রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৭





         পরদেশী

      । বিপ্লব উরাং ।

বাপদাদা চৌদ্দপুরুষ এইখিনে 

এই মাটি-এ।

এখন হামরা নকি পরদেশী! 

কাগজ দেখাতে হবেক 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


       সাবধান

  । মানসী সিনহা ।

আমার সাংবিধানিক অধিকারকে

যদি আমি আমার বলি

তাতে তোমার ক্ষতি কি....

পুরো কবিতাটি পড়ুন

আত্মপ্রত্যয়ী অভয়

। প্রদীপ চন্দ্র দাস ।

অভয় একটি প্রত্যন্ত গ্রাম বিজয়নগরে বাস করত। ছোটবেলা থেকেই সে অত্যন্ত মেধাবী ছিল। সে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ছেলে। পড়াশোনাতে অত্যন্ত ভালো থাকায় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের খুবই প্রিয়পাত্র ছিল। সে ছিল খুবই তীক্ষ্ণবুদ্ধিসম্পন্ন। সকলেই তার বুদ্ধির প্রশংসা করত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


                   নির্জনাবশেষ

                । পিয়ালী ঘোষ ।

তুমিহীন বৃষ্টি যখন স্পর্শ করে আমায়,

হৃদয় জেগে ওঠে যেন অবাঞ্ছিত সব আশা।

রাস্তার মোড়ের চায়ের কাপের ওঠা ধোঁয়া প্রশ্ন করে, 

অপেক্ষার অবসান কবে?


       বুকের ক্ষত

   । বিষ্ণুপদ দাস ।

যৌথ বাড়ির বৈঠকখানায়

পুরাতন এক ছবি,

এঁকেছিলেন পূর্বপুরুষ

অঙ্কন ছিলো হবি।

শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৬




              নাটক

    । শমিতা ভট্টাচার্য ।

এই সংসার একখানা মঞ্চ

এখানে নিত্য নাটকের আয়োজন

আজ যাঁরা অভিনেতা, অভিনেত্রী

কাল তারাই আবার দর্শক হয়ে

নাটকের মজা লুটেন

                                                                               পুরো কবিতাটি পড়ুন


       বালুচরে

   । চান্দ্রেয়ী দেব ।

শহর জুড়ে বৃষ্টি নামলো,

তনুদ্বয়ে বারিকণার পরশ নেই।

দুজনে দাঁড়িয়ে আছি স্বপ্নের বালুচরে,

স্নিগ্ধতার অবকাশে অপলক চাহনির রেখাপাত।

ভালোবাসা যেন সেই মুহূর্তের নীরব সঙ্গী।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                         শূন্যতা 

                 । মৃদুলা ভট্টাচার্য ।

নিঝুম নীরবতায় শুনি নিঃশব্দ হাহাকার, 

চারপাশ ভরা মানুষ তবু নেই কোনো নিজস্বতা

ভালোবাসা আড়াল করে লুকিয়ে থাকে ভাঙা স্বপ্ন

যতটুকু নিজের ভাবি, ততটাই দূরে সরে থাকে মূহুর্ত। 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


          নাগরিকত্ব

। ধ্রুবজ্যোতি মজুমদার ।

আমি এপার ওপার কারো নই 

পৃথিবীটাই তোর 

উৎস আমার রহস্যময় 

কুয়াশা ঘেরা ভোর। 


সোনালি স্বপ্নের বিসর্জন

     । শৈলেন দাস ।

তুমি দীর্ঘশ্বাস ফেলো না,

বড়াইলের বুক থেকে ঘন কুয়াশা

উড়ে যাবে দূরে।

যে বীজ বোনা হয়েছে সোনালি স্বপ্নের,

তাদের আর বেড়ে ওঠা হবে না।

                                                                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৫




                      আজব দুনিয়া

                    । রূপালী দাস ।

আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি,

এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?

হাজার হাজার অট্টালিকা গড়ে উঠছে নিমেষে—

এটাই হচ্ছে সত্য এখন, চমকে ওঠার কী আছে!

পুরো কবিতাটি পড়ুন


মাতৃভাষার টান

। শেখর মালাকার ।

নদীমাতৃক বাংলার ভোর মানেই কুয়াশা ভেজা ধানক্ষেত, দূরে তালগাছের মাথায় সূর্যের প্রথম আলো, আর মসজিদের আজান কিংবা মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে থাকা এক মধুর সুর—বাংলা ভাষার সুর। এই ভাষাতেই মা তার সন্তানকে প্রথম আদর করে ডাকে, এই ভাষাতেই কবি স্বপ্ন দেখে, কৃষক গান গায়, আর বিপ্লবী শপথ নেয়।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      তোমায় চাই শুধু নিরবে

              । মাম্পী দাস ।

তোমায় খুঁজি আমি গল্পের মাঝে।

তোমায় দেখি আমি কবিতার সাজে।

কে বলেছে হৃদয়কে তোমায় এত ভালোবাসতে?

তোমায় খুঁজি আমার সকল সুখ-দুঃখের মাঝে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


পুরোনো বটগাছের রহস্য

। অপর্ণা কুমার ।

আমাদের বাড়ির উত্তর দিকে একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটা এত বড় ছিল যে দিনের বেলাতেও তার নিচে আলো কম পৌঁছাত। তার মোটা কাণ্ড, ঝুলন্ত শেকড় আর ঘন ডালপালা দেখে মনে হতো যেন কোনো প্রাচীন প্রহরী পাহারা দিচ্ছে। গ্রামের লোকেরা বলত, বটগাছটার নিচে নাকি অদ্ভুত ছায়া নড়ে, গাছের সামনে গেলে নাকি কারও ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। তাই রাতে রাস্তা পার হতে অনেকেই ভয় পেত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


পাগলি

। ঝুমুর পান্ডে ।

(১)

পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—

“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”

সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও…   পুরো গল্পটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...