ড. কাত্যায়নী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ড. কাত্যায়নী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

প্রতাপ : অনলাইন-৫১




শঙ্করদেব .... কৈবর্ত সমাজ এবং সতী রাধিকা

। জিতুল দাস ।

মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শঙ্করদেব অসমের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। সর্বগুণসম্পন্ন এই গুরুজন তাঁর প্রজ্ঞার আলোক দিয়ে অসমের সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতিকে এক অনন্য রূপ দান করে গিয়েছেন। শঙ্করদেব মানবজাতির সার্বিক উন্নতির জন্য একশরণ নামক দর্শনের প্রচার করেন, যার মূল কথা হল “এক পরম সত্তার কাছে আত্মসমর্পণ”। যদিও একশরণের ধারণা ভারতের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ বেদেই নিহিত ছিল, তথাপি শঙ্করদেবই প্রথম বাস্তবভাবে এই নীতির প্রবর্তন করেন। তিনি এই ধারণা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে গ্রহণ করেছিলেন।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষকতা: বর্তমান পরিস্থিতির সাময়িক অবলোকন

। ড. কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

আমি একজন মাস্টারমশাই। আমার প্রধান কাজ শিক্ষকতা। আমি আমার পেশা নিজে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছি, আর যাকে বলে “নেশাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করো”, আমার পেশাগত জীবনে এই প্রবচন একদম অক্ষরে অক্ষরে সত্য। শিক্ষক, শিক্ষা, শিক্ষা-ব্যবস্থা ও তার চারপাশে ঘিরে থাকা অগণিত ছাত্র-ছাত্রী, আমাদের যাত্রাপথটা কিন্তু সুগম নয় একেবারেই। আমাদের এক ব্যাগ সমস্যা। আমার কলমের স্বাধীনতা আছে, আমি লিখতেই পারি। পাঠকগণের কাছে মনের কথা, অনুভব, অভাব, অনুযোগ, অভিযোগ সব পৌঁছে দেওয়াতেই সার্থকতা, যদি কোনো সুরাহা বেরিয়ে আসে।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


মিড ডে মিল

। মেঘমালা দে মহন্ত ।

ছেলেকে আজ গাছে বেঁধে পিটিয়েছে রহিমা। তাতেও রাগ পড়েনি। উঠোনের কোণে পড়ে থাকা একটা আম-পিঁপড়ের খোল ভেঙে দিয়েছে ছেলের মাথায়। মুহূর্তে লাল পিঁপড়েগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে কামড়াতে শুরু করতেই বীভৎস চিৎকারে কেঁপে উঠেছিল চারদিক। মাথা-মুখ ফুলে উঠছিল রমজানের।রহিমার চোখে তখন আর কিছু ধরা পড়ছিল না। বুকের ভেতর শুধু আগুন জ্বলছিল।

এইটে আবার ফেল!

দুই বছর ধরে একই ক্লাসে পড়ে আছে ছেলে। অথচ এই ছেলেটাকেই এক সময় স্কুলের মাস্টাররা “হীরার টুকরা” বলত।  পুরো গল্পটি পড়ুন


বাল্যবন্ধু

। মৌসুমী চক্রবর্তী ।

‘বাল্যবন্ধু’ এই শব্দটি আমাদের জীবনে এক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই শব্দটির মধ্যে কী এক অদ্ভুত সুন্দর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে, তা হয়তো আমরা সবসময় বুঝিয়ে দিতে পারি না, কিন্তু এক আবেগঘন ছোঁয়া আজীবন থেকে যায়। এই বন্ধুত্বের গোড়াপত্তন হয় তখন, যখন আমরা বন্ধু ও বন্ধুত্ব সম্পর্কে সব রকম জটিল তত্ত্ব সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকি।

সেই সময় আমাদের মনে না থাকে কোনো প্রকার সম্মান-অসম্মানের মাপকাঠি, না থাকে সামাজিক স্ট্যাটাস নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ, না থাকে নিজেকে সাংঘাতিক কেউকেটা হিসেবে জাহির করার অপ্রাণ চেষ্টা, বা দুষ্চেষ্টা বলতেও পারেন। এই সময়ের বন্ধুরা যেন ঠিক মেঘহীন নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো একঝাঁক সুন্দর বলাকা।  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


                        কলমের আত্মকথা

                      । সোনালী গোস্বামী ।

কলম আমি বলপয়েন্ট ও ফাউন্টেনে অক্ষর সাজাই,
ক্যাপ, ক্লিপ, ব্যারেল, রিফিল অংশে নিজেকে জড়াই।

কত ইতিহাস লিখেছি সেজে খাগের কলমে,
দোয়াত-কলম হয়ে রচেছি ভাগ্যবিধাতার নিয়মে।

পালকের কলম, শেফার্ড কলমে ধরি নাম আমি কত,
সফলতার সিঁড়ি চড়েছে মানুষ, যত্নে ধরেছে আমাকে যত।

পুরো কবিতাটি পড়ুন

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

প্রতাপ : অনলাইন-৩৭

গল্পের পিরামিড

। শাশ্বতী পুরকায়স্থ (চৌধুরী) ।

 মনের ক্যাম্পাসের করিডরে আত্মহত্যা করছে, এক রং তুলির ফেস্টুন। ফুলকারীরা তখন আবছায়ার মাঝে- অসংযত মেঘেদের লুকোচুরি খেলায় '-চাঁদ'একা,কিছু ক্ষতবিক্ষত চুরমার ইচ্ছেরা ইমারত গড়ে নির্দ্বিধায় অথচ,মুহূর্তের কারচুপি গুলু ফাঁকতালে পরে থাকে।  পুরো গদ্য কবিতাটি পড়ুন


আশা 

। শিপ্রা দাশ ।

    এক অতি সাধারণ গরিব পরিবারের মেয়ে আশা। আরও পাঁচ পাঁচটা মেয়ের মতনই অনেক স্বপ্ন ছিল আশার জীবনে। সেই স্বপ্ন পূরণ হবার আগেই,গরিব বাবা পাঠশালার গণ্ডি পেরুতে না পেরুতেই বিয়ে দিয়ে দেন। সেও বাধ্য হয়ে সেই বিয়েকে মেনে নেয়। আশা স্বপ্নের জাল বুনতে বুনতেই শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশ করে। স্বামী নিতান্তই ছোটখাটো কাজ করেই সংসারের হাল টানে। রোজকার অভাব অনটনের মধ্য দিয়েই চলতো তাদের সংসার।  পুরো গল্পটি পড়ুন


ফিরে দেখা ২০২৫ 

। মীনাক্ষী নাথ ।

বছরটি নয় শুধু ৩৬৫ দিনের সমষ্টি 
বিশেষ অভিজ্ঞতার যেন এক প্রতিকৃতি। 
এপ্রিলে পাহালগাম হত্যাকাণ্ড হয় যদি ক্রিয়া, 
মে তে অপারেশন সিন্দুর তারই প্রতিক্রিয়া।।

স্মার‌্যকথা

। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।

কথা রা হারিয়ে যায় কথাদের ভীড়ে,
চেনা কন্ঠস্বরে বৃষ্টিস্নাত হয় প্রকৃতি অমানিশার ঘোরে।
নীরবতার নিঠুর সুরে উচ্ছাস উঠে শান্ত সরিৎ এর বুক জুড়ে,
চেনা মুখগুলো আজ বড্ড অচেনা কুহকিনী নীড়ে।
পুরো কবিতাটি পড়ুন


টুকরো বনের গল্প

। ড. কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

    জেন জি ও জেন আলফার সাথে আমাদের মিলিনিয়েলাদের বিস্তর ফারাক। কিন্তু ছেলেমেয়েদের টিচার গাইড হওয়ার সুবাদে এই ব্যবধান তো অতিক্রম করতেই হয়, দূরত্ব বেশি হলে মনের ঠিক কাছাকাছি পৌঁছনো যায় না। এইতো কিছুদিন আগের কথা, তখনো এই দফার পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যায়গুলো পড়ানো হয় নি। একজন জেন জি বললেন, " ম্যাডাম তুমি কান্তারা (সিনেমা) দেখেছো? কী অ্যানিমেশন দিয়েছে দেখার মতো!" আমার আগ্রহ হলো, জানতে চাইলাম, " এই সো কলড্ অ্যানিমেশন ছাড়া আর কী দেখলি?"  পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন


সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

প্রতাপ : অনলাইন-২৫


     মেঘলা আকাশ 

         । অপর্ণা কুমার ।

     ঝড়ের শেষে দুপুর দেশে

     লালন বুকে পলাশ চোখে, 

     মনের ভেতর মেঘের হাওয়া বয়

     প্রিয় তোমার কিসের এত ভয়। 

     Continue reading...



     মৃত্যুর ওপারে

     । ড. কাত্যায়নী দত্ত চৌধুরী ।

আমি কোনোদিন জীবাশ্ম হতে চেয়েছি।

জন্মের ওপারে, মৃত্যুর ওপারে 

চিতা-ভস্ম-হাড়-গোড় ঠেলে দিচ্ছি ভূগর্ভে,

আরো নীচে - আরো গভীরে,

যেখানে জীবাণুর জনপদ নেই, কেউ নেই,

আমার অবশিষ্টাংশের সাথে আমি একা ও অভিন্ন

Continue reading...



      দেখা হবে না

           । সুস্মিতা দাস ।

মরা গাছটাতেও নতুন পাতা জন্মাবে 

পাড়ার সবচেয়ে বখাটে ছেলেটাও বদলে যাবে ,

অগোছালো ছেলেটাকেও

কেউ ভালোবেসে আপন করে নেবে 

কিন্তু, আমাদের আর দেখা হবে না ।




      আছে আলো সেই পাড়ে

                    । রুনা পাল।

      নিভে গেলে দীপের শিখা 

      হয় না সব কিছু শেষ,

      তিমির ছুঁয়ে ওঠে আবার 

      প্রভাতের এক চিরন্তন আবেশ।





  হঠাৎ দেখা

। দীপান্বিতা ভট্টাচার্য ।

এক যুগ পর আবার হঠাৎ দেখা ট্রেনের কামরায়,

কেনো জানি না

আজ ডুবতে ইচ্ছে করছে উল্টোমুখী হাওয়ায়!

মনে হচ্ছে মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞেস করবো...

কেমন আছো?

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

“প্রতাপ” কেবল একটি সাহিত্যপত্রিকা নয়, বরং একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রয়াস

। মেঘমালা দে মহন্ত । প্রতাপ’-এর উনিশতম মুদ্রিত সংখ্যা শুধু একটি সাহিত্যপত্রিকার নতুন প্রকাশ নয়, বরং বরাকের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাষাচেতনা এবং স...