শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৭





প্রতাপ : স্বপ্ন, সংগ্রাম ও স্বাতন্ত্র্যের পথচলা

। মমতা চক্রবর্তী ।

"প্রতাপ" পত্রিকার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে প্রান্তিকায়িত হৃদয়ের স্পর্ধিত উচ্চারণ। ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক টগবগে তরুণের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্ন নিয়ে "প্রতাপ"-এর জন্ম।

"প্রতাপ": সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস কোনো একক স্বপ্ন বা আশার প্রতীক নয়, বরং অদম্য, প্রতিস্পর্ধী সামূহিক উচ্চারণের নাম।

প্রায় পনেরো বছরের নিরন্তর পথচলায় সমাজ ও সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য উজ্জ্বল কবি-সম্পাদক শৈলেন দাসের "প্রতাপ"।


        আমাদের বাবা

       । সুজিতা দাস ।

বাবা আমাদের পথের দিশা।
নিমিষে কেটে যায় দুর্বলতা, ভয় আর খারাপ নিশা।
হাতে ধরে দেখিয়ে বলেন, 
সদা সত্যি বল আর সামনে এগিয়ে চল।
বাবা আমাদের সকল সাহস-বল। 

রাখীর সুতোয় ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন

। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।

রাখীবন্ধন ভারতীয় সংস্কৃতির এক পরিচিত ও আবেগঘন উৎসব। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এই উৎসবকে সাধারণভাবে ভাই-বোনের ভালোবাসা, পারস্পরিক স্নেহ ও দায়িত্ববোধের উৎসব হিসেবে দেখা হয়। একটি ছোট্ট সুতো কব্জিতে বাঁধার মধ্য দিয়ে যে সম্পর্কের নবায়ন ঘটে, তার তাৎপর্য কিন্তু কেবল পারিবারিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাখী হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, বিশ্বাস, দায়িত্ব, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতিরও প্রতীক। শ্রাবণী পূর্ণিমায় রাখী বাঁধার প্রচলিত রীতি বিশেষত ভাই-বোনের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।  পুরো লেখাটি পড়ুন


      সে কি কথা ছিল?

       । প্রমিলা দাস ।

ডুব দিয়েছি ভবসাগরে
মায়ায় মোহিত হয়ে।
ভবে আসার কালে যা ছিলাম বলে,
তা নিয়ত যাচ্ছি আমি ভুলে,
সার ছেড়ে অসার নিয়ে লিপ্ত,
তোমার কথা ভাবতে ভাবি সংক্ষিপ্ত। 


মিথ্যা বলার পরিণাম

। প্রতীক চক্রবর্তী ।

কিরন দেখতে বেশ মিষ্টি চেহারার ছেলে। কিন্তু তার স্বভাবটা ভালো ছিল না। সে অলস ছিল। সহজে অনেক টাকা কামাতে চাইতো। তাই সে এক অদ্ভুত উপায় বের করল। সে প্রতিদিন নতুন নতুন রাস্তাঘাটে যেত। মানুষের সামনে গিয়ে কাঁদতে বসত। সে বলত, "আমার মা মারা গেছেন, বাবাও নেই। আমি একদম একা।" তার অভিনয় এত নিখুঁত ছিল যে মানুষের মায়া হতো। তারা তাকে অনেক টাকা সাহায্য করত। সবুজ সেই টাকা দিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিত। দামি জিনিস কিনত। মিথ্যা কথা বলে টাকা কামানো তার রোজকার নেশা হয়ে দাঁড়াল।  পুরো গল্পটি পড়ুন

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৬






শবরীর প্রতীক্ষা

। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।

আকাঙ্ক্ষা ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে সে এলো। ন'মাসের অপেক্ষার সময়টাতে তাকে অনুভব করেছে মোহনা আর অর্ক। ভালোবাসার স্পন্দনে সে বারবার জানান দিয়েছে—আমি আসছি। একদিন রৌদ্রস্নাত বসন্তের সকালে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মোহনা আর অর্কের ভালোবাসার কাহন চোখে আলো মেখে সবার জন্য এক ঝুড়ি খুশি নিয়ে হাজির হলো। চারদিকে তখন বসন্তের কুহুতানে এক জোড়া প্রেমীর অনুরাগে সিক্ত রাগিনী সাহানার মীড়।  পুরো গল্পটি পড়ুন


                শনবিলের গহীন কথা

                   । দিলীপ কুমার দাস ।

এশিয়ার বুকে দ্বিতীয় বিস্তৃত শনবিলের জলরাশি,

ভোরের আলোয় জেগে উঠে প্রকৃতির মধুর হাসি।

উপার্জনের তাগিদে নৌকা নিয়ে জেলে যায়,

মাছ ধরার মধ্যেই যে তারা জীবনের আনন্দ পায়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


            নীরবতার মাঝে আমি

                    । চয়ন ঘোষ ।

এখন আর আগের মতো ভেঙে পড়ি না,
জীবনের কত কিছুই খুব সহজেই মেনে নিই।
যে কষ্ট একদিন বুকের ভেতর ঝড় তুলত,
আমাকে উন্মাদ করে ছুটিয়ে বেড়াত;
যে যন্ত্রণা আমাকে বারবার পুড়িয়ে
ভেতরের আমিটাকেই শেষ করে দিত,
সেই ব্যথার সঙ্গেই আজ বাঁচতে শিখে গেছি।


         জীবন সংগ্রাম

           । মুন্না নাথ ।

জীবনে সংগ্রাম করতে হয়,

তাই কর, অযথা করো না,

যার প্রতিফলন তোমায় তাড়া করে,

এমনটা হবে, যা তাড়া না দেয়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                       অন্তহীন পথ

                     । মুন চক্রবর্তী ।

অন্তঃসত্ত্বার সুনির্মল আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে,

নিশ্চয়-অনিশ্চয়তার বহুযুগের দেয়ালে প্রোথিত 

যুগমায়া, না যুগের মায়া।

মূল্যহীন কিছু সম্পদ জড় করে লালন ফকির,

পুরান গ্রন্থের মতো আবর্জনা জমে ওঠার তাগিদে আশ্রম খোঁজা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৫




      চলো এগিয়ে যাই

     । প্রদীপ চন্দ্র দাস ।

চলো, চলো, চলো রে ভাই,

সবাই মিলে এগিয়ে যাই।

দুর্বলতা দূর করে

চেতনাকে চলো জাগাই।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

        অনন্ত কথা

     । সুমঙ্গল দাস ।

হায়, হ্যালো! কী হলো?
খবর কী তোর, অতীত-প্রথা?
বলিসনি তুই,
সমাজটা আজ যা ইচ্ছে তা।
কিরে বর্তমান,
তুই তো আছিস তোরই মতো।

আতিথেয়তার উষ্ণতা
। শিল্পী দেব ।
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের সেই ছোট্টবেলার দিনগুলো, যখন বাড়িতে অতিথি এলে তাঁকে আপন করে নেওয়া ছিল স্বাভাবিক এক আনন্দ। অতিথিকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানানো, যতদিন সম্ভব জোর করেই রেখে দেওয়া, এই নিঃস্বার্থ আতিথেয়তাই ছিল আমাদের সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। আজকের ব্যস্ত জীবনে সেই প্রথা যেন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।  পুরো গদ্যটি পড়ুন

              ঠগ

  । টিংকুরঞ্জন দাস ।

প্রেমিকা হতে পারোনি,

একটা পাখি তো হতে পারতে,

যে রোজ সকালে আমার ঘুম ভাঙাতো,

আমার জানালার শিকে এসে বসতো,

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                রাজনীতির মুখোশ

                      । সদয় দাস ।

গণতন্ত্রের অঙ্গনে আজ প্রতিশ্রুতির মেলা,

সত্যের চেয়ে উচ্চস্বরে বাজে মিথ্যার বেলা।

ক্ষমতার সিংহাসনে ওঠে কত মুখোশধারী,

জনতারই স্বপ্ন বিকিয়ে গড়ে নিজের বাড়ি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৪








জগন্নাথের যাত্রা

। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।

বৃন্দাবন থেকে মথুরা,

উত্তর থেকে দক্ষিণ।

প্রান্ত থেকে প্রান্তরে, প্রতিটি প্রাণ যাকে ছাড়া প্রাণহীন।

কেউ বেসেছে ভালো কৃষ্ণ নামে তোমায়, 

                                                                    কারও কাছে মাধব, প্রিয় সখা সুধায়।

                                                                   পুরো কবিতাটি পড়ুন

                                   রথ

                    । রঞ্জন কুমার বণিক ।

একটি অবাক শিশু, ছুটে চলে রথের পিছু পিছু।

হারানো শৈশব খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত রথের মেলায়,

মাটির বুড়োটি কেবল ঘাড় নাড়ে অবহেলায়।

একটি বন্দি শিশু, রথ মানে অব্যক্ত অনেক কিছু।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                           রথযাত্রা

                 । অপর্ণা কুমার ।

আষাঢ়ের আকাশে বাজে আনন্দের সুর,

চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তির ভরপুর।

জয়ধ্বনিতে জেগে ওঠে জনপদের পথ,

ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে জগন্নাথের রথ।

                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন


                অবুঝ মন

             । প্রীতি দাস ।

অবুঝ মন, কী অদ্ভুত, তাই না?

সে ভালোবাসতে জানে, আবার ভুলতেও জানে।

যাকে মনে রাখতে চাই, তাকে ভুলিয়ে দেয়; 

আর যাকে ভুলে যেতে চাই, 

তাকেই বারবার মনে করিয়ে দেয়।


        বিদায় উবাচ

   । প্রিয়তোষ শর্মা ।

আজ আমরা শোকাতুর...
আজ আমরা বিরহকাতর,
বিচ্ছেদের এ আসরে,
আপনার দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসরে
রেখে দিলাম মনের ঘরে
আপনাকে, অতি যত্নে, অতি আদরে।                                                        পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫৩








এই নৈবেদ্যের রঙ লাল

। অপর্ণা দেব ।

ভোরবেলা ওঠা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। উঠে ব্যালকনিতে প্রতিদিন ধীরে ধীরে পায়চারি করবেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে চোখ রাখবেন খোলা আকাশে। এই টুকরো আকাশ একান্ত তাঁর নিজের। যতদূর দৃষ্টি যায়, চোখ মেলে ধরবেন, কথা বলবেন সামনের গাছপালার সাথে।

বাড়ির সামনেই একটি ছোট পার্ক। সেখানে রয়েছে প্রচুর গাছপালার সারি। চলাফেরা যখন সহজ ছিল, শৈবাল সকাল সকাল চলে যেতেন সেখানে। খানিকটা হেঁটে আসতেন বন্ধু কমলেশ। প্রতিদিনের দেখা, কিন্তু প্রাণবন্ত মানুষটি হেঁটে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে তাঁকে দেখেই বলে উঠতেন, “কী খবর, শৈবাল?  পুরো গল্পটি পড়ুন


                 সৌহার্দ্যের অজ্ঞানতা

                     । চান্দ্রেয়ী দেব ।

সম্পর্কের ইতির প্রারম্ভে, বিচ্ছেদের মুহূর্তে,

প্রকাণ্ড নভোমণ্ডলের ছাউনির অন্দরে,

সমীরণের ঔদার্যে বিদায়ের সুর বাজে অন্তিমকালে।

প্রকৃতির কোলাহলে নীরবতার মুখ ভার,

মেঘের ছায়াপথের অন্তরালয়ে মুহূর্তের ঘরভাঙা আর্তনাদ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


    ঊনিশের শহীদ

  । রাখু মালাকার ।

উনিশে মে রক্তে লেখা

বরাকের সেই গান,

মাতৃভাষার অধিকারের জন্য

দিয়েছিল যারা প্রাণ।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


                        তীব্র সুখ

           । সুস্মিতা দাস চৌধুরী ।

মনের প্রাঙ্গণে সুনামি, বিধ্বংসী ঢেউ,

অন্তরে কী চলছে, খুঁজ নেবে কি কেউ?

সুখের তরী যে অন্ধকারে ঘেরা,

মনের প্রার্থনায় দিই না যে সাড়া।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


লিখে রেখো কিছু কথা

     । মাম্পী দাস ।

অন্ধকার নিরালায়,

প্রকাণ্ড আকাশতলায়,

গা এলিয়ে বসি আমি।

মিটমিট করে বাতি।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫২

 




আবোল-তাবোল স্বপ্ন

। নমিতা আচার্য্য ।

আমার আকাশ স্বপ্নে ভরা,

আমি জেগে থাকি সেথায়।

মরীচিকার পিছু ছুটে চলি,

চোরাবালির উপর হেঁটে;

ভিড় করে কত অলীক আশা,

                                                                                     পুরো কবিতাটি পড়ুন

ভূরো

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

ভূরো খুবই দরিদ্র পরিবারের একটি ছেলে। ছোটবেলায় ওর বাবা-মা মারা যায়। পেটের দায়ে একটি বড় দোকানে সে কাজ করে। মালিকের ফরমাশমতো মালপত্র মেপে দেওয়া, তারপর ব্যাগ গুছিয়ে ভরে খদ্দেরের হাতে তুলে দিয়ে সাহায্য করা, এই তার কাজ।

ছেলেটির ব্যবহার খুবই মিষ্টি। এতে মানুষ খুশি হয়ে তার দোকানে আসত। কেমন যেন একটা মায়া লেগে যেত। আর এতে মালিকের ব্যবসাও দিন দিন বেড়েই চলেছে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


নীরবতার পাঠ

। শিল্পী দেব ।

জীবনের কত ধাপ পেরিয়ে, শেখার শেষ কি আর হয়, 

নীরবতার কোলে লুকিয়ে থাকে সুখের ছোট্ট ভয়...

নিরবে কত আনন্দ মেলে, না বলেও পাওয়া যায়, 

আবার নীরবতার আঘাতে মানুষ, মানুষকে হারায়...

                              পুরো কবিতাটি পড়ুন

           আশা প্রত্যাশায় বেঁচে আছে

                   । পরিমল কর্মকার ।

যে শিশু রাস্তার উচ্ছিষ্ট খেয়ে দিন যাপন করে,

যে শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি,

যে শিশু শিক্ষার আলো না পেয়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকে --

সেই শিশুর জন্মদিনের আনন্দ হারিয়ে গেছে --

পথের উচ্ছিষ্ট খাবার ... পথচলার অলিগলিতে।

                                  পুরো কবিতাটি পড়ুন


স্মৃতি যখন হাসায়

। পুষ্পিতা দাস ।

পুরজিৎ চেম্বার থেকে ফিরে একদিন আরাধ্যাকে বলল, "জানো, আজ আমার চেম্বারে এক মিউজিক ডিরেক্টর এসেছিলেন। ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর তাঁর কাজের ব্যাপারে আমাকে বলছিলেন। বললেন, বলিউডেও নাকি কাজ করেছেন। আমি তো সঙ্গে সঙ্গেই তোমার কথা বললাম। বললাম, আমার স্ত্রীর গলা ভীষণ সুন্দর, ভীষণ আলাদা। আপনি তাঁকে একবার গাইয়ে দেখতে পারেন। জানো, লোকটা আমার কথায় খুব একটা পাত্তাই দিল না।"

আরাধ্যা হা করে কথাগুলো শুনছিল। শুধু ভাবছিল, সত্যিই পুরজিৎ এমনটা বলেছে লোকটাকে!

  পুরো গল্পটি পড়ুন

রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫১




শঙ্করদেব .... কৈবর্ত সমাজ এবং সতী রাধিকা

। জিতুল দাস ।

মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব অসমের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। সর্বগুণসম্পন্ন এই গুরুজন তাঁর প্রজ্ঞার আলোক দিয়ে অসমের সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতিকে এক অনন্য রূপ দান করে গিয়েছেন। শঙ্করদেব মানবজাতির সার্বিক উন্নতির জন্য একশরণ নামক দর্শনের প্রচার করেন, যার মূল কথা হল “এক পরম সত্তার কাছে আত্মসমর্পণ”। যদিও একশরণের ধারণা ভারতের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ বেদেই নিহিত ছিল, তথাপি শঙ্করদেবই প্রথম বাস্তবভাবে এই নীতির প্রবর্তন করেন। তিনি এই ধারণা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে গ্রহণ করেছিলেন।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষকতা: বর্তমান পরিস্থিতির সাময়িক অবলোকন

। ড. কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

আমি একজন মাস্টারমশাই। আমার প্রধান কাজ শিক্ষকতা। আমি আমার পেশা নিজে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছি, আর যাকে বলে “নেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করো”, আমার পেশাগত জীবনে এই প্রবচন একদম অক্ষরে অক্ষরে সত্য। শিক্ষক, শিক্ষা, শিক্ষা-ব্যবস্থা ও তার চারপাশে ঘিরে থাকা অগণিত ছাত্র-ছাত্রী, আমাদের যাত্রাপথটা কিন্তু সুগম নয় একেবারেই। আমাদের এক ব্যাগ সমস্যা। আমার কলমের স্বাধীনতা আছে, আমি লিখতেই পারি। পাঠকগণের কাছে মনের কথা, অনুভব, অভাব, অনুযোগ, অভিযোগ সব পৌঁছে দেওয়াতেই সার্থকতা, যদি কোনো সুরাহা বেরিয়ে আসে।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


মিড ডে মিল

। মেঘমালা দে মহন্ত ।

ছেলেকে আজ গাছে বেঁধে পিটিয়েছে রহিমা। তাতেও রাগ পড়েনি। উঠোনের কোণে পড়ে থাকা একটা আম-পিঁপড়ের খোল ভেঙে দিয়েছে ছেলের মাথায়। মুহূর্তে লাল পিঁপড়েগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড়াতে শুরু করতেই বীভৎস চিৎকারে কেঁপে উঠেছিল চারদিক। মাথা-মুখ ফুলে উঠছিল রমজানের।রহিমার চোখে তখন আর কিছু ধরা পড়ছিল না। বুকের ভেতর শুধু আগুন জ্বলছিল।

এইটে আবার ফেল!

দুই বছর ধরে একই ক্লাসে পড়ে আছে ছেলে। অথচ এই ছেলেটাকেই এক সময় স্কুলের মাস্টাররা “হীরার টুকরা” বলত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


বাল্যবন্ধু

। মৌসুমী চক্রবর্তী ।

‘বাল্যবন্ধু’ এই শব্দটি আমাদের জীবনে এক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই শব্দটির মধ্যে কী এক অদ্ভুত সুন্দর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে, তা হয়তো আমরা সবসময় বুঝিয়ে দিতে পারি না, কিন্তু এক আবেগঘন ছোঁয়া আজীবন থেকে যায়। এই বন্ধুত্বের গোড়াপত্তন হয় তখন, যখন আমরা বন্ধু ও বন্ধুত্ব সম্পর্কে সব রকম জটিল তত্ত্ব সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকি।

সেই সময় আমাদের মনে না থাকে কোনো প্রকার সম্মান-অসম্মানের মাপকাঠি, না থাকে সামাজিক স্ট্যাটাস নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, না থাকে নিজেকে সাংঘাতিক কেউকেটা হিসেবে জাহির করার অপ্রাণ চেষ্টা, বা দুষ্চেষ্টা বলতেও পারেন। এই সময়ের বন্ধুরা যেন ঠিক মেঘহীন নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো একঝাঁক সুন্দর বলাকা।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


                        কলমের আত্মকথা

                      । সোনালী গোস্বামী ।

কলম আমি বলপয়েন্ট ও ফাউন্টেনে অক্ষর সাজাই,
ক্যাপ, ক্লিপ, ব্যারেল, রিফিল অংশে নিজেকে জড়াই।

কত ইতিহাস লিখেছি সেজে খাগের কলমে,
দোয়াত-কলম হয়ে রচেছি ভাগ্যবিধাতার নিয়মে।

পালকের কলম, শেফার্ড কলমে ধরি নাম আমি কত,
সফলতার সিঁড়ি চড়েছে মানুষ, যত্নে ধরেছে আমাকে যত।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

প্রতাপ এর বহুদূর যাত্রা আলোকিত হোক


। চন্দ্রিমা দত্ত ।
আজ দেরীতে লিখছি একটি আনন্দ খবর-
গত ১৭মে, রবিবার সকাল ১১টায় সকলের পরিচিত 'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকার ১৯তম সংখ্যার উন্মোচন হয় আশ্রমরোডে সুন্দর এক আনন্দঘন পরিবেশে, অনেক গুণীজনের সাথে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক তারুণ্যে ভরপুর স্বপ্নদেখা লিখিয়ে মেয়েরা, ছেলেরা যা আমাকে খুব আনন্দ দিয়েছে।
'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকাকে আমি ভালোবাসি সম্পাদক শৈলেনের ইচ্ছে, স্বপ্ন এবং নিজের মেধাকে গুরুত্ব দিয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাওয়ার গূঢ় কথাটি অনুভব করতে পারি বলে।
নানা কষ্টের সম্মুখীন হয়েও সে তার পত্রিকা অন লাইন, অফ লাইন দু'ভাবেই প্রকাশে অবিচল। শিক্ষক হিসাবে, লেখক- সম্পাদক হিসাবে সে অভিভাবকত্বের জায়গায় দাঁড়িয়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে এবং তার সমাজকেও আলোর পথ দেখাতে যথার্থই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখে চলছে। 

আসলেই সমাজের প্রতি স্তরে যদি সৃজন আলো পৌঁছায় তবে একটা সুস্থ ও মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।
একদম অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা যখন কবিতা পাঠ করছিল অনুষ্ঠানে একটু সংকোচে, একটু সাহসে আমার খুব ভালোলাগছিল। ওরা সবাই তাদের শৈলেন স্যারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিল।
এমন একটি সুন্দর অনুষ্ঠানে 'প্রতাপ' সাহিত্য পত্রিকার পক্ষ থেকে শৈলেন আমাকে গুণীজন সম্মান জানায় সেদিন। 
ছোটরা যখন বড়দের ভালোবেসে আদরে শ্রদ্ধায় সম্মান জানায়- এ যে বড় প্রাপ্তি!! 
আমি সম্মানের গুরুভার নিয়ে আনন্দিত রে শৈলেন।
আমার দ্বারা যদি তোদের লেখাভুবনে কোনও কাজ হয়- জানাস। আমি সহযোগিতায় আছি।
আজকাল মনভোলা হয়েছি তাই একটু মনে করিয়ে দিস...
প্রতাপের ১৯তম সংখ্যার সম্পাদকীয় খুব ভালো হয়েছে শৈলেন।
মে মাস শহিদের মাস, আমাদের গর্বের মাস, নিজেদের ফিরে দেখার দিন আর এমনদিনে একটি বাংলা পত্রিকা প্রকাশ তো বাংলাভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।
প্রার্থনা রাখি- প্রতাপের বহুদূর যাত্রা আলোকিত হোক। তরুণ প্রজন্ম খুঁজে পাক স্বপ্নের লেখাভুবন।

সবাই শুদ্ধভাবে বাংলা বলুক, লিখুক এবং মাতৃভাষা বাংলার জন্য মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখুক।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত ।

প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক আন্তরিক বহিঃপ্রকাশ। “সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস” এই পরিচয়ের যথার্থতা সংখ্যাটির সম্পাদকীয়, বিষয় নির্বাচন এবং লেখকদের বহুমাত্রিক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।এই সংখ্যার সম্পাদকীয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বৈশাখের নবজাগরণ, পঁচিশে বৈশাখের সৃজনপ্রেরণা এবং উনিশে মে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ—এই তিনটি আবেগকে একসূত্রে গেঁথে সম্পাদক যে ভাবনার পরিসর তৈরি করেছেন, তা শুধু আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাবার্তা হয়ে থাকেনি; বরং এক ধরনের সাংস্কৃতিক অবস্থানও প্রকাশ করেছে। সম্পাদকীয়ের ভাষা সহজ, আন্তরিক এবং.আবেগময়।

অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে শৈলেন দাসের প্রতাপের পথচলা মূলত একজন সাহিত্যকর্মীর আত্মসংগ্রামের দলিল, বরাকের প্রান্তিক সাহিত্যচর্চার ভেতরের বাস্তবতা, অবহেলা, সংকট ও আত্মমর্যাদার লড়াইয়ের এক আন্তরিক আত্মকথন। সম্পাদক অকপ্ট স্বীকারোক্তিমূলক ভঙ্গিতে সেই পথচলার কথা বলেছেন। লেখক কোথাও নিজেকে নিখুঁত প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি; বরং নিজের সীমাবদ্ধতা, আর্থিক দুর্বলতা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং মানসিক আঘাতগুলোও খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেছেন। ফলে লেখাটি পাঠকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, “সম্পাদক পরিচয়ের আড়ালে লেখকসত্তার অস্বীকৃতি” প্রসঙ্গটি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এসেছে। সাহিত্যজগতের অন্তর্গত নীরব প্রতিযোগিতা, স্বার্থ, গোষ্ঠীবাদ এবং সামাজিক স্বীকৃতির রাজনীতিকে লেখক সরাসরি আক্রমণ না করেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছেন।

লেখাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এখানে “প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস হিসেবে উঠে এসেছে। বিশেষ করে কৈবর্ত সমাজের নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করার যে লক্ষ্য, তা লেখাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। প্রান্তিক সমাজের তরুণদের লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত করার এই প্রয়াস নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিসরে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে লেখাটির কিছু জায়গায় ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও অভিমান দীর্ঘ হয়ে গেছে বলে মনে হতে পারে। কয়েকটি অনুচ্ছেদে একই ধরনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি আছে, যা কিছুটা সংযত হলে লেখার গতি আরও দৃঢ় হতে পারত। তবু সেই আবেগকে পুরোপুরি দুর্বলতা বলা যায় না, কারণ সেটিই লেখাটিকে জীবন্ত ও মানবিক করেছে।


অনলাইন সংস্করণ চালুর প্রসঙ্গ এবং লেখকদের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত আরোপের বিষয়টি সময়োপযোগী। এখানে সম্পাদক হিসেবে শৈলেন দাসের বাস্তববাদী মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তিনি বুঝেছেন, বর্তমান সময়ে সাহিত্যচর্চা শুধু ছাপার পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; প্রচার, পাঠকসংযোগ এবং ডিজিটাল উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে বলা যায়, এই লেখাটি একজন মানুষের হার না মানা মানসিকতার দলিল। প্রতিবন্ধকতার বর্ণনার মধ্যেও লেখক হতাশায় ডুবে যাননি; বরং আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎ প্রত্যয়ের জায়গা ধরে রেখেছেন। তাই “প্রতাপের পথচলা” শুধু একটি পত্রিকার গল্প নয়, বরং বরাকের বিকল্প সাহিত্যচর্চার এক সংগ্রামী ইতিহাসের আখ্যান।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫০





                উনিশ প্রতিদিন

       । সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় ।

প্রতিদিন ঈশানের বাংলা মায়ের কান্না শুনি

কখনও উত্তাল কখনও কুলুকুলু ধ্বনি,

এ যেন সন্তানহারা কোল খালি করা

এক মায়ের অব‍্যক্ত কান্নার অস্ফূট বাণী। 

পুরো কবিতাটি পড়ুন


অনন্ত অক্ষরে অগ্নিস্মৃতি

। মধুমিতা দত্ত ।

মাতৃভাষা প্রতিটি মানুষের আবেগ-অনুভূতি প্রকাশের প্রথম মাধ্যম, তার অস্তিত্ব, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের গভীরতম ভিত্তি। বিশ্বের ইতিহাসের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনের ফলে বহু সময়েই মানুষ তার মাতৃভাষা চর্চার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাই এই বঞ্চনার ইতিহাস যেমন দীর্ঘ, তেমনি তার সমান্তরালে রচিত হয়েছে প্রতিবাদের ইতিহাস, স্পর্ধার ইতিহাস, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃপ্তভাবে রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস। এই সংগ্রামের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হল উনিশে মে, যা বরাকবাসী তথা সমগ্র বাঙালি সমাজের চিন্তন ও মননে আজও গভীরভাবে প্রোথিত। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


          পরাণের শব্দ তুলে যাঁরা

             । অপাংশু দেবনাথ ।

বেদি বেয়ে নামে কার রক্ত! আয় বৃষ্টি, ধুয়ে

নিয়ে যা, নিষ্ঠুর এই পাপ, ভেসে যাক জলে।

এতো কান্না হাওয়ায় ভাসে ফিরে আসে তবু

পুষ্প নিয়ে হাতে বলো রাখি কোন্ বেদিমূলে?

রক্তচিহ্ন লেগে আছে দেখো আমাদের মুখের ভাষায়।

পুরো কবিতাটি পড়ুন


১৯শে মে : একাদশ ভাষা শহিদের রক্তস্নাত এক পবিত্র দিন

। দীপক সেনগুপ্ত ।

১৯৬১ সালের ১৯শে মে তারিখে দক্ষিণ আসামের শিলচর রেলস্টেশনে পুলিশের গুলিতে এগারো জন ভাষা সৈনিক আত্মবলিদান করে শহিদ হয়েছিলেন। ১৯৬০ সালের আসাম রাজ্যের ভাষা আইনের বিরোধিতায় এই আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। উল্লেখিত আইনে অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যে মাধ্যমিক পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। বহুভাষিক আসামে ভাষাশিক্ষা নিজের পছন্দের হওয়া উচিত। অন্য কোনো ভাষার সঙ্গে সংঘাতে নয়, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার এই লড়াই সব ভাষিক, এমনকি উদার অসমীয়া ভাষিক গোষ্ঠীরও সমর্থন পেয়েছিল।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


             ১৯শে মে

         । রাখী দাস ।

রক্তে লেখা এক ইতিহাস,

ভাষার টানে জাগে বিশ্বাস।

মায়ের মুখের বাংলা ভাষা,

ছিল সবার হৃদয়-আশা।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রতাপ এর কথা

।। মঞ্জরী হীরামণি রায় ।। শৈলেন দাস বরাক উপত্যকার সাহিত্য চর্চায় এক পরিচিত নাম। শৈলেনের কবিতা আমি প্রথম ওঁর কন্ঠেই পাঠ শুনেছিলাম শনবিলে একটি...