৈলেন দাস ।
এই সময়টা আমার নয়
মেঘে বাদলে জুটি
কালবৈশাখী ঝড়ে তছনছ সেই ঘর
যেখানে আমি থাকি।
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
মন খারাপের গল্পগুলো যখন ফিজিক্স কিংবা
কেমিস্ট্রি ক্লাসের চাপে বলা হয়ে উঠে না,
গরম কফির কাপ থেকে উঠে আসা বাষ্পেরাও
একটা সময় পর জমাট বাঁধে ওজোন স্তরের গায়ে।
কবির পরিচয়। গোপেন দাস ।
সে নয় কেবল শব্দের কারিগর,
তার কলমে গাঁথা থাকে নীরবতার রঙ।
জল পড়ার শব্দ, হাওয়ার ছোঁয়া,
তাকেও সে তো কবিতায় আনে ঢঙ।
দিনমজুর বাবা
। সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।
বাবা মানেই জীবন মধুময়,
আমাদের নেই যে কোনও ভয়।
বাবা হলো একটু স্বস্তির ছায়া,
যেখানে পাওয়া যায় অনেক মায়া।
প্রার্থনা
। রাজন দাস ।
রাত্রি শেষে প্রভাত হলো,
এলো সূর্যের আলো।
অজ্ঞানতা নাশ করো হে,
দাও হে জ্ঞানের আলো।
![]() |
| শর্ত সাপেক্ষে হোল সেল রেট এ রঙ কিনতে যোগাযোগ করুন |
। কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী । গল্পের মধ্যে নিহিত থাকে আমাদের সাদামাটা জীবনশৈলী, আমাদের অন্তরের অন্তর্নিহিত কথোপকথন, এক মুক্ত আকাশ, চিন্তা ও ভাব...