দূরত্বের নির্জনতা
কবিতা আমার মায়ের মুখ
বাবার শাসন,
কই যাস, বড় হয়ে গেছিস বুঝি?
কবিতা আমার চাতালের ধান
সোনালি ধানে শালিকের খুনসুটি।
শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছিল সেদিন মেয়েটি। সবে মাধ্যমিকের ফলাফল বেরিয়েছে। এই উষ্ণ অভ্যর্থনার উষ্ণতা সহ্য করে উঠতে পারে নাই , বিশেষ করে চোখ দুটি, রক্তিম ঝলসানো চোখে ভেসে উঠেছিল অতীতের ছেঁড়া, ফাটা, ভাঙ্গা কালো পর্দার স্মৃতি। গোটা উপত্যকার ছোট বড় সংগঠন ব্যক্তি বিশেষ আজ প্রতিভার পাশে দাঁড়াতে চায়। কিন্তু প্রতিভা কি চায়? প্রতিভার কী চাওয়া উচিত বা অনুচিত সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আত্মবিশ্বাসটুকু গড়ে ওঠার আগেই দুমড়ে মুছড়ে ভেঙ্গে দিয়েছিল তার শৈশব। পুরো গল্পটি পড়ুন
আমরা দেখেছিলাম এক নতুন সকাল
দেখেছিলাম এক নতুন রবি
বুকের মধ্যে রক্ত নিয়ে
লড়েছিলাম স্বাধীনতার লড়াই।
-- বৌদি এই ক্রিমটা আমারেও একটা আনিয়া দিও… । নমিতার কথায় গা পিততি জ্বলে উঠে বিথির। এই এক সমস্যা হয়েছে এখন। বিথির যা আছে সব নমিতারও চাই। আশ্চর্য… নিজের ওজন বুঝে চলতে পারে না মেয়েটা। মুখে অবশ্য নমিতাকে কিছু বলে না সে। না বলার কারণ আছে। নমিতাকে কেন্দ্র করেই সকাল থেকে বিকেল আর বিকেল গড়িয়ে রাত নামে বিথির বাড়িতে। দুই হাতে বিথির সংসার সামলায় নমিতা। একদিন নমিতা কাজ কামাই করলে বিথি চোখে অন্ধকার দেখে। পুরো গল্পটি পড়ুন
খুলে রাখি টংঘর মুদির দোকান
আমাদের গ্রামে…
বসে থাকি
তেপথী পথের মোড়ে
চেয়ে চেয়ে দেখি
ফুটে থাকে জারুল হিজল
ধানগাছ গর্ভবতী হয়
অথচ,
তিনি বললেন,
আমাকে একবেলা খাবার দাও
আমি তোমাকে
এক ফর্মা কবিতা দেবো ।









কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন