মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫৫
। প্রদীপ চন্দ্র দাস ।
চলো, চলো, চলো রে ভাই,
সবাই মিলে এগিয়ে যাই।
দুর্বলতা দূর করে
চেতনাকে চলো জাগাই।
ঠগ
। টিংকুরঞ্জন দাস ।
প্রেমিকা হতে পারোনি,
একটা পাখি তো হতে পারতে,
যে রোজ সকালে আমার ঘুম ভাঙাতো,
আমার জানালার শিকে এসে বসতো,
। সদয় দাস ।
গণতন্ত্রের অঙ্গনে আজ প্রতিশ্রুতির মেলা,
সত্যের চেয়ে উচ্চস্বরে বাজে মিথ্যার বেলা।
ক্ষমতার সিংহাসনে ওঠে কত মুখোশধারী,
জনতারই স্বপ্ন বিকিয়ে গড়ে নিজের বাড়ি।
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫৪
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
বৃন্দাবন থেকে মথুরা,
উত্তর থেকে দক্ষিণ।
প্রান্ত থেকে প্রান্তরে, প্রতিটি প্রাণ যাকে ছাড়া প্রাণহীন।
কেউ বেসেছে ভালো কৃষ্ণ নামে তোমায়,
কারও কাছে মাধব, প্রিয় সখা সুধায়।
। রঞ্জন কুমার বণিক ।
একটি অবাক শিশু, ছুটে চলে রথের পিছু পিছু।
হারানো শৈশব খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত রথের মেলায়,
মাটির বুড়োটি কেবল ঘাড় নাড়ে অবহেলায়।
একটি বন্দি শিশু, রথ মানে অব্যক্ত অনেক কিছু।
। অপর্ণা কুমার ।
আষাঢ়ের আকাশে বাজে আনন্দের সুর,
চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির ভরপুর।
জয়ধ্বনিতে জেগে ওঠে জনপদের পথ,
ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে জগন্নাথের রথ।
। প্রীতি দাস ।
অবুঝ মন, কী অদ্ভুত, তাই না?
সে ভালোবাসতে জানে, আবার ভুলতেও জানে।
যাকে মনে রাখতে চাই, তাকে ভুলিয়ে দেয়;
আর যাকে ভুলে যেতে চাই,
তাকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।
বিদায় উবাচ
। প্রিয়তোষ শর্মা ।
আজ আমরা শোকাতুর...
আজ আমরা বিরহকাতর,
বিচ্ছেদের এ আসরে,
আপনার দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসরে
রেখে দিলাম মনের ঘরে
আপনাকে, অতি যত্নে, অতি আদরে। পুরো কবিতাটি পড়ুন
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫৩
। অপর্ণা দেব ।
ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।
বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল? পুরো গল্পটি পড়ুন
। চান্দ্রেয়ী দেব ।
সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,
প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,
সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।
প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,
মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।
ঊনিশের শহীদ
। রাখু মালাকার ।
উনিশে মে রক্তে লেখা
বরাকের সেই গান,
মাতৃভাষার অধিকারের জন্য
দিয়েছিল যারা প্রাণ।
তীব্র সুখ
। সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।
মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,
অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?
সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,
মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।
লিখে রেখো কিছু কথা
। মাম্পী দাস ।
অন্ধকার নিরালায়,
প্রকাণ্ড আকাশতলায়,
গা এলিয়ে বসি আমি।
মিটমিট করে বাতি।
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫২
। নমিতা আচার্য্য ।
আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,
আমি জেগে থাকি সেথায়।
মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,
চোরাবালির উপর হেঁটে;
ভিড় করে কত অলীক আশা,
। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।
ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।
ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুরো গল্পটি পড়ুন
। শিল্পী দেব ।
জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়,
নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...
নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়,
আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...
আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে
। পরিমল কর্মকার ।
যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,
যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,
যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --
সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --
পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।
। পুষ্পিতা দাস ।
পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"
আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫১
। জিতুল দাস ।
মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব অসমের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। সর্বগুণসম্পন্ন এই গুরুজন তাঁর প্রজ্ঞার আলোক দিয়ে অসমের সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতিকে এক অনন্য রূপ দান করে গিয়েছেন। শঙ্করদেব মানবজাতির সার্বিক উন্নতির জন্য একশরণ নামক দর্শনের প্রচার করেন, যার মূল কথা হল “এক পরম সত্তার কাছে আত্মসমর্পণ”। যদিও একশরণের ধারণা ভারতের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ বেদেই নিহিত ছিল, তথাপি শঙ্করদেবই প্রথম বাস্তবভাবে এই নীতির প্রবর্তন করেন। তিনি এই ধারণা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে গ্রহণ করেছিলেন। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন
। ড. কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।
আমি একজন মাস্টারমশাই। আমার প্রধান কাজ শিক্ষকতা। আমি আমার পেশা নিজে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছি, আর যাকে বলে “নেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করো”, আমার পেশাগত জীবনে এই প্রবচন একদম অক্ষরে অক্ষরে সত্য। শিক্ষক, শিক্ষা, শিক্ষা-ব্যবস্থা ও তার চারপাশে ঘিরে থাকা অগণিত ছাত্র-ছাত্রী, আমাদের যাত্রাপথটা কিন্তু সুগম নয় একেবারেই। আমাদের এক ব্যাগ সমস্যা। আমার কলমের স্বাধীনতা আছে, আমি লিখতেই পারি। পাঠকগণের কাছে মনের কথা, অনুভব, অভাব, অনুযোগ, অভিযোগ সব পৌঁছে দেওয়াতেই সার্থকতা, যদি কোনো সুরাহা বেরিয়ে আসে। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন
মিড ডে মিল
। মেঘমালা দে মহন্ত ।
ছেলেকে আজ গাছে বেঁধে পিটিয়েছে রহিমা। তাতেও রাগ পড়েনি। উঠোনের কোণে পড়ে থাকা একটা আম-পিঁপড়ের খোল ভেঙে দিয়েছে ছেলের মাথায়। মুহূর্তে লাল পিঁপড়েগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড়াতে শুরু করতেই বীভৎস চিৎকারে কেঁপে উঠেছিল চারদিক। মাথা-মুখ ফুলে উঠছিল রমজানের।রহিমার চোখে তখন আর কিছু ধরা পড়ছিল না। বুকের ভেতর শুধু আগুন জ্বলছিল।
এইটে আবার ফেল!
দুই বছর ধরে একই ক্লাসে পড়ে আছে ছেলে। অথচ এই ছেলেটাকেই এক সময় স্কুলের মাস্টাররা “হীরার টুকরা” বলত। পুরো গল্পটি পড়ুন
। মৌসুমী চক্রবর্তী ।
‘বাল্যবন্ধু’ এই শব্দটি আমাদের জীবনে এক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই শব্দটির মধ্যে কী এক অদ্ভুত সুন্দর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে, তা হয়তো আমরা সবসময় বুঝিয়ে দিতে পারি না, কিন্তু এক আবেগঘন ছোঁয়া আজীবন থেকে যায়। এই বন্ধুত্বের গোড়াপত্তন হয় তখন, যখন আমরা বন্ধু ও বন্ধুত্ব সম্পর্কে সব রকম জটিল তত্ত্ব সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকি।
সেই সময় আমাদের মনে না থাকে কোনো প্রকার সম্মান-অসম্মানের মাপকাঠি, না থাকে সামাজিক স্ট্যাটাস নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, না থাকে নিজেকে সাংঘাতিক কেউকেটা হিসেবে জাহির করার অপ্রাণ চেষ্টা, বা দুষ্চেষ্টা বলতেও পারেন। এই সময়ের বন্ধুরা যেন ঠিক মেঘহীন নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো একঝাঁক সুন্দর বলাকা। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন
কলমের আত্মকথা
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
প্রতাপ এর বহুদূর যাত্রা আলোকিত হোক
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস
। মেঘমালা দে মহন্ত ।
প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক আন্তরিক বহিঃপ্রকাশ। “সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস” এই পরিচয়ের যথার্থতা সংখ্যাটির সম্পাদকীয়, বিষয় নির্বাচন এবং লেখকদের বহুমাত্রিক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।এই সংখ্যার সম্পাদকীয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বৈশাখের নবজাগরণ, পঁচিশে বৈশাখের সৃজনপ্রেরণা এবং উনিশে মে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ—এই তিনটি আবেগকে একসূত্রে গেঁথে সম্পাদক যে ভাবনার পরিসর তৈরি করেছেন, তা শুধু আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাবার্তা হয়ে থাকেনি; বরং এক ধরনের সাংস্কৃতিক অবস্থানও প্রকাশ করেছে। সম্পাদকীয়ের ভাষা সহজ, আন্তরিক এবং.আবেগময়।
অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে শৈলেন দাসের প্রতাপের পথচলা মূলত একজন সাহিত্যকর্মীর আত্মসংগ্রামের দলিল, বরাকের প্রান্তিক সাহিত্যচর্চার ভেতরের বাস্তবতা, অবহেলা, সংকট ও আত্মমর্যাদার লড়াইয়ের এক আন্তরিক আত্মকথন। সম্পাদক অকপ্ট স্বীকারোক্তিমূলক ভঙ্গিতে সেই পথচলার কথা বলেছেন। লেখক কোথাও নিজেকে নিখুঁত প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি; বরং নিজের সীমাবদ্ধতা, আর্থিক দুর্বলতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং মানসিক আঘাতগুলোও খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছেন। ফলে লেখাটি পাঠকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, “সম্পাদক পরিচয়ের আড়ালে লেখকসত্তার অস্বীকৃতি” প্রসঙ্গটি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এসেছে। সাহিত্যজগতের অন্তর্গত নীরব প্রতিযোগিতা, স্বার্থ, গোষ্ঠীবাদ এবং সামাজিক স্বীকৃতির রাজনীতিকে লেখক সরাসরি আক্রমণ না করেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছেন।
লেখাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এখানে “প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস হিসেবে উঠে এসেছে। বিশেষ করে কৈবর্ত সমাজের নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করার যে লক্ষ্য, তা লেখাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। প্রান্তিক সমাজের তরুণদের লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত করার এই প্রয়াস নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিসরে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে লেখাটির কিছু জায়গায় ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও অভিমান দীর্ঘ হয়ে গেছে বলে মনে হতে পারে। কয়েকটি অনুচ্ছেদে একই ধরনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি আছে, যা কিছুটা সংযত হলে লেখার গতি আরও দৃঢ় হতে পারত। তবু সেই আবেগকে পুরোপুরি দুর্বলতা বলা যায় না, কারণ সেটিই লেখাটিকে জীবন্ত ও মানবিক করেছে।
অনলাইন সংস্করণ চালুর প্রসঙ্গ এবং লেখকদের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত আরোপের বিষয়টি সময়োপযোগী। এখানে সম্পাদক হিসেবে শৈলেন দাসের বাস্তববাদী মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তিনি বুঝেছেন, বর্তমান সময়ে সাহিত্যচর্চা শুধু ছাপার পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; প্রচার, পাঠকসংযোগ এবং ডিজিটাল উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সবশেষে বলা যায়, এই লেখাটি একজন মানুষের হার না মানা মানসিকতার দলিল। প্রতিবন্ধকতার বর্ণনার মধ্যেও লেখক হতাশায় ডুবে যাননি; বরং আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ প্রত্যয়ের জায়গা ধরে রেখেছেন। তাই “প্রতাপের পথচলা” শুধু একটি পত্রিকার গল্প নয়, বরং বরাকের বিকল্প সাহিত্যচর্চার এক সংগ্রামী ইতিহাসের আখ্যান।
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
প্রতাপ : অনলাইন-৫০
। সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় ।
প্রতিদিন ঈশানের বাংলা মায়ের কান্না শুনি
কখনও উত্তাল কখনও কুলুকুলু ধ্বনি,
এ যেন সন্তানহারা কোল খালি করা
এক মায়ের অব্যক্ত কান্নার অস্ফূট বাণী।
। অপাংশু দেবনাথ ।
বেদি বেয়ে নামে কার রক্ত! আয় বৃষ্টি, ধুয়ে
নিয়ে যা, নিষ্ঠুর এই পাপ, ভেসে যাক জলে।
এতো কান্না হাওয়ায় ভাসে ফিরে আসে তবু
পুষ্প নিয়ে হাতে বলো রাখি কোন্ বেদিমূলে?
রক্তচিহ্ন লেগে আছে দেখো আমাদের মুখের ভাষায়।
। দীপক সেনগুপ্ত ।
১৯৬১ সালের ১৯শে মে তারিখে দক্ষিণ আসামের শিলচর রেলস্টেশনে পুলিশের গুলিতে এগারো জন ভাষা সৈনিক আত্মবলিদান করে শহিদ হয়েছিলেন। ১৯৬০ সালের আসাম রাজ্যের ভাষা আইনের বিরোধিতায় এই আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। উল্লেখিত আইনে অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যে মাধ্যমিক পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। বহুভাষিক আসামে ভাষাশিক্ষা নিজের পছন্দের হওয়া উচিত। অন্য কোনো ভাষার সঙ্গে সংঘাতে নয়, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার এই লড়াই সব ভাষিক, এমনকি উদার অসমীয়া ভাষিক গোষ্ঠীরও সমর্থন পেয়েছিল। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন
। রাখী দাস ।
রক্তে লেখা এক ইতিহাস,
ভাষার টানে জাগে বিশ্বাস।
মায়ের মুখের বাংলা ভাষা,
ছিল সবার হৃদয়-আশা।
শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
শ্রমিকদের সমতা ও সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার সুরক্ষা : প্রেক্ষাপট, ভারতরত্ন ড. বি. আর. আম্বেদকর
প্রতাপ : সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস
। ড. কুলেন্দ্র পাটনি আম্বেদকর ।
পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্বের শুরু থেকেই মানুষকে দৈনন্দিন অন্নসংস্থানের জন্য পরিশ্রম করতে হয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য তাকে কপালের ঘাম ঝরিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় উপার্জনের ক্ষেত্রে বিলাসিতা ও আরাম—এই শব্দগুলো সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশের মানুষের কাছে আজও অনেক দূরের বিষয়। শ্রমজীবী মানুষ তথা শ্রমিক শ্রেণি, যাদের হাত প্রতিনিয়ত ক্ষতিকর যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক পদার্থের সঙ্গে কাজ করে, যাদের জীবন অনিশ্চয়তার ছায়ায় আচ্ছন্ন এবং যাদের ভবিষ্যৎ প্রতিটি দিন যেন আরেকটি সাধারণ দিনের মতোই।
এই জীবনসংগ্রামের বাস্তবতায়ও আমরা একটি উন্নত জীবনের আশা করতে পারি, কারণ কিছু মহান ব্যক্তি তাঁদের জীবন উৎসর্গ করে ভারতবর্ষে নারীসহ অবহেলিত ও বঞ্চিত সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর ছিলেন ভারতীয় শ্রমিক কল্যাণ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার এবং সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ছিলেন একজন সমাজচিন্তাবিদ, মানবতাবাদী, সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক। তিনি নারীসহ সমাজের নিপীড়িত ও অবদমিত শ্রেণির মানুষের অধিকারের জন্য নিরলসভাবে লড়াই করেছিলেন।
ভারতীয় নারী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বাবাসাহেব আম্বেদকর নারীবাদী রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হন, যা একই সঙ্গে শ্রেণি, জাতপাত এবং লিঙ্গভিত্তিক সমস্যাগুলিকে সমাধান করার লক্ষ্য রাখে। বাবাসাহেব আম্বেদকর নারীদেরকে এক দমনমূলক, জাতিভিত্তিক এবং কঠোর শ্রেণিবদ্ধ সামাজিক ব্যবস্থার শিকার হিসেবে দেখেছিলেন।
ড. আম্বেদকরের সামাজিক মন্ত্র—শিক্ষা, সংগঠন ও আন্দোলন (Education, Organization and Agitation)—যেমন নিপীড়িত শ্রেণির জন্য উপযোগী ছিল, তেমনি নারীদের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কারণ নারীদের অবস্থানও নিপীড়িত শ্রেণির থেকে খুব বেশি ভিন্ন ছিল না; তাদের মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাও ছিল প্রায় একই ধরনের এবং তাদের সমস্যার লক্ষণও ছিল অভিন্ন। ফলে তাদের সমস্যার নির্ণয় ও প্রতিকারও ভিন্ন হতে পারে না। বাবাসাহেবের নিপীড়িত শ্রেণির মুক্তির আন্দোলন নারীমুক্তির আন্দোলনকেও শক্তি ও গতি প্রদান করেছিল।
ড. আম্বেদকর ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর ভাইসরয়ের নির্বাহী পরিষদে “লেবার চার্টার (Labour Charter)” প্রস্তাব করেন, যা এই দেশের শ্রম কল্যাণমূলক পরিকল্পনার ভিত্তি ও দিকনির্দেশক নীতিতে পরিণত হয়। শ্রমিক কল্যাণের বিষয়ে তিনি এতটাই আন্তরিক ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও তিনি দুইজন ভাইসরয়—লর্ড ওয়াভেল (Lord Wavell) এবং লর্ড লিনলিথগো (Lord Linlithgow)-এর বিরুদ্ধে পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত ভাইসরয়ের নির্বাহী পরিষদের শ্রম সদস্য (Labour Member) ছিলেন। যদিও তিনি মাত্র চার বছর এই পদে ছিলেন, তবুও এই সময়কাল শ্রম আইন ও শ্রম কল্যাণের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
তাঁর সময়কালেই শ্রমনীতি মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপাক্ষিক পদ্ধতি (Tripartite Approach) বিকশিত হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। তাঁর সভাপতিত্বে ১৯৪২ সালের ৭ আগস্ট নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক শ্রম সম্মেলনে তিনি বলেন—
“এই শ্রম সম্মেলনগুলির ইতিহাসে এই প্রথমবার কর্মচারী ও নিয়োগকর্তাদের প্রতিনিধিদের একটি যৌথ সম্মেলনের পরিসরে মুখোমুখি আনা হয়েছে।”
ড. আম্বেদকরের কার্যকালে Factories Act সংশোধন করে শ্রমিকদের জন্য বেতনসহ ছুটি এবং কম সময় কাজের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। একইভাবে Indian Mines Act এবং Mines Benefit Act সংশোধিত হয়ে শ্রমিকদের জন্য অধিক সুবিধা ও উন্নত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়। আমরা জানি, কয়লা শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কয়লা উৎপাদনে পতনের প্রবণতা দেখা দেয়, কারণ অনেক খনি শ্রমিক পার্শ্ববর্তী যুদ্ধশিল্পে চলে যাচ্ছিলেন। এর ফলে ভারত সরকার কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।
সে সময় সিপি ও বেরার (CP and Berar)-এ ভূগর্ভস্থ খনিতে নারীদের কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় ২ ও ১৮ আগস্ট এবং বিহার, বাংলা ও উড়িষ্যায় ১৯৪৩ সালের ২৯ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। প্রথমে এই নিষেধাজ্ঞা ১৯২৯ সালের ৭ মার্চ আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু ড. আম্বেদকরের ধারাবাহিক ও দৃঢ় দাবির ফলে ১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পুনরায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
ভারত সরকার ১৯৪৪ সালের ৩১ জানুয়ারি Coal Mines Labour Welfare Fund Ordinance প্রণয়ন করে, যার উদ্দেশ্য ছিল কয়লা খনি শ্রমিকদের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য একটি তহবিল গঠন করা। এটি শ্রম আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করে। পরবর্তীতে এই অর্ডিন্যান্সটি Coal Mines Labour Welfare Fund Act, 1947 দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
সাধারণভাবে বলতে গেলে, খনি শ্রমিকদের জন্য পৃথক আবাসন ব্যবস্থার অর্থায়ন করা হতো Housing Account থেকে এবং চিকিৎসা সুবিধা, পানীয় জল সরবরাহ, শিক্ষা, বিনোদন এবং সমবায় কার্যক্রমের মতো সাধারণ কল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলো পরিচালিত হতো General Welfare Account থেকে।
ড. আম্বেদকর শ্রম সদস্য (Labour Member) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৪৬ সালের ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় আইনসভায় (Central Assembly) Industrial Employment Bill উত্থাপন করা হয়। Industrial Employment Standing Orders শ্রম ব্যবস্থাপনায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। কর্মসংস্থানের শর্তাবলি ও নিয়ম নির্ধারণের মাধ্যমে এটি নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও বিরোধ কমাতে সহায়তা করেছিল। ড. আম্বেদকর বলেন—
“এই বিলের উদ্দেশ্য হলো কর্মসংস্থানের শর্তাবলি ও নিয়ম লিখিত আকারে নির্ধারণ করা, সেই শর্তাবলি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিযুক্ত একজন যোগ্য কর্মকর্তার দ্বারা প্রত্যয়িত করা এবং তা যেন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের শর্তাবলির রেজিস্টার বা নথি হিসেবে সংরক্ষিত থাকে।” তিনি শ্রম দপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণের পর সামাজিক নিরাপত্তা (Social Security) বিষয়ক পদক্ষেপগুলোর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। পূর্বে উল্লেখিত শ্রম তদন্ত কমিটি (Labour Investigation Committee) তাদের উপসংহারে উল্লেখ করেছিল যে ভারতীয় শ্রমিকরা অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের মতোই, বরং অনেক ক্ষেত্রে তার থেকেও বেশি, নানা ঝুঁকির সম্মুখীন—বিশেষ করে বেকারত্ব, অসুস্থতা এবং পরিবারের উপার্জনকারীর মৃত্যুজনিত ঝুঁকি। কমিটি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিল যে, এই ধরনের ঝুঁকির বিরুদ্ধে শ্রমিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি ভারতবর্ষে তখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন গুরুত্ব পেয়েছে।
ড. আম্বেদকর বিশ্বাস করতেন যে হিন্দু সমাজে একটি ব্যাপক ও মৌলিক পরিবর্তনের প্রয়োজন। তিনি মনে করতেন যে মানুষের পালন করা ধর্মীয় প্রথা ও রীতিনীতির জন্য ব্যক্তিকে দোষারোপ করা বৃথা; বরং সমাজকে গণতন্ত্রের নীতি ও মূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষিত করাই অধিক যুক্তিসঙ্গত ও কার্যকর পথ। তিনি বলেন—“আন্তঃজাত ভোজ এবং আন্তঃজাত বিবাহের জন্য আন্দোলন ও সংগঠন করা যেন কৃত্রিম উপায়ে জোরপূর্বক খাওয়ানোর মতো।”
যে কেউ আইনসভার বিতর্ক (Assembly debates) পড়লে লক্ষ্য করবে যে ড. আম্বেদকর শ্রমিকদের উপকারে আসে এমন যত বেশি সম্ভব আইন সংবিধিবদ্ধ করতে তিনি কতটা আগ্রহী ছিলেন। তিনি যে পদক্ষেপই গ্রহণ করেছেন, তা কখনো বিলম্বিত করেননি। একই সঙ্গে তিনি কখনো বিতর্কিত বিষয়ে অহেতুক জড়িয়ে পড়েননি। কিছু সিদ্ধান্ত দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফল, আবার কিছু সিদ্ধান্তের সুফল অনেক পরে দেখা যায়। নিঃসন্দেহে ড. আম্বেদকর তাঁর দক্ষ অবদান ও কর্মের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় থাকবেন এবং থাকা উচিত। তাঁর কাজ কেবল কলম ও কাগজে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বাস্তব কর্মে তা প্রতিফলিত হয়েছে। সবচেয়ে মূল্যবান হলো কর্ম। যেমন প্রবাদে বলা হয়—“কথার চেয়ে কাজ বড় (Action speaks louder than words).”
আজ ভারতের শ্রমজীবী শ্রেণি তাদের অধিকার অর্জন করছে এবং উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। তবে শ্রমিকদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করার জন্য শ্রমিকদের মধ্যে আরও বেশি ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে।
এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট
-
সম্পাদকীয় ... প্রত্যেক কবিই যেমন তাঁর সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে একটি কবিতাকে পুর্ণতা প্রদান করেন ঠিক তেমনই একজন সম্পাদকও তার পত্রিকার প্রতি...
-
চলো এগিয়ে যাই । প্রদীপ চন্দ্র দাস । চলো, চলো, চলো রে ভাই, সবাই মিলে এগিয়ে যাই। দুর্বলতা দূর করে চেতনাকে চলো জাগাই। পুরো কবিতাটি...
-
বছরের নতুন প্রভাতে ‘প্রতাপ’-এর শুভানুধ্যায়ী, পাঠক ও লেখকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন সূর্যের আলোয় ভরে উঠুক সৃজনের পথ, শব্দ...
-
তুমি চলে গেলে এক অজানা ঠিকানায় ... । গোপেন দাস । তুমি চলে গেলে অনেক দূরে থাকালেনা একবারও ফিরে দূরে এক অজানা ঠিকানায় ...
আকর্ষণীয় পোষ্ট
প্রতাপ এর কথা
।। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।। শৈলেন দাস বরাক উপত্যকার সাহিত্য চর্চায় এক পরিচিত নাম। শৈলেনের কবিতা আমি প্রথম ওঁর কন্ঠেই পাঠ শুনেছিলাম শনবিলে একটি...









































