। নমিতা আচার্য্য ।
আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,
আমি জেগে থাকি সেথায়।
মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,
চোরাবালির উপর হেঁটে;
ভিড় করে কত অলীক আশা,
। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।
ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।
ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুরো গল্পটি পড়ুন
। শিল্পী দেব ।
জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়,
নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...
নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়,
আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...
আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে
। পরিমল কর্মকার ।
যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,
যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,
যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --
সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --
পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।
। পুষ্পিতা দাস ।
পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"
আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন