বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৪







কন্যে–৩

। সুচরিতা দাস ।

যখন সে জন্মেছিল,

পাড়া জুড়ে বাবা নাকি তার মিষ্টি বিলিয়েছিল—

বলেছিল, ‘ঘরে আমার মা লক্ষ্মী এলো’।

সেই কন্যেই যখন আজ কন্যের মা হলো—

‘পুত্রবতী ভবো’ বলা কত লোকের মুখে হাসি উড়ে গেল!   পুরো কবিতা পড়ুন


খাওয়া-দাওয়া

। সুরজ কুমার নাথ ।

জিভটা যে কত বোঝে

টক, ঝাল, মিষ্টি,

কাঁচকলা কাঁচা খেলে

হয় নাকি পুষ্টি।  পুরো কবিতা পড়ুন


রামকৃষ্ণ গুরুকুল

| সুরঞ্জীৎ নমঃ‌শূদ্র |

ভোরের আলোতে জেগে ওঠে ছাত্রাবাসের ছাত্ররা, 

প্রাতঃকালে প্রার্থনা করে, ঠাকুরের সম্মুখেতে বসে। 

ঠাকুরের নাম মুখে আনে, 

শান্তি মন্ত্র ও গীতার শ্লোকের দ্বারা ।।

পুরো কবিতা পড়ুন


শিল্পগুহা

। হারাধন বৈরাগী ।

আমার ভিতর এক গভীর জঙ্গল
খুব‌ই শ্বাপদ সঙ্কুল।

আমি প্রেমিক হলেই
সে হয়ে ওঠে প্রেমিকা
রাগ করলেই সে হয়ে উঠে রাগিনী।


চেনা সুর

। বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য ।

ফের সেই সুর। রাগ ভৈরব।

ভাঙা ভাঙা কিন্তু মিষ্টি গলা! বয়সের ছাপ আছে বটে। পাশের বাড়ি থেকেই সুরটা আসে। গলাটা ভীষণ চেনা চেনা, কিন্তু কার যে গলা, তা ভাল করে ঠাহর করতে পারছেন না মিহিরবাবু।

এই বাড়িতে মিহিরবাবু ভাড়া এসেছেন সপ্তাহখানেক হলো। আসার পর দিনই শুনেছিলেন মহিলা কণ্ঠটি । 'জাগো মোহন  পেয়ারে'। শুধু এই এক লাইন। এর চেয়ে বেশি আর কোনও পংক্তি গান না মহিলা। কিন্তু যত টুকুই গান, তা-ই অপূর্ব। মন কেমন করা।  আরও শোনার সাধ জাগে।   পুরো গল্পটি পড়ুন

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...