বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতাপ : ১৫তম মুদ্রিত সংখ্যা




          দূরত্বের নির্জনতা

            । চন্দ্রিমা দত্ত ।

সবকিছুর সাথে দূরত্ব বেড়ে গেলে 
বুঝি, কোনও এক ঝড়োরাত্রি আসন্ন- 
মনে হয় যে ক্ষত শুশ্রুষাযোগ্য নয় 
তারজন্য অকারণ চিন্তা কেন? 
সবার জন্য আরোগ্যনিকেতন নয় 
আনন্দনিকেতনও নয়...


               কবিতা

    । আদিমা মজুমদার ।
 
কবিতা আমার মায়ের মুখ
বাবার শাসন,
কই যাসবড় হয়ে গেছিস বুঝি?
কবিতা আমার চাতালের ধান
সোনালি ধানে শালিকের খুনসুটি।
পুরো কবিতাটি পড়ুন



প্রতিভার আলোক শিখা

 সপ্তমিতা নাথ ।

শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছিল সেদিন মেয়েটি। সবে মাধ্যমিকের ফলাফল বেরিয়েছে। এই উষ্ণ অভ্যর্থনার উষ্ণতা সহ্য করে উঠতে পারে নাই বিশেষ করে চোখ দুটিরক্তিম ঝলসানো চোখে ভেসে উঠেছিল অতীতের ছেঁড়াফাটাভাঙ্গা কালো পর্দার স্মৃতি। গোটা উপত্যকার ছোট বড় সংগঠন ব্যক্তি বিশেষ আজ প্রতিভার পাশে দাঁড়াতে চায়। কিন্তু  প্রতিভা  কি চায়প্রতিভার কী চাওয়া উচিত বা অনুচিত সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আত্মবিশ্বাসটুকু গড়ে ওঠার আগেই দুমড়ে মুছড়ে ভেঙ্গে দিয়েছিল তার শৈশব।   পুরো গল্পটি পড়ুন



       এক নতুন সকাল

     । সুলতা রানি দাস 
 
আমরা দেখেছিলাম এক নতুন সকাল
দেখেছিলাম  এক নতুন রবি
 বুকের মধ্যে রক্ত নিয়ে
লড়েছিলাম স্বাধীনতার লড়াই



অবস্থান

। শর্মিলী দেব কানুনগো ।

-- বৌদি এই ক্রিমটা আমারেও একটা আনিয়া দিও…  নমিতার কথায় গা পিততি জ্বলে উঠে বিথির। এই এক সমস্যা হয়েছে এখন। বিথির যা আছে সব নমিতারও চাই। আশ্চর্য… নিজের ওজন বুঝে চলতে পারে না মেয়েটা। মুখে অবশ্য নমিতাকে কিছু বলে না সে। না বলার কারণ আছে। নমিতাকে কেন্দ্র করেই সকাল থেকে বিকেল আর বিকেল গড়িয়ে রাত নামে বিথির বাড়িতে। দুই হাতে বিথির সংসার সামলায় নমিতা। একদিন নমিতা কাজ কামাই করলে বিথি চোখে অন্ধকার দেখে।  পুরো গল্পটি পড়ুন



        দোকানদার

      । মুজিব ইরম 
 
খুলে রাখি টংঘর মুদির দোকান
আমাদের গ্রামে
বসে থাকি
তেপথী পথের মোড়ে
চেয়ে চেয়ে দেখি
ফুটে থাকে জারুল হিজল
ধানগাছ গর্ভবতী হয়
                                                                   পুরো কবিতাটি পড়ুন


খাদ্যই মূখ্য কবিতা ছাড়

 আরিফুল ইসলাম 

অথচ,
তিনি বললেন,
আমাকে একবেলা খাবার দাও
আমি তোমাকে
এক ফর্মা কবিতা দেবো ।


বিড়ালের রাস্তা অতিক্রম করা অমঙ্গল কেন?

। যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস ।

বিড়াল রাস্তা কাটলে গাড়ির চালক কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে, তারপর যায় কেন? এমনকি মানুষ হেঁটে যাচ্ছে এমন সময়ও বিড়াল রাস্তা কাটলে মানুষ দাঁড়িয়ে পড়ে কেন? এর কারণ কি? এই প্রথা অনেক পুরনো। সেই কোন যুগ থেকে চলে আসছে। এর পিছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তি কি?  পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন


বসন্তের ভাললাগা

। শৈলেন দাস ।

ভরদুপুরে প্রায় দেড় ঘন্টা ড্রাইভ করার পর ব্লকের রাস্তা অতিক্রম করে একটি কালো রংয়ের ফোর'হুইলার এসে থামলো গ্রামের শেষ প্রান্তে। গ্রামটির নাম সন্তোষপুর। ধীর পায়ে গাড়ি থেকে নামল সোহিনী। ঘাড় ঘুরিয়ে দুচোখ ভরে দেখল সবদিক তারপর কল করল মোবাইলে।  পুরো গল্পটি পড়ুন


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট

আকর্ষণীয় পোষ্ট

প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়

। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...