
নববর্ষ
উদযাপন বাঙালী সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ। তাই বাংলা সাহিত্যে নববর্ষ একটি বিশেষ জায়গা
করে নিয়েছে। প্রচুর গল্প, কবিতা রচিত হয়েছে নববর্ষকে উপলক্ষ করে। আমাদের এই সংখ্যাটি
এরই একটি সংযোজন। নববর্ষের আলোয় সবার জীবনের সকল অনুভূতি সত্য হোক। -শৈলেন দাস
প্রতিজ্ঞা
। ছন্দা দাম ।
নতুন প্রভাতের অরুণ আলো প্রাণবায়ু ভরে যায় হৃদঅলিন্দেনব নব স্বপনে মননে গোপনে, নব ইচ্ছেরা সতত সুর সাধে।
কত ব্যর্থ আশা, জমাট দূরাশা গুমরে গুমরে মরে অবচেতনে..
কত ব্যর্থ আশা, জমাট দূরাশা গুমরে গুমরে মরে অবচেতনে..
চায় মেলতে ডানা, ঝাপটায় দোটানা, তবু সাহসী মন না মানে।।
। রাহুল দাস ।
পহেলা বৈশাখ
বড় আনন্দের দিন
চৈত্র শেষে আসে।
নব রঙে, নব উদ্যমে,
খুশির ডঙ্কা বাজে।
পুরো কবিতা পড়ুন ❤
নববর্ষের বার্তা
। প্রণীতা দাস ।
যুদ্ধের পাখি -২
। কিশোর রঞ্জন দে।
কথা ছিল ১৪৩১এর প্রথম রবিবারে
গুটিগুটি পায়ে জানালা খুললেই
নাকে আসবে গন্ধরাজের তুমুল বাতাস।
'ভারতবর্ষের শাশ্বত প্রাণ-বীণা' ঢুকবে কানে,
পুরো কবিতা পড়ুন ❤
। পায়েলিয়া চক্রবর্তী ।
নতুন বছর নিয়ে আসুক সবার মনে,
এক মুঠো নতুন আশা।
ঐ পথভুলা পাগল গ্রেমিকের মনে নতুন বছর
ফিরিয়ে আনুক তার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা।
ফিরিয়ে আনুক তার হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা।
পুরো কবিতা পড়ুন ❤
। সুস্মিতা অধিকারী ।
গভীর আলোয় চির নতুন বৈশাখী প্রভাত
চিহ্ন রেখে যাক তবে সুখপাখিটার।
মনের কোণে যত আবছা স্মৃতি মুছে যাক শেষের পথে
জাপটে ধরে থাক তবে তীব্রতর চির নতুনের উত্তরাশা।
। সুস্মিতা অধিকারী ।
গভীর আলোয় চির নতুন বৈশাখী প্রভাত
চিহ্ন রেখে যাক তবে সুখপাখিটার।
মনের কোণে যত আবছা স্মৃতি মুছে যাক শেষের পথে
জাপটে ধরে থাক তবে তীব্রতর চির নতুনের উত্তরাশা।






দারুন লাগলো কবিতাটি স্যার।
উত্তরমুছুনকোন কবিতাটি?
মুছুন