সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

‘শুধু গল্প নয়’ : আসলেই শুধু গল্প নয়

। কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

গল্পের মধ্যে নিহিত থাকে আমাদের সাদামাটা জীবনশৈলী, আমাদের অন্তরের অন্তর্নিহিত কথোপকথন, এক মুক্ত আকাশ, চিন্তা ও ভাবনা, যা আমাদের নিয়ে যেতে পারে মন যেখানে নিয়ে যেতে চায়। আর এখানেই গল্পের সার্থকতা, যে গল্প শুধু গল্প নয়, সে আমাদের জীবনের অবিচ্ছিন্ন কিছু অংশ, কিছু ছিঁড়ে ফেলা পাতা আর কিছু ভুলে যাওয়া ক্ষত।

রবিবার সকালে কবি, সাহিত্যিক, কলেজ বন্ধু শৈলেন দাস ঘরে পৌঁছে দিয়ে গেলেন ‘প্রতাপ’-এর উপহার, সঙ্গে তাঁর সদ্য প্রকাশিত গল্পের বই ‘শুধু গল্প নয়’। না, তাঁকে কোনো লৌকিকতা করে ধন্যবাদ জানানোর বিশেষ ইচ্ছে নেই। বইটি হাতে পেয়ে যে একরাশ আনন্দ হয়েছে, তা নিজস্ব ভাষায় নিজের কলমে লিখে দিলে হয়তো সাহিত্যিককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সার্থক হবে।


যা বলছিলাম, ‘শুধু গল্প নয়’ আসলেই শুধু গল্প নয়। আমি যদিও গল্প লিখতে পারি না, তাও মাঝে মাঝে ভাবি, আমরা এই যে এত এত মানুষ, প্রত্যেকের জীবনকথা, দিনের এক একটা টুকরো, ঘটনা ও পরিঘটনা, বাস্তব বা কাল্পনিক, সব মিলিয়ে তো কত কত গল্প হতে পারে! সামান্য বিষয়বস্তু নিয়ে কখনো গল্প সৃষ্টি হয় এবং সে গল্প যদি কলমের ছোঁয়ায় প্রাণ পেয়ে যায়, তখন সে শুধু গল্প থাকে না, আমাদের মানসিক আলোড়নে ও অবচেতন মনে তার প্রভাব মুক্ত হয়। সাহিত্যিক বন্ধু ঠিক সেভাবেই গল্প বনাম বাস্তব চিত্রায়ণ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন তাঁর সহজ, সাবলীল লেখনকৌশল অবলম্বনে।

গল্পকার বন্ধু লিখেছেন, ‘মানুষের জীবনে কিছু সম্পর্ক এমন হয়, যেগুলির কোনো নাম থাকে না।’ কথাটা নিতান্ত বাস্তব ও আমাদের সকলের জীবনেই এমন অনেক সম্পর্ক আছে বা থাকবে। মানুষ সামাজিক প্রাণী। যেহেতু সে সমাজব্যবস্থার এক বিশেষ অঙ্গ, তাকে নিত্যদিন বিভিন্ন মানুষের সংযোগে আসতে হয়, ঘরে-বাইরে, বাজারে-হাটে, কর্মস্থলে বা অন্য কোথাও। এমন সংযোগে আসতে গিয়ে অনেক সময় কোনো পরিস্থিতি মনে দাগ কেটে যায়, কোনো মানুষকে এক দিনের পরিচয়েও আমরা ভুলতে পারি না, বা বহুদিনের সান্নিধ্যেও কেউ মনের কাছাকাছি আসতে পারে না। এমন অনেক সম্পর্কের সরলতা বিভিন্ন বিরল আবহে এসে হারিয়ে যায়, অথচ তার প্রতিবিম্ব মনের গভীর গহনে চুপ মেরে বসে থাকে, শুধু একাকী মনের এক অতৃপ্ত বাসনার মতো, হঠাৎ আসা এক ঝড়ো হাওয়ার মতো কখনো নড়েচড়ে বসে। তখন গল্প শুধু গল্প থাকে না, আমাদের মস্তিষ্কের জটিল রসায়নের প্রভাবে প্রেম, বিরহ, গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান, একাকিত্ব কিংবা বন্ধুত্ব, বিবিধ ভাব ও বোধের জন্ম দেয়। গল্পকারের প্রতিটি গল্প এমন এক-এক মানসিক বোধের প্রদর্শন করেছে ও তার পরিপ্রেক্ষিত অবস্থান ও বিষয়বস্তুর যথার্থ আবেদন প্রতিষ্ঠিত করেছে। এমন কলম চলতে থাকুক, গল্পের সত্যতা ও নিত্যতা প্রচার ও প্রসার হতে থাকুক, এমন কামনা রইল। সকল পাঠকগণকে জানাই আগাম শারদ শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা, প্রীতি ও ভালোবাসা।

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৯




শৈলেন দাস ও প্রতাপ : সময়ের প্রত্যুত্তর

। মানসী সিনহা ।

হঠাৎ কলম ধরে ফিরে গেলাম ২০১২ ইংরেজির একটি অনুষ্ঠানে—‘প্রতাপ’-এর প্রথম প্রকাশ। সম্পাদক শৈলেন দাস। খুব অমায়িক অথচ দৃঢ়, নম্র অথচ দৃষ্টিতে অবিচল প্রখরতা, অচঞ্চল অথচ ভীষণ উদ্যমী সেই ছেলেটি আজ প্রতিষ্ঠিত কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ পরিণত ব্যক্তি।  পুরো লেখাটি পড়ুন


ভীমাশঙ্কর ধাম

। নবনীতা দে ।

আমাদের নর্থইস্ট, আমাদের আসাম। সৃষ্টি হয়েছে অপূর্ব প্রাকৃতিক মাধুর্যে। রয়েছে নানাবিধ গাছপালা এবং নানা প্রজাতির জীবজন্তু। ঘুরে বেড়ায় নানা ধরনের পতঙ্গ এবং নানা রকম পাখি। তাদের নিয়ে তৈরি হয়ে আছে আমাদের মতো ভ্রমণপ্রিয় মানুষের ঘুরে বেড়ানোর মতো অসংখ্য স্থান। যেখানে প্রকৃতি যেন আঁচল বিছিয়ে আছেন আমাদেরকে আমন্ত্রণের উদ্দেশ্যে। এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঝর্ণার কলকল শব্দ ও পাখিদের কোলাহলে যেন প্রকৃতি এক বিস্ময়কর উজ্জ্বল শোভা। ঠিক এমনই একটি স্থান হলো গড়চুক এ পামহি।     পুরো লেখাটি পড়ুন


                         আলোর সন্ধানে

                 । কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

বেশ কিছু সম্পর্ক গুছিয়ে রাখাছিলো ধবধবে সাদা টেবিলে,

রোজ ধুলো ঝেড়ে দিতাম, সাজিয়ে নিতাম তাজা ফুল।

পাশের জানালায় শীতল হাওয়া ছুঁয়ে যেতো,

ইচ্ছাধীন, সহজিয়া জীবন,

এমনটাই ভেবেছিলাম।   পুরো কবিতাটি পড়ুন


নেশামুক্তির পদযাত্রা

 । রাখু মালাকার ।

অন্ধকারের পথে কেন

হারাবে তরুণ প্রাণ?

চোখের ভেতর স্বপ্ন জ্বালো,

ভাঙুক বিষের টান।

                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন


     আমি আমার পথে

      । রূপঙ্কর দাস ।

 সবাই যখন ছুটছে কোথাও,

আমি একটু ধীরে চলি,

অন্যের মতো হতে নয়,

নিজের মতোই হতে চাই খালি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৮






সাহিত্যের রবি 

। সোনালী গোস্বামী ।

চিরদিনই তোমার বন্দনা করি হে বঙ্গের কবি,
হৃদকমলে তোমারই রোশনাই হে বিশ্বকবি।
মুক্তির স্বাদ তোমার মন্ত্রে, মন্দ্রে বাজে ধ্বনি,
শান্ত-শ্যামল ধরাকে সাজায় তোমার কলমের জয়বাণী।।

সময়ের কাছে

। প্রীতি দাস ।

দরকার কি
বয়স বাড়তেই সময় লেগে যায়,
জীবনটা খুব ছোট তাই।
নিজের কোনো কাজের জন্য 
যদি কাউকে জিজ্ঞেস করে সময় নিতে হয়,
তাহলে সেই সময় নেওয়ার মানে কি?


অপরিচিত

। মুন্না নাথ ।

২৬ আষাঢ় ১৪৩০ বঙ্গাব্দ।

যাত্রী হিসেবে ছিলাম,
পার্শ্ববর্তী যাত্রী অপরিচিত।
যাত্রী আবার ভার্সিটিতে পড়ে,
বিভাগ অজানা।

মৌন সংহিতা

। শান্তশ্রী সোম ।

আপনি জানেন তো,
আমি গুনে গুনে হিসেব কষে পা ফেলি।
খুচরোর অভাবে লবণের দাম রেশন দোকানে
পঁচানব্বই পয়সার জায়গায় 
বাবা এক টাকা রেখেছিলেন বলে
কুচক্রীরা তদন্ত কমিশন বসিয়েছিল।

চক্রবৃদ্ধি সুদ

। শাশ্বতী পুরকায়স্থ ।

অনির্দেশ্যের আঁচলতলে সাময়িক ভোর,
আতঙ্কের চোরাশ্রুত চুঁইয়ে পড়ে,
তেত্রিশ ফুট কাদার ভাঁজ ভেদ করে।
স্বভাবসুলভ জীবনযুদ্ধ রোজদিনের ব্যাপার,
অবিশ্রান্ত ফুরফুরে যুক্তিতর্কের কানাকানি।
পুরো কবিতাটি পড়ুন

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৭





প্রতাপ : স্বপ্ন, সংগ্রাম ও স্বাতন্ত্র্যের পথচলা

। মমতা চক্রবর্তী ।

"প্রতাপ" পত্রিকার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে প্রান্তিকায়িত হৃদয়ের স্পর্ধিত উচ্চারণ। ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক টগবগে তরুণের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্ন নিয়ে "প্রতাপ"-এর জন্ম।

"প্রতাপ": সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস কোনো একক স্বপ্ন বা আশার প্রতীক নয়, বরং অদম্য, প্রতিস্পর্ধী সামূহিক উচ্চারণের নাম।

প্রায় পনেরো বছরের নিরন্তর পথচলায় সমাজ ও সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য উজ্জ্বল কবি-সম্পাদক শৈলেন দাসের "প্রতাপ"।


        আমাদের বাবা

       । সুজিতা দাস ।

বাবা আমাদের পথের দিশা।
নিমিষে কেটে যায় দুর্বলতা, ভয় আর খারাপ নিশা।
হাতে ধরে দেখিয়ে বলেন, 
সদা সত্যি বল আর সামনে এগিয়ে চল।
বাবা আমাদের সকল সাহস-বল। 

রাখীর সুতোয় ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন

। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।

রাখীবন্ধন ভারতীয় সংস্কৃতির এক পরিচিত ও আবেগঘন উৎসব। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এই উৎসবকে সাধারণভাবে ভাই-বোনের ভালোবাসা, পারস্পরিক স্নেহ ও দায়িত্ববোধের উৎসব হিসেবে দেখা হয়। একটি ছোট্ট সুতো কব্জিতে বাঁধার মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের নবায়ন ঘটে, তার তাৎপর্য কিন্তু কেবল পারিবারিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাখী হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, বিশ্বাস, দায়িত্ব, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতিরও প্রতীক। শ্রাবণী পূর্ণিমায় রাখী বাঁধার প্রচলিত রীতি বিশেষত ভাই-বোনের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      সে কি কথা ছিল?

       । প্রমিলা দাস ।

ডুব দিয়েছি ভবসাগরে
মায়ায় মোহিত হয়ে।
ভবে আসার কালে যা ছিলাম বলে,
তা নিয়ত যাচ্ছি আমি ভুলে,
সার ছেড়ে অসার নিয়ে লিপ্ত,
তোমার কথা ভাবতে ভাবি সংক্ষিপ্ত। 


মিথ্যা বলার পরিণাম

। প্রতীক চক্রবর্তী ।

কিরন দেখতে বেশ মিষ্টি চেহারার ছেলে। কিন্তু তার স্বভাবটা ভালো ছিল না। সে অলস ছিল। সহজে অনেক টাকা কামাতে চাইতো। তাই সে এক অদ্ভুত উপায় বের করল। সে প্রতিদিন নতুন নতুন রাস্তাঘাটে যেত। মানুষের সামনে গিয়ে কাঁদতে বসত। সে বলত, "আমার মা মারা গেছেন, বাবাও নেই। আমি একদম একা।" তার অভিনয় এত নিখুঁত ছিল যে মানুষের মায়া হতো। তারা তাকে অনেক টাকা সাহায্য করত। সবুজ সেই টাকা দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত। দামি জিনিস কিনত। মিথ্যা কথা বলে টাকা কামানো তার রোজকার নেশা হয়ে দাঁড়াল।  পুরো গল্পটি পড়ুন

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৬






শবরীর প্রতীক্ষা

। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।

আকাঙ্ক্ষা ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে সে এলো। ন'মাসের অপেক্ষার সময়টাতে তাকে অনুভব করেছে মোহনা আর অর্ক। ভালোবাসার স্পন্দনে সে বারবার জানান দিয়েছে—আমি আসছি। একদিন রৌদ্রস্নাত বসন্তের সকালে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মোহনা আর অর্কের ভালোবাসার কাহন চোখে আলো মেখে সবার জন্য এক ঝুড়ি খুশি নিয়ে হাজির হলো। চারদিকে তখন বসন্তের কুহুতানে এক জোড়া প্রেমীর অনুরাগে সিক্ত রাগিনী সাহানার মীড়।  পুরো গল্পটি পড়ুন


                শনবিলের গহীন কথা

                   । দিলীপ কুমার দাস ।

এশিয়ার বুকে দ্বিতীয় বিস্তৃত শনবিলের জলরাশি,

ভোরের আলোয় জেগে উঠে প্রকৃতির মধুর হাসি।

উপার্জনের তাগিদে নৌকা নিয়ে জেলে যায়,

মাছ ধরার মধ্যেই যে তারা জীবনের আনন্দ পায়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


            নীরবতার মাঝে আমি

                    । চয়ন ঘোষ ।

এখন আর আগের মতো ভেঙে পড়ি না,
জীবনের কত কিছুই খুব সহজেই মেনে নিই।
যে কষ্ট একদিন বুকের ভেতর ঝড় তুলত,
আমাকে উন্মাদ করে ছুটিয়ে বেড়াত;
যে যন্ত্রণা আমাকে বারবার পুড়িয়ে
ভেতরের আমিটাকেই শেষ করে দিত,
সেই ব্যথার সঙ্গেই আজ বাঁচতে শিখে গেছি।


         জীবন সংগ্রাম

           । মুন্না নাথ ।

জীবনে সংগ্রাম করতে হয়,

তাই কর, অযথা করো না,

যার প্রতিফলন তোমায় তাড়া করে,

এমনটা হবে, যা তাড়া না দেয়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                       অন্তহীন পথ

                     । মুন চক্রবর্তী ।

অন্তঃসত্ত্বার সুনির্মল আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে,

নিশ্চয়-অনিশ্চয়তার বহুযুগের দেয়ালে প্রোথিত 

যুগমায়া, না যুগের মায়া।

মূল্যহীন কিছু সম্পদ জড় করে লালন ফকির,

পুরান গ্রন্থের মতো আবর্জনা জমে ওঠার তাগিদে আশ্রম খোঁজা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৫




      চলো এগিয়ে যাই

     । প্রদীপ চন্দ্র দাস ।

চলো, চলো, চলো রে ভাই,

সবাই মিলে এগিয়ে যাই।

দুর্বলতা দূর করে

চেতনাকে চলো জাগাই।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

        অনন্ত কথা

     । সুমঙ্গল দাস ।

হায়, হ্যালো! কী হলো?
খবর কী তোর, অতীত-প্রথা?
বলিসনি তুই,
সমাজটা আজ যা ইচ্ছে তা।
কিরে বর্তমান,
তুই তো আছিস তোরই মতো।

আতিথেয়তার উষ্ণতা
। শিল্পী দেব ।
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের সেই ছোট্টবেলার দিনগুলো, যখন বাড়িতে অতিথি এলে তাঁকে আপন করে নেওয়া ছিল স্বাভাবিক এক আনন্দ। অতিথিকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানানো, যতদিন সম্ভব জোর করেই রেখে দেওয়া, এই নিঃস্বার্থ আতিথেয়তাই ছিল আমাদের সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। আজকের ব্যস্ত জীবনে সেই প্রথা যেন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।  পুরো গদ্যটি পড়ুন

              ঠগ

  । টিংকুরঞ্জন দাস ।

প্রেমিকা হতে পারোনি,

একটা পাখি তো হতে পারতে,

যে রোজ সকালে আমার ঘুম ভাঙাতো,

আমার জানালার শিকে এসে বসতো,

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                রাজনীতির মুখোশ

                      । সদয় দাস ।

গণতন্ত্রের অঙ্গনে আজ প্রতিশ্রুতির মেলা,

সত্যের চেয়ে উচ্চস্বরে বাজে মিথ্যার বেলা।

ক্ষমতার সিংহাসনে ওঠে কত মুখোশধারী,

জনতারই স্বপ্ন বিকিয়ে গড়ে নিজের বাড়ি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৪








জগন্নাথের যাত্রা

। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।

বৃন্দাবন থেকে মথুরা,

উত্তর থেকে দক্ষিণ।

প্রান্ত থেকে প্রান্তরে, প্রতিটি প্রাণ যাকে ছাড়া প্রাণহীন।

কেউ বেসেছে ভালো কৃষ্ণ নামে তোমায়, 

                                                                    কারও কাছে মাধব, প্রিয় সখা সুধায়।

                                                                   পুরো কবিতাটি পড়ুন

                                   রথ

                    । রঞ্জন কুমার বণিক ।

একটি অবাক শিশু, ছুটে চলে রথের পিছু পিছু।

হারানো শৈশব খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত রথের মেলায়,

মাটির বুড়োটি কেবল ঘাড় নাড়ে অবহেলায়।

একটি বন্দি শিশু, রথ মানে অব্যক্ত অনেক কিছু।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                           রথযাত্রা

                 । অপর্ণা কুমার ।

আষাঢ়ের আকাশে বাজে আনন্দের সুর,

চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির ভরপুর।

জয়ধ্বনিতে জেগে ওঠে জনপদের পথ,

ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে জগন্নাথের রথ।

                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন


                অবুঝ মন

             । প্রীতি দাস ।

অবুঝ মন, কী অদ্ভুত, তাই না?

সে ভালোবাসতে জানে, আবার ভুলতেও জানে।

যাকে মনে রাখতে চাই, তাকে ভুলিয়ে দেয়; 

আর যাকে ভুলে যেতে চাই, 

তাকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।


        বিদায় উবাচ

   । প্রিয়তোষ শর্মা ।

আজ আমরা শোকাতুর...
আজ আমরা বিরহকাতর,
বিচ্ছেদের এ আসরে,
আপনার দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসরে
রেখে দিলাম মনের ঘরে
আপনাকে, অতি যত্নে, অতি আদরে।                                                        পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৩








এই নৈবেদ্যের রঙ লাল

। অপর্ণা দেব ।

ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।

বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল?  পুরো গল্পটি পড়ুন


                 সৌহার্দ্যের অজ্ঞানতা

                     । চান্দ্রেয়ী দেব ।

সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,

প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,

সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।

প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,

মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


    ঊনিশের শহীদ

  । রাখু মালাকার ।

উনিশে মে রক্তে লেখা

বরাকের সেই গান,

মাতৃভাষার অধিকারের জন্য

দিয়েছিল যারা প্রাণ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                        তীব্র সুখ

           । সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।

মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,

অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?

সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,

মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


লিখে রেখো কিছু কথা

     । মাম্পী দাস ।

অন্ধকার নিরালায়,

প্রকাণ্ড আকাশতলায়,

গা এলিয়ে বসি আমি।

মিটমিট করে বাতি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫২

 




আবোল-তাবোল স্বপ্ন

। নমিতা আচার্য্য ।

আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,

আমি জেগে থাকি সেথায়।

মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,

চোরাবালির উপর হেঁটে;

ভিড় করে কত অলীক আশা,

                                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন

ভূরো

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।

ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


নীরবতার পাঠ

। শিল্পী দেব ।

জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়, 

নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...

নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়, 

আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...

                              পুরো কবিতাটি পড়ুন

           আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে

                   । পরিমল কর্মকার ।

যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,

যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,

যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --

সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --

পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।

                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন


স্মৃতি যখন হাসায়

। পুষ্পিতা দাস ।

পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"

আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!

  পুরো গল্পটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

‘শুধু গল্প নয়’ : আসলেই শুধু গল্প নয়

। কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী । গল্পের মধ্যে নিহিত থাকে আমাদের সাদামাটা জীবনশৈলী, আমাদের অন্তরের অন্তর্নিহিত কথোপকথন, এক মুক্ত আকাশ, চিন্তা ও ভাব...