রূপালী দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রূপালী দাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৯



আমার বাংলা ভাষা

  । রূপালী দাস ।

আমাদের এই মাতৃভাষার জন্যে

যারা দিয়ে গেছেন প্রাণ,

তাদের আমি জড়ো করে হাত,

জানাই কোটি প্রণাম।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


             আশ্রয়

    । রূপরাজ ভট্টাচার্য ।

বহু আলোকবর্ষ দূর হতে তোমার আহ্বান-স্বর 

আমার নিরাশ্রয় শূন্যতাকে 

শুশ্রূষার বার্তা দিয়ে যায়। 

যতবার ধ্বংসের মুখোমুখি হই, ততবারই তুমি 

পরম আশ্বাসের রঙে সৃষ্টি লিখে যাও! 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


 আমি আজকের বাঙালি

       । সুচরিতা দাস ।

আমি আজকের বাঙালি,

বাংলা দিন-তারিখের হুঁশ নেই,

নববর্ষের থেকে আমার 

ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারে ঝোঁক বেশি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


        রবির আলোয় নবজাগরণ

             । সুরঞ্জীৎ নমঃশূদ্র ।

রবির আলোয় যাকে বাংলা, জাগে নতুন গান,

পঁচিশে বৈশাখ এলো নতুন স্বপ্ন ও আশা নিয়ে।

শিউলি-ভেজা পথের ধারে, দোলে গানের ঢেউ,

রবির বাণী হৃদয় মাঝে জাগায় নব চেতনার সাজে।।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


আমার ডায়রির পাতা

   । তানিয়া দাস ।

আমার ডায়রির পাতায়

লুকিয়ে আছে নীরব কথা।

কিছু হাসি, কিছু না-বলা কান্না,

কিছু নিজের সাথে লড়াইয়ের ব্যথা।

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৫




                      আজব দুনিয়া

                    । রূপালী দাস ।

আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি,

এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?

হাজার হাজার অট্টালিকা গড়ে উঠছে নিমেষে—

এটাই হচ্ছে সত্য এখন, চমকে ওঠার কী আছে!

পুরো কবিতাটি পড়ুন


মাতৃভাষার টান

। শেখর মালাকার ।

নদীমাতৃক বাংলার ভোর মানেই কুয়াশা ভেজা ধানক্ষেত, দূরে তালগাছের মাথায় সূর্যের প্রথম আলো, আর মসজিদের আজান কিংবা মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে থাকা এক মধুর সুর—বাংলা ভাষার সুর। এই ভাষাতেই মা তার সন্তানকে প্রথম আদর করে ডাকে, এই ভাষাতেই কবি স্বপ্ন দেখে, কৃষক গান গায়, আর বিপ্লবী শপথ নেয়।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      তোমায় চাই শুধু নিরবে

              । মাম্পী দাস ।

তোমায় খুঁজি আমি গল্পের মাঝে।

তোমায় দেখি আমি কবিতার সাজে।

কে বলেছে হৃদয়কে তোমায় এত ভালোবাসতে?

তোমায় খুঁজি আমার সকল সুখ-দুঃখের মাঝে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


পুরোনো বটগাছের রহস্য

। অপর্ণা কুমার ।

আমাদের বাড়ির উত্তর দিকে একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটা এত বড় ছিল যে দিনের বেলাতেও তার নিচে আলো কম পৌঁছাত। তার মোটা কাণ্ড, ঝুলন্ত শেকড় আর ঘন ডালপালা দেখে মনে হতো যেন কোনো প্রাচীন প্রহরী পাহারা দিচ্ছে। গ্রামের লোকেরা বলত, বটগাছটার নিচে নাকি অদ্ভুত ছায়া নড়ে, গাছের সামনে গেলে নাকি কারও ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। তাই রাতে রাস্তা পার হতে অনেকেই ভয় পেত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


পাগলি

। ঝুমুর পান্ডে ।

(১)

পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—

“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”

সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও…   পুরো গল্পটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...