। রূপালী দাস ।
আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি,
এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?
হাজার হাজার অট্টালিকা গড়ে উঠছে নিমেষে—
এটাই হচ্ছে সত্য এখন, চমকে ওঠার কী আছে!
। শেখর মালাকার ।
নদীমাতৃক বাংলার ভোর মানেই কুয়াশা ভেজা ধানক্ষেত, দূরে তালগাছের মাথায় সূর্যের প্রথম আলো, আর মসজিদের আজান কিংবা মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে থাকা এক মধুর সুর—বাংলা ভাষার সুর। এই ভাষাতেই মা তার সন্তানকে প্রথম আদর করে ডাকে, এই ভাষাতেই কবি স্বপ্ন দেখে, কৃষক গান গায়, আর বিপ্লবী শপথ নেয়। পুরো লেখাটি পড়ুন
। মাম্পী দাস ।
তোমায় খুঁজি আমি গল্পের মাঝে।
তোমায় দেখি আমি কবিতার সাজে।
কে বলেছে হৃদয়কে তোমায় এত ভালোবাসতে?
তোমায় খুঁজি আমার সকল সুখ-দুঃখের মাঝে।
। অপর্ণা কুমার ।
আমাদের বাড়ির উত্তর দিকে একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটা এত বড় ছিল যে দিনের বেলাতেও তার নিচে আলো কম পৌঁছাত। তার মোটা কাণ্ড, ঝুলন্ত শেকড় আর ঘন ডালপালা দেখে মনে হতো যেন কোনো প্রাচীন প্রহরী পাহারা দিচ্ছে। গ্রামের লোকেরা বলত, বটগাছটার নিচে নাকি অদ্ভুত ছায়া নড়ে, গাছের সামনে গেলে নাকি কারও ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। তাই রাতে রাস্তা পার হতে অনেকেই ভয় পেত। পুরো গল্পটি পড়ুন
। ঝুমুর পান্ডে ।
(১)
পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—
“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”
সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও… পুরো গল্পটি পড়ুন






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন