। মাম্পী দাস ।
চোখ বেয়ে যার নামছে ঝড়,
সে ঝড়কে আটকাবে কে?
অঝোরে যার ঝরে পড়ে অনর্গল,
একটি বার তাদের দেখো রে।
। মাম্পী দাস ।
চোখ বেয়ে যার নামছে ঝড়,
সে ঝড়কে আটকাবে কে?
অঝোরে যার ঝরে পড়ে অনর্গল,
একটি বার তাদের দেখো রে।
। মানসী সিনহা ।
হঠাৎ কলম ধরে ফিরে গেলাম ২০১২ ইংরেজির একটি অনুষ্ঠানে—‘প্রতাপ’-এর প্রথম প্রকাশ। সম্পাদক শৈলেন দাস। খুব অমায়িক অথচ দৃঢ়, নম্র অথচ দৃষ্টিতে অবিচল প্রখরতা, অচঞ্চল অথচ ভীষণ উদ্যমী সেই ছেলেটি আজ প্রতিষ্ঠিত কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ পরিণত ব্যক্তি। পুরো লেখাটি পড়ুন
। নবনীতা দে ।
আমাদের নর্থইস্ট, আমাদের আসাম। সৃষ্টি হয়েছে অপূর্ব প্রাকৃতিক মাধুর্যে। রয়েছে নানাবিধ গাছপালা এবং নানা প্রজাতির জীবজন্তু। ঘুরে বেড়ায় নানা ধরনের পতঙ্গ এবং নানা রকম পাখি। তাদের নিয়ে তৈরি হয়ে আছে আমাদের মতো ভ্রমণপ্রিয় মানুষের ঘুরে বেড়ানোর মতো অসংখ্য স্থান। যেখানে প্রকৃতি যেন আঁচল বিছিয়ে আছেন আমাদেরকে আমন্ত্রণের উদ্দেশ্যে। এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঝর্ণার কলকল শব্দ ও পাখিদের কোলাহলে যেন প্রকৃতি এক বিস্ময়কর উজ্জ্বল শোভা। ঠিক এমনই একটি স্থান হলো গড়চুক এ পামহি। পুরো লেখাটি পড়ুন
। কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।
বেশ কিছু সম্পর্ক গুছিয়ে রাখাছিলো ধবধবে সাদা টেবিলে,
রোজ ধুলো ঝেড়ে দিতাম, সাজিয়ে নিতাম তাজা ফুল।
পাশের জানালায় শীতল হাওয়া ছুঁয়ে যেতো,
ইচ্ছাধীন, সহজিয়া জীবন,
এমনটাই ভেবেছিলাম। পুরো কবিতাটি পড়ুন
। রাখু মালাকার ।
অন্ধকারের পথে কেন
হারাবে তরুণ প্রাণ?
চোখের ভেতর স্বপ্ন জ্বালো,
ভাঙুক বিষের টান।
। রূপঙ্কর দাস ।
সবাই যখন ছুটছে কোথাও,
আমি একটু ধীরে চলি,
অন্যের মতো হতে নয়,
নিজের মতোই হতে চাই খালি।
চক্রবৃদ্ধি সুদ
। শাশ্বতী পুরকায়স্থ ।। মমতা চক্রবর্তী ।
"প্রতাপ" পত্রিকার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে প্রান্তিকায়িত হৃদয়ের স্পর্ধিত উচ্চারণ। ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক টগবগে তরুণের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্ন নিয়ে "প্রতাপ"-এর জন্ম।
"প্রতাপ": সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস কোনো একক স্বপ্ন বা আশার প্রতীক নয়, বরং অদম্য, প্রতিস্পর্ধী সামূহিক উচ্চারণের নাম।
প্রায় পনেরো বছরের নিরন্তর পথচলায় সমাজ ও সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য উজ্জ্বল কবি-সম্পাদক শৈলেন দাসের "প্রতাপ"।
রাখীর সুতোয় ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন
। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।
রাখীবন্ধন ভারতীয় সংস্কৃতির এক পরিচিত ও আবেগঘন উৎসব। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এই উৎসবকে সাধারণভাবে ভাই-বোনের ভালোবাসা, পারস্পরিক স্নেহ ও দায়িত্ববোধের উৎসব হিসেবে দেখা হয়। একটি ছোট্ট সুতো কব্জিতে বাঁধার মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের নবায়ন ঘটে, তার তাৎপর্য কিন্তু কেবল পারিবারিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাখী হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, বিশ্বাস, দায়িত্ব, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতিরও প্রতীক। শ্রাবণী পূর্ণিমায় রাখী বাঁধার প্রচলিত রীতি বিশেষত ভাই-বোনের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। পুরো লেখাটি পড়ুন
। প্রতীক চক্রবর্তী ।
কিরন দেখতে বেশ মিষ্টি চেহারার ছেলে। কিন্তু তার স্বভাবটা ভালো ছিল না। সে অলস ছিল। সহজে অনেক টাকা কামাতে চাইতো। তাই সে এক অদ্ভুত উপায় বের করল। সে প্রতিদিন নতুন নতুন রাস্তাঘাটে যেত। মানুষের সামনে গিয়ে কাঁদতে বসত। সে বলত, "আমার মা মারা গেছেন, বাবাও নেই। আমি একদম একা।" তার অভিনয় এত নিখুঁত ছিল যে মানুষের মায়া হতো। তারা তাকে অনেক টাকা সাহায্য করত। সবুজ সেই টাকা দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত। দামি জিনিস কিনত। মিথ্যা কথা বলে টাকা কামানো তার রোজকার নেশা হয়ে দাঁড়াল। পুরো গল্পটি পড়ুন
। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।
আকাঙ্ক্ষা ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে সে এলো। ন'মাসের অপেক্ষার সময়টাতে তাকে অনুভব করেছে মোহনা আর অর্ক। ভালোবাসার স্পন্দনে সে বারবার জানান দিয়েছে—আমি আসছি। একদিন রৌদ্রস্নাত বসন্তের সকালে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মোহনা আর অর্কের ভালোবাসার কাহন চোখে আলো মেখে সবার জন্য এক ঝুড়ি খুশি নিয়ে হাজির হলো। চারদিকে তখন বসন্তের কুহুতানে এক জোড়া প্রেমীর অনুরাগে সিক্ত রাগিনী সাহানার মীড়। পুরো গল্পটি পড়ুন
শনবিলের গহীন কথা
। দিলীপ কুমার দাস ।এশিয়ার বুকে দ্বিতীয় বিস্তৃত শনবিলের জলরাশি,
ভোরের আলোয় জেগে উঠে প্রকৃতির মধুর হাসি।
উপার্জনের তাগিদে নৌকা নিয়ে জেলে যায়,
মাছ ধরার মধ্যেই যে তারা জীবনের আনন্দ পায়।
। মুন্না নাথ ।
জীবনে সংগ্রাম করতে হয়,
তাই কর, অযথা করো না,
যার প্রতিফলন তোমায় তাড়া করে,
এমনটা হবে, যা তাড়া না দেয়।
। মুন চক্রবর্তী ।
অন্তঃসত্ত্বার সুনির্মল আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে,
নিশ্চয়-অনিশ্চয়তার বহুযুগের দেয়ালে প্রোথিত
যুগমায়া, না যুগের মায়া।
মূল্যহীন কিছু সম্পদ জড় করে লালন ফকির,
পুরান গ্রন্থের মতো আবর্জনা জমে ওঠার তাগিদে আশ্রম খোঁজা।
। প্রদীপ চন্দ্র দাস ।
চলো, চলো, চলো রে ভাই,
সবাই মিলে এগিয়ে যাই।
দুর্বলতা দূর করে
চেতনাকে চলো জাগাই।
ঠগ
। টিংকুরঞ্জন দাস ।
প্রেমিকা হতে পারোনি,
একটা পাখি তো হতে পারতে,
যে রোজ সকালে আমার ঘুম ভাঙাতো,
আমার জানালার শিকে এসে বসতো,
। সদয় দাস ।
গণতন্ত্রের অঙ্গনে আজ প্রতিশ্রুতির মেলা,
সত্যের চেয়ে উচ্চস্বরে বাজে মিথ্যার বেলা।
ক্ষমতার সিংহাসনে ওঠে কত মুখোশধারী,
জনতারই স্বপ্ন বিকিয়ে গড়ে নিজের বাড়ি।
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
বৃন্দাবন থেকে মথুরা,
উত্তর থেকে দক্ষিণ।
প্রান্ত থেকে প্রান্তরে, প্রতিটি প্রাণ যাকে ছাড়া প্রাণহীন।
কেউ বেসেছে ভালো কৃষ্ণ নামে তোমায়,
কারও কাছে মাধব, প্রিয় সখা সুধায়।
। রঞ্জন কুমার বণিক ।
একটি অবাক শিশু, ছুটে চলে রথের পিছু পিছু।
হারানো শৈশব খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত রথের মেলায়,
মাটির বুড়োটি কেবল ঘাড় নাড়ে অবহেলায়।
একটি বন্দি শিশু, রথ মানে অব্যক্ত অনেক কিছু।
। অপর্ণা কুমার ।
আষাঢ়ের আকাশে বাজে আনন্দের সুর,
চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির ভরপুর।
জয়ধ্বনিতে জেগে ওঠে জনপদের পথ,
ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে জগন্নাথের রথ।
। প্রীতি দাস ।
অবুঝ মন, কী অদ্ভুত, তাই না?
সে ভালোবাসতে জানে, আবার ভুলতেও জানে।
যাকে মনে রাখতে চাই, তাকে ভুলিয়ে দেয়;
আর যাকে ভুলে যেতে চাই,
তাকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।
। অপর্ণা দেব ।
ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।
বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল? পুরো গল্পটি পড়ুন
। চান্দ্রেয়ী দেব ।
সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,
প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,
সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।
প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,
মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।
ঊনিশের শহীদ
। রাখু মালাকার ।
উনিশে মে রক্তে লেখা
বরাকের সেই গান,
মাতৃভাষার অধিকারের জন্য
দিয়েছিল যারা প্রাণ।
তীব্র সুখ
। সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।
মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,
অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?
সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,
মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।
লিখে রেখো কিছু কথা
। মাম্পী দাস ।
অন্ধকার নিরালায়,
প্রকাণ্ড আকাশতলায়,
গা এলিয়ে বসি আমি।
মিটমিট করে বাতি।
। কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী । গল্পের মধ্যে নিহিত থাকে আমাদের সাদামাটা জীবনশৈলী, আমাদের অন্তরের অন্তর্নিহিত কথোপকথন, এক মুক্ত আকাশ, চিন্তা ও ভাব...