শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

শ্রমিকদের সমতা ও সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার সুরক্ষা : প্রেক্ষাপট, ভারতরত্ন ড. বি. আর. আম্বেদকর

প্রতাপ : সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস

। ড. কুলেন্দ্র পাটনি আম্বেদকর ।

পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্বের শুরু থেকেই মানুষকে দৈনন্দিন অন্নসংস্থানের জন্য পরিশ্রম করতে হয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য তাকে কপালের ঘাম ঝরিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় উপার্জনের ক্ষেত্রে বিলাসিতা ও আরাম—এই শব্দগুলো সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশের মানুষের কাছে আজও অনেক দূরের বিষয়। শ্রমজীবী মানুষ তথা শ্রমিক শ্রেণি, যাদের হাত প্রতিনিয়ত ক্ষতিকর যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক পদার্থের সঙ্গে কাজ করে, যাদের জীবন অনিশ্চয়তার ছায়ায় আচ্ছন্ন এবং যাদের ভবিষ্যৎ প্রতিটি দিন যেন আরেকটি সাধারণ দিনের মতোই।

এই জীবনসংগ্রামের বাস্তবতায়ও আমরা একটি উন্নত জীবনের আশা করতে পারি, কারণ কিছু মহান ব্যক্তি তাঁদের জীবন উৎসর্গ করে ভারতবর্ষে নারীসহ অবহেলিত ও বঞ্চিত সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছেন। ড. বি. আর. আম্বেদকর ছিলেন ভারতীয় শ্রমিক কল্যাণ, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার এবং সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ছিলেন একজন সমাজচিন্তাবিদ, মানবতাবাদী, সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক। তিনি নারীসহ সমাজের নিপীড়িত ও অবদমিত শ্রেণির মানুষের অধিকারের জন্য নিরলসভাবে লড়াই করেছিলেন।

ভারতীয় নারী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বাবাসাহেব আম্বেদকর নারীবাদী রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হন, যা একই সঙ্গে শ্রেণি, জাতপাত এবং লিঙ্গভিত্তিক সমস্যাগুলিকে সমাধান করার লক্ষ্য রাখে। বাবাসাহেব আম্বেদকর নারীদেরকে এক দমনমূলক, জাতিভিত্তিক এবং কঠোর শ্রেণিবদ্ধ সামাজিক ব্যবস্থার শিকার হিসেবে দেখেছিলেন। 

ড. আম্বেদকরের সামাজিক মন্ত্র—শিক্ষা, সংগঠন ও আন্দোলন (Education, Organization and Agitation)—যেমন নিপীড়িত শ্রেণির জন্য উপযোগী ছিল, তেমনি নারীদের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ছিল। কারণ নারীদের অবস্থানও নিপীড়িত শ্রেণির থেকে খুব বেশি ভিন্ন ছিল না; তাদের মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাও ছিল প্রায় একই ধরনের এবং তাদের সমস্যার লক্ষণও ছিল অভিন্ন। ফলে তাদের সমস্যার নির্ণয় ও প্রতিকারও ভিন্ন হতে পারে না। বাবাসাহেবের নিপীড়িত শ্রেণির মুক্তির আন্দোলন নারীমুক্তির আন্দোলনকেও শক্তি ও গতি প্রদান করেছিল।

ড. আম্বেদকর ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর ভাইসরয়ের নির্বাহী পরিষদে “লেবার চার্টার (Labour Charter)” প্রস্তাব করেন, যা এই দেশের শ্রম কল্যাণমূলক পরিকল্পনার ভিত্তি ও দিকনির্দেশক নীতিতে পরিণত হয়। শ্রমিক কল্যাণের বিষয়ে তিনি এতটাই আন্তরিক ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও তিনি দুইজন ভাইসরয়—লর্ড ওয়াভেল (Lord Wavell) এবং লর্ড লিনলিথগো (Lord Linlithgow)-এর বিরুদ্ধে পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত ভাইসরয়ের নির্বাহী পরিষদের শ্রম সদস্য (Labour Member) ছিলেন। যদিও তিনি মাত্র চার বছর এই পদে ছিলেন, তবুও এই সময়কাল শ্রম আইন ও শ্রম কল্যাণের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

তাঁর সময়কালেই শ্রমনীতি মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপাক্ষিক পদ্ধতি (Tripartite Approach) বিকশিত হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। তাঁর সভাপতিত্বে ১৯৪২ সালের ৭ আগস্ট নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক শ্রম সম্মেলনে তিনি বলেন—

“এই শ্রম সম্মেলনগুলির ইতিহাসে এই প্রথমবার কর্মচারী ও নিয়োগকর্তাদের প্রতিনিধিদের একটি যৌথ সম্মেলনের পরিসরে মুখোমুখি আনা হয়েছে।”

ড. আম্বেদকরের কার্যকালে Factories Act সংশোধন করে শ্রমিকদের জন্য বেতনসহ ছুটি এবং কম সময় কাজের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। একইভাবে Indian Mines Act এবং Mines Benefit Act সংশোধিত হয়ে শ্রমিকদের জন্য অধিক সুবিধা ও উন্নত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়। আমরা জানি, কয়লা শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কয়লা উৎপাদনে পতনের প্রবণতা দেখা দেয়, কারণ অনেক খনি শ্রমিক পার্শ্ববর্তী যুদ্ধশিল্পে চলে যাচ্ছিলেন। এর ফলে ভারত সরকার কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।

সে সময় সিপি ও বেরার (CP and Berar)-এ ভূগর্ভস্থ খনিতে নারীদের কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় ২ ও ১৮ আগস্ট এবং বিহার, বাংলা ও উড়িষ্যায় ১৯৪৩ সালের ২৯ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। প্রথমে এই নিষেধাজ্ঞা ১৯২৯ সালের ৭ মার্চ আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু ড. আম্বেদকরের ধারাবাহিক ও দৃঢ় দাবির ফলে ১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পুনরায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ভারত সরকার ১৯৪৪ সালের ৩১ জানুয়ারি Coal Mines Labour Welfare Fund Ordinance প্রণয়ন করে, যার উদ্দেশ্য ছিল কয়লা খনি শ্রমিকদের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য একটি তহবিল গঠন করা। এটি শ্রম আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করে। পরবর্তীতে এই অর্ডিন্যান্সটি Coal Mines Labour Welfare Fund Act, 1947 দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

সাধারণভাবে বলতে গেলে, খনি শ্রমিকদের জন্য পৃথক আবাসন ব্যবস্থার অর্থায়ন করা হতো Housing Account থেকে এবং চিকিৎসা সুবিধা, পানীয় জল সরবরাহ, শিক্ষা, বিনোদন এবং সমবায় কার্যক্রমের মতো সাধারণ কল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলো পরিচালিত হতো General Welfare Account থেকে।

ড. আম্বেদকর শ্রম সদস্য (Labour Member) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৪৬ সালের ৮ এপ্রিল কেন্দ্রীয় আইনসভায় (Central Assembly) Industrial Employment Bill উত্থাপন করা হয়। Industrial Employment Standing Orders শ্রম ব্যবস্থাপনায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। কর্মসংস্থানের শর্তাবলি ও নিয়ম নির্ধারণের মাধ্যমে এটি নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও বিরোধ কমাতে সহায়তা করেছিল। ড. আম্বেদকর বলেন—

“এই বিলের উদ্দেশ্য হলো কর্মসংস্থানের শর্তাবলি ও নিয়ম লিখিত আকারে নির্ধারণ করা, সেই শর্তাবলি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিযুক্ত একজন যোগ্য কর্মকর্তার দ্বারা প্রত্যয়িত করা এবং তা যেন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের শর্তাবলির রেজিস্টার বা নথি হিসেবে সংরক্ষিত থাকে।” তিনি শ্রম দপ্তরের দায়িত্ব গ্রহণের পর সামাজিক নিরাপত্তা (Social Security) বিষয়ক পদক্ষেপগুলোর ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। পূর্বে উল্লেখিত শ্রম তদন্ত কমিটি (Labour Investigation Committee) তাদের উপসংহারে উল্লেখ করেছিল যে ভারতীয় শ্রমিকরা অন্যান্য দেশের শ্রমিকদের মতোই, বরং অনেক ক্ষেত্রে তার থেকেও বেশি, নানা ঝুঁকির সম্মুখীন—বিশেষ করে বেকারত্ব, অসুস্থতা এবং পরিবারের উপার্জনকারীর মৃত্যুজনিত ঝুঁকি। কমিটি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিল যে, এই ধরনের ঝুঁকির বিরুদ্ধে শ্রমিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি ভারতবর্ষে তখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন গুরুত্ব পেয়েছে।

ড. আম্বেদকর বিশ্বাস করতেন যে হিন্দু সমাজে একটি ব্যাপক ও মৌলিক পরিবর্তনের প্রয়োজন। তিনি মনে করতেন যে মানুষের পালন করা ধর্মীয় প্রথা ও রীতিনীতির জন্য ব্যক্তিকে দোষারোপ করা বৃথা; বরং সমাজকে গণতন্ত্রের নীতি ও মূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষিত করাই অধিক যুক্তিসঙ্গত ও কার্যকর পথ। তিনি বলেন—“আন্তঃজাত ভোজ এবং আন্তঃজাত বিবাহের জন্য আন্দোলন ও সংগঠন করা যেন কৃত্রিম উপায়ে জোরপূর্বক খাওয়ানোর মতো।”

যে কেউ আইনসভার বিতর্ক (Assembly debates) পড়লে লক্ষ্য করবে যে ড. আম্বেদকর শ্রমিকদের উপকারে আসে এমন যত বেশি সম্ভব আইন সংবিধিবদ্ধ করতে তিনি কতটা আগ্রহী ছিলেন। তিনি যে পদক্ষেপই গ্রহণ করেছেন, তা কখনো বিলম্বিত করেননি। একই সঙ্গে তিনি কখনো বিতর্কিত বিষয়ে অহেতুক জড়িয়ে পড়েননি। কিছু সিদ্ধান্ত দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফল, আবার কিছু সিদ্ধান্তের সুফল অনেক পরে দেখা যায়। নিঃসন্দেহে ড. আম্বেদকর তাঁর দক্ষ অবদান ও কর্মের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় থাকবেন এবং থাকা উচিত। তাঁর কাজ কেবল কলম ও কাগজে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বাস্তব কর্মে তা প্রতিফলিত হয়েছে। সবচেয়ে মূল্যবান হলো কর্ম। যেমন প্রবাদে বলা হয়—“কথার চেয়ে কাজ বড় (Action speaks louder than words).”

আজ ভারতের শ্রমজীবী শ্রেণি তাদের অধিকার অর্জন করছে এবং উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। তবে শ্রমিকদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন করার জন্য শ্রমিকদের মধ্যে আরও বেশি ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৯



আমার বাংলা ভাষা

  । রূপালী দাস ।

আমাদের এই মাতৃভাষার জন্যে

যারা দিয়ে গেছেন প্রাণ,

তাদের আমি জড়ো করে হাত,

জানাই কোটি প্রণাম।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


             আশ্রয়

    । রূপরাজ ভট্টাচার্য ।

বহু আলোকবর্ষ দূর হতে তোমার আহ্বান-স্বর 

আমার নিরাশ্রয় শূন্যতাকে 

শুশ্রূষার বার্তা দিয়ে যায়। 

যতবার ধ্বংসের মুখোমুখি হই, ততবারই তুমি 

পরম আশ্বাসের রঙে সৃষ্টি লিখে যাও! 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


 আমি আজকের বাঙালি

       । সুচরিতা দাস ।

আমি আজকের বাঙালি,

বাংলা দিন-তারিখের হুঁশ নেই,

নববর্ষের থেকে আমার 

ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারে ঝোঁক বেশি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


        রবির আলোয় নবজাগরণ

             । সুরঞ্জীৎ নমঃশূদ্র ।

রবির আলোয় যাকে বাংলা, জাগে নতুন গান,

পঁচিশে বৈশাখ এলো নতুন স্বপ্ন ও আশা নিয়ে।

শিউলি-ভেজা পথের ধারে, দোলে গানের ঢেউ,

রবির বাণী হৃদয় মাঝে জাগায় নব চেতনার সাজে।।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


আমার ডায়রির পাতা

   । তানিয়া দাস ।

আমার ডায়রির পাতায়

লুকিয়ে আছে নীরব কথা।

কিছু হাসি, কিছু না-বলা কান্না,

কিছু নিজের সাথে লড়াইয়ের ব্যথা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৮

বছরের নতুন প্রভাতে ‘প্রতাপ’-এর শুভানুধ্যায়ী, পাঠক ও লেখকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন সূর্যের আলোয় ভরে উঠুক সৃজনের পথ, শব্দে শব্দে ফুটে উঠুক অনুভূতির নতুন দিগন্ত। শুভ নববর্ষ! - শৈলেন দাস

নববর্ষ : স্মৃতি, সংস্কার ও সময়ের স্রোত

। দূর্বা দেব ।

নববর্ষ বাঙালির জীবনে এক অনন্য উৎসব। পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নতুনকে স্বাগত জানানো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিনযাপনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। সেকালের নববর্ষ ছিল গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, আর এখন নববর্ষ মননে ও যাপনে আধুনিক ও বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির প্রভাবে নববর্ষ উদযাপন হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক।

অনেকে মনে করেন সপ্তম শতকে রাজা শশাঙ্কের আমলে বাংলা সনের সূত্রপাত। কারো মতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর রাজস্ব আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন। পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


        নববর্ষের নতুন আলো

          । সৈকত মজুমদার। 

মুছে যাক পুরনো গ্লানি, ধুয়ে যাক যত রেশ,

নতুন দিনের আবাহনে সাজুক এ পৃথিবী।

ভোরের আকাশে রাঙা সূর্য দিচ্ছে নতুন আলো,

হৃদয়ে জাগুক নবীন আশা, চঞ্চল হোক প্রাণ।

বয়ে আনুক এই নতুন বছর সবার মুখে হাসি,

ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে হই চলো কাছাকাছি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                নববার্তা

       । প্রমিলা দাস ।

এসো হে বৈশাখ, বাজিয়ে ঢাক,

ঋতুর রানি আজ বিদায় জানাক।

এসো হে বৈশাখ,

ইচ্ছেপরীটি হয়ে,

যাবে খরস্রোতা নদীর তৃষ্ণা মিটে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                  নতুন বছর

               । সুমঙ্গল দাস ।

নতুন ভাবনা নিয়ে আসে দিন, বৈশাখ মাসে—

হাসিখুশিতে যায় যেন বছর, সবাই মিলেমিশে।

পাড়াপড়শি, ভাই-বন্ধু সব, ঝগড়াঝাঁটি না বাঁধে,

একে অন্যের সহায়তায় থাকব, না কেউ ক্রোধে।

নতুন দিনের নতুন আশা, সহায়তা করব নেশা,

ভরসা করতে, কেউ যেন কোথাও হারায় না দিশা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


নববর্ষ ও মায়ের তৈরি জামা

। ছন্দা দাম ।

সে সময় রেডিমেড জামাকাপড়ের তেমন রেওয়াজ ছিল না। নতুন বছর শুরু হওয়ার বেশ কিছুদিন আগে বাবা নিয়ে আসতেন সুতির থানের ফুল, লতা-পাতা ছাপানো কাপড়। আর মা সারাদিনের সাংসারিক কাজের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে নিজের হাতে কাঁচি দিয়ে কেটে, সুঁই-সুতোয় বানিয়ে তুলতেন আমরা বোনেদের জন্য দারুণ আকর্ষণীয় জামা।

একটা বাড়িতে অনেকটা পরিবার একসাথে থাকতাম। সব ঘরের ছেলেমেয়েরা যখন উঠোনে জমা হতাম, তখন আমার মুখে থাকত মায়ের হাতে তৈরি জামাকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসার কত কথা। অন্যান্যদের মায়েদের সেই শিল্প জানা ছিল না। তাই বাজারে কেনা কাপড়েই পালিত হতো ওদের শুভ নববর্ষ। আমি গর্ব বোধ করতাম—মা নিজের হাতে জামা বানিয়ে দিতেন।  পুরো স্মৃতিচারণটি পড়ুন


বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : ১৫তম মুদ্রিত সংখ্যা




          দূরত্বের নির্জনতা

            । চন্দ্রিমা দত্ত ।

সবকিছুর সাথে দূরত্ব বেড়ে গেলে 
বুঝি, কোনও এক ঝড়োরাত্রি আসন্ন- 
মনে হয় যে ক্ষত শুশ্রুষাযোগ্য নয় 
তারজন্য অকারণ চিন্তা কেন? 
সবার জন্য আরোগ্যনিকেতন নয় 
আনন্দনিকেতনও নয়...


               কবিতা

    । আদিমা মজুমদার ।
 
কবিতা আমার মায়ের মুখ
বাবার শাসন,
কই যাসবড় হয়ে গেছিস বুঝি?
কবিতা আমার চাতালের ধান
সোনালি ধানে শালিকের খুনসুটি।
পুরো কবিতাটি পড়ুন



প্রতিভার আলোক শিখা

 সপ্তমিতা নাথ ।

শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছিল সেদিন মেয়েটি। সবে মাধ্যমিকের ফলাফল বেরিয়েছে। এই উষ্ণ অভ্যর্থনার উষ্ণতা সহ্য করে উঠতে পারে নাই বিশেষ করে চোখ দুটিরক্তিম ঝলসানো চোখে ভেসে উঠেছিল অতীতের ছেঁড়াফাটাভাঙ্গা কালো পর্দার স্মৃতি। গোটা উপত্যকার ছোট বড় সংগঠন ব্যক্তি বিশেষ আজ প্রতিভার পাশে দাঁড়াতে চায়। কিন্তু  প্রতিভা  কি চায়প্রতিভার কী চাওয়া উচিত বা অনুচিত সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আত্মবিশ্বাসটুকু গড়ে ওঠার আগেই দুমড়ে মুছড়ে ভেঙ্গে দিয়েছিল তার শৈশব।   পুরো গল্পটি পড়ুন



       এক নতুন সকাল

     । সুলতা রানি দাস 
 
আমরা দেখেছিলাম এক নতুন সকাল
দেখেছিলাম  এক নতুন রবি
 বুকের মধ্যে রক্ত নিয়ে
লড়েছিলাম স্বাধীনতার লড়াই



অবস্থান

। শর্মিলী দেব কানুনগো ।

-- বৌদি এই ক্রিমটা আমারেও একটা আনিয়া দিও…  নমিতার কথায় গা পিততি জ্বলে উঠে বিথির। এই এক সমস্যা হয়েছে এখন। বিথির যা আছে সব নমিতারও চাই। আশ্চর্য… নিজের ওজন বুঝে চলতে পারে না মেয়েটা। মুখে অবশ্য নমিতাকে কিছু বলে না সে। না বলার কারণ আছে। নমিতাকে কেন্দ্র করেই সকাল থেকে বিকেল আর বিকেল গড়িয়ে রাত নামে বিথির বাড়িতে। দুই হাতে বিথির সংসার সামলায় নমিতা। একদিন নমিতা কাজ কামাই করলে বিথি চোখে অন্ধকার দেখে।  পুরো গল্পটি পড়ুন



        দোকানদার

      । মুজিব ইরম 
 
খুলে রাখি টংঘর মুদির দোকান
আমাদের গ্রামে
বসে থাকি
তেপথী পথের মোড়ে
চেয়ে চেয়ে দেখি
ফুটে থাকে জারুল হিজল
ধানগাছ গর্ভবতী হয়
                                                                   পুরো কবিতাটি পড়ুন


খাদ্যই মূখ্য কবিতা ছাড়

 আরিফুল ইসলাম 

অথচ,
তিনি বললেন,
আমাকে একবেলা খাবার দাও
আমি তোমাকে
এক ফর্মা কবিতা দেবো ।


বিড়ালের রাস্তা অতিক্রম করা অমঙ্গল কেন?

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

বিড়াল রাস্তা কাটলে গাড়ির চালক কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে, তারপর যায় কেন? এমনকি মানুষ হেঁটে যাচ্ছে এমন সময়ও বিড়াল রাস্তা কাটলে মানুষ দাঁড়িয়ে পড়ে কেন? এর কারণ কি? এই প্রথা অনেক পুরনো। সেই কোন যুগ থেকে চলে আসছে। এর পিছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তি কি?  পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন


বসন্তের ভাললাগা

। শৈলেন দাস ।

ভরদুপুরে প্রায় দেড় ঘন্টা ড্রাইভ করার পর ব্লকের রাস্তা অতিক্রম করে একটি কালো রংয়ের ফোর'হুইলার এসে থামলো গ্রামের শেষ প্রান্তে। গ্রামটির নাম সন্তোষপুর। ধীর পায়ে গাড়ি থেকে নামল সোহিনী। ঘাড় ঘুরিয়ে দুচোখ ভরে দেখল সবদিক তারপর কল করল মোবাইলে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৭





         পরদেশী

      । বিপ্লব উরাং ।

বাপদাদা চৌদ্দপুরুষ এইখিনে 

এই মাটি-এ।

এখন হামরা নকি পরদেশী! 

কাগজ দেখাতে হবেক 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


       সাবধান

  । মানসী সিনহা ।

আমার সাংবিধানিক অধিকারকে

যদি আমি আমার বলি

তাতে তোমার ক্ষতি কি....

পুরো কবিতাটি পড়ুন

আত্মপ্রত্যয়ী অভয়

। প্রদীপ চন্দ্র দাস ।

অভয় একটি প্রত্যন্ত গ্রাম বিজয়নগরে বাস করত। ছোটবেলা থেকেই সে অত্যন্ত মেধাবী ছিল। সে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ছেলে। পড়াশোনাতে অত্যন্ত ভালো থাকায় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের খুবই প্রিয়পাত্র ছিল। সে ছিল খুবই তীক্ষ্ণবুদ্ধিসম্পন্ন। সকলেই তার বুদ্ধির প্রশংসা করত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


                   নির্জনাবশেষ

                । পিয়ালী ঘোষ ।

তুমিহীন বৃষ্টি যখন স্পর্শ করে আমায়,

হৃদয় জেগে ওঠে যেন অবাঞ্ছিত সব আশা।

রাস্তার মোড়ের চায়ের কাপের ওঠা ধোঁয়া প্রশ্ন করে, 

অপেক্ষার অবসান কবে?


       বুকের ক্ষত

   । বিষ্ণুপদ দাস ।

যৌথ বাড়ির বৈঠকখানায়

পুরাতন এক ছবি,

এঁকেছিলেন পূর্বপুরুষ

অঙ্কন ছিলো হবি।

শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৬




              নাটক

    । শমিতা ভট্টাচার্য ।

এই সংসার একখানা মঞ্চ

এখানে নিত্য নাটকের আয়োজন

আজ যাঁরা অভিনেতা, অভিনেত্রী

কাল তারাই আবার দর্শক হয়ে

নাটকের মজা লুটেন

                                                                               পুরো কবিতাটি পড়ুন


       বালুচরে

   । চান্দ্রেয়ী দেব ।

শহর জুড়ে বৃষ্টি নামলো,

তনুদ্বয়ে বারিকণার পরশ নেই।

দুজনে দাঁড়িয়ে আছি স্বপ্নের বালুচরে,

স্নিগ্ধতার অবকাশে অপলক চাহনির রেখাপাত।

ভালোবাসা যেন সেই মুহূর্তের নীরব সঙ্গী।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                         শূন্যতা 

                 । মৃদুলা ভট্টাচার্য ।

নিঝুম নীরবতায় শুনি নিঃশব্দ হাহাকার, 

চারপাশ ভরা মানুষ তবু নেই কোনো নিজস্বতা

ভালোবাসা আড়াল করে লুকিয়ে থাকে ভাঙা স্বপ্ন

যতটুকু নিজের ভাবি, ততটাই দূরে সরে থাকে মূহুর্ত। 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


          নাগরিকত্ব

। ধ্রুবজ্যোতি মজুমদার ।

আমি এপার ওপার কারো নই 

পৃথিবীটাই তোর 

উৎস আমার রহস্যময় 

কুয়াশা ঘেরা ভোর। 


সোনালি স্বপ্নের বিসর্জন

     । শৈলেন দাস ।

তুমি দীর্ঘশ্বাস ফেলো না,

বড়াইলের বুক থেকে ঘন কুয়াশা

উড়ে যাবে দূরে।

যে বীজ বোনা হয়েছে সোনালি স্বপ্নের,

তাদের আর বেড়ে ওঠা হবে না।

                                                                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৫




                      আজব দুনিয়া

                    । রূপালী দাস ।

আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি,

এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?

হাজার হাজার অট্টালিকা গড়ে উঠছে নিমেষে—

এটাই হচ্ছে সত্য এখন, চমকে ওঠার কী আছে!

পুরো কবিতাটি পড়ুন


মাতৃভাষার টান

। শেখর মালাকার ।

নদীমাতৃক বাংলার ভোর মানেই কুয়াশা ভেজা ধানক্ষেত, দূরে তালগাছের মাথায় সূর্যের প্রথম আলো, আর মসজিদের আজান কিংবা মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে মিশে থাকা এক মধুর সুর—বাংলা ভাষার সুর। এই ভাষাতেই মা তার সন্তানকে প্রথম আদর করে ডাকে, এই ভাষাতেই কবি স্বপ্ন দেখে, কৃষক গান গায়, আর বিপ্লবী শপথ নেয়।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      তোমায় চাই শুধু নিরবে

              । মাম্পী দাস ।

তোমায় খুঁজি আমি গল্পের মাঝে।

তোমায় দেখি আমি কবিতার সাজে।

কে বলেছে হৃদয়কে তোমায় এত ভালোবাসতে?

তোমায় খুঁজি আমার সকল সুখ-দুঃখের মাঝে।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


পুরোনো বটগাছের রহস্য

। অপর্ণা কুমার ।

আমাদের বাড়ির উত্তর দিকে একটি বিশাল পুরোনো বটগাছ ছিল। গাছটা এত বড় ছিল যে দিনের বেলাতেও তার নিচে আলো কম পৌঁছাত। তার মোটা কাণ্ড, ঝুলন্ত শেকড় আর ঘন ডালপালা দেখে মনে হতো যেন কোনো প্রাচীন প্রহরী পাহারা দিচ্ছে। গ্রামের লোকেরা বলত, বটগাছটার নিচে নাকি অদ্ভুত ছায়া নড়ে, গাছের সামনে গেলে নাকি কারও ফিসফিস শব্দ শোনা যায়। তাই রাতে রাস্তা পার হতে অনেকেই ভয় পেত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


পাগলি

। ঝুমুর পান্ডে ।

(১)

পাগলিটা আজও বাজারটা ঝাঁট দিচ্ছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাচ্ছে চারদিক। এত ধুলো! হায় রে! সবজি-ওয়ালা কানাই আলু, বেগুন, লঙ্কা নিয়ে বসেছে। এখন চেঁচিয়ে উঠল—

“ভরাইলার! আবার ভরাইলার! সব ভরাইলার!”

সত্যিই ও বেগুন-লঙ্কা ধুয়ে ঝকঝক করে বসেছিল, এখন সব প্রায় সাদা হয়ে গেল। ওদিকে ইরফানের সব পুঁইশাকও নোংরা হয়ে গেল! নোংরা হয়ে গেল যত কলাও…   পুরো গল্পটি পড়ুন

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৪







কন্যে–৩

। সুচরিতা দাস ।

যখন সে জন্মেছিল,

পাড়া জুড়ে বাবা নাকি তার মিষ্টি বিলিয়েছিল—

বলেছিল, ‘ঘরে আমার মা লক্ষ্মী এলো’।

সেই কন্যেই যখন আজ কন্যের মা হলো—

‘পুত্রবতী ভবো’ বলা কত লোকের মুখে হাসি উড়ে গেল!   পুরো কবিতা পড়ুন


খাওয়া-দাওয়া

। সুরজ কুমার নাথ ।

জিভটা যে কত বোঝে

টক, ঝাল, মিষ্টি,

কাঁচকলা কাঁচা খেলে

হয় নাকি পুষ্টি।  পুরো কবিতা পড়ুন


রামকৃষ্ণ গুরুকুল

| সুরঞ্জীৎ নমঃ‌শূদ্র |

ভোরের আলোতে জেগে ওঠে ছাত্রাবাসের ছাত্ররা, 

প্রাতঃকালে প্রার্থনা করে, ঠাকুরের সম্মুখেতে বসে। 

ঠাকুরের নাম মুখে আনে, 

শান্তি মন্ত্র ও গীতার শ্লোকের দ্বারা ।।

পুরো কবিতা পড়ুন


শিল্পগুহা

। হারাধন বৈরাগী ।

আমার ভিতর এক গভীর জঙ্গল
খুব‌ই শ্বাপদ সঙ্কুল।

আমি প্রেমিক হলেই
সে হয়ে ওঠে প্রেমিকা
রাগ করলেই সে হয়ে উঠে রাগিনী।


চেনা সুর

। বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য ।

ফের সেই সুর। রাগ ভৈরব।

ভাঙা ভাঙা কিন্তু মিষ্টি গলা! বয়সের ছাপ আছে বটে। পাশের বাড়ি থেকেই সুরটা আসে। গলাটা ভীষণ চেনা চেনা, কিন্তু কার যে গলা, তা ভাল করে ঠাহর করতে পারছেন না মিহিরবাবু।

এই বাড়িতে মিহিরবাবু ভাড়া এসেছেন সপ্তাহখানেক হলো। আসার পর দিনই শুনেছিলেন মহিলা কণ্ঠটি । 'জাগো মোহন  পেয়ারে'। শুধু এই এক লাইন। এর চেয়ে বেশি আর কোনও পংক্তি গান না মহিলা। কিন্তু যত টুকুই গান, তা-ই অপূর্ব। মন কেমন করা।  আরও শোনার সাধ জাগে।   পুরো গল্পটি পড়ুন

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৪৩

ভালবাসা মানে শুধু কাছে থাকা নয়,

ভালবাসা মানে দূরত্বের মাঝেও স্পর্শ করা।

রঙের মিশ্রণ বলে দেয়—

ভালবাসা কখনো শুধু সুখ নয়,

তার মধ্যে থাকে কষ্ট, অভিমান, আশা ও ক্ষমা।

                                        - জ্যোতি বসু দে

           ফাল্গুন

      । চন্দ্রিমা দত্ত ।

ঝরাপাতার পথে পদশব্দ উঠলে

বুঝি- পরিচিত পদধ্বনি-

উদাস বাতাসে 

কুহু ডেকে ওঠে যদি

পুরো কবিতা পড়ুন


তোমার উপস্থিতি

। টিংকুরঞ্জন দাস ।

তুমি কাছে আসলেই 

ফিরে যাই যৌবনের সেই টুকরো সময়ের কাছে 

যারা আমাকে রক্তাক্ত করতে চেয়ে 

নিজেরাই চলে গেছে অজ্ঞাতবাসে। 

পুরো কবিতা পড়ুন


এক অজানা প্রেম

। সুরঞ্জীৎ নমঃ‌শূদ্র ।

জানি না কবে, কোথায় দেখেছি তোমায়,

তোমায় দেখার পর নিজেকে জেনেছি নতুনভাবে।

তোমার রূপে মুগ্ধ হয়েছি আমি,

তোমার চোখে ডুবেছি আমি।।

পুরো কবিতা পড়ুন


      অদৃশ্য স্পর্শ

। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।

তুমি কাছে এলে শব্দেরা চুপ করে যায়,
মনে হয়—নীরবতাই আজ সবচেয়ে বড় কবিতা।
তোমার চোখে চোখ রাখলে
সময় নিজেই নিজের কাঁটা ভেঙে ফেলে।


অচেনা অনুভূতি

। পুষ্পিতা দাস ।

ইউনিভার্সিটি থেকে বেরিয়ে বাসস্ট্যান্ডের দিকে হেঁটে চলেছে তিতাস আর তন্ময় সাড়ে তিনটের বাস ধরবে বলে। আজ ওদের সঙ্গে আর কেউ নেই। ক্যাম্পাস ইন্টারভিউর পরই তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসছিল তিতাস। আজ তাঁর অন্য কোনো দিকে নজর নেই। নিজের দিকেও না। আজ সে নিজের মধ্যেই নেই যে। বাকি দিনগুলিতে সে নিজে ডেকে ডেকে সবাইকে নিয়ে তবেই বাস ধরতে যায়। কিন্তু আজ তাকে এভাবে বেরিয়ে আসতে দেখে তন্ময় ও তার সঙ্গে চলে আসলো। সে বুঝতে পারছিল তিতাসের কিচ্ছু একটা হয়েছে।   পুরো গল্প পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...