। মমতা চক্রবর্তী ।
"প্রতাপ" পত্রিকার আত্মপ্রকাশের মূলে রয়েছে প্রান্তিকায়িত হৃদয়ের স্পর্ধিত উচ্চারণ। ২০১২ সালের ৩০শে ডিসেম্বর এক টগবগে তরুণের দূরদর্শী চিন্তা-চেতনা ও স্বপ্ন নিয়ে "প্রতাপ"-এর জন্ম।
"প্রতাপ": সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস কোনো একক স্বপ্ন বা আশার প্রতীক নয়, বরং অদম্য, প্রতিস্পর্ধী সামূহিক উচ্চারণের নাম।
প্রায় পনেরো বছরের নিরন্তর পথচলায় সমাজ ও সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য উজ্জ্বল কবি-সম্পাদক শৈলেন দাসের "প্রতাপ"।
"প্রতাপ"-এর আত্মপ্রকাশের মূলে প্রান্তিকায়িত সমাজ ও নবীন লেখকদের প্রাধান্য দেওয়ার কথা ঘোষিত হলেও ক্রমে বিস্তৃত পরিসরে পরিব্যাপ্ত আমাদের সবার প্রিয় সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস "প্রতাপ"; আর এখানেই বাস্তববোধসম্পন্ন, লড়াকু, হার না মানা সম্পাদক শৈলেন দাসের কৃতিত্ব।
"প্রতাপ" পত্রিকার মধ্য দিয়ে সম্পাদক একদিকে যেমন প্রবীণ, প্রতিষ্ঠিত, জনপ্রিয় লেখকদের সঙ্গে নবীন লেখকদের সৃষ্টিকে তুলে ধরেছেন পরম যত্নে ও মমতায়, তেমনি নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ এবং আঞ্চলিক ও বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন ঘটনা-পরম্পরা সম্পর্কে আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছেন।
সম্পাদকের অনমনীয় এবং অপরিসীম পরিশ্রমের ফলে "প্রতাপ" আজ সাহিত্যক্ষেত্রে একটি জনপ্রিয় নাম। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমা অতিক্রম করে "প্রতাপ"-এর জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক "বসুধৈব কুটুম্বকম"-এর চেতনা নিয়ে...
অনলাইন ও মুদ্রিত সংখ্যার যুগলবন্দিতে মানুষের প্রাণের ভাষা সমুজ্জ্বল হয়ে উঠুক "প্রতাপ"-এর প্রতিটি পাতায়।
"আমরা বিশ্বাস করি, আগামী দিনেও আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে, আরও বিস্তৃত পরিসরে, আরও গভীর অনুভব নিয়ে। ... আমরা এগিয়ে যেতে চাই নতুন স্বপ্নের পথে ..."
(প্রতাপ: ১৯তম মুদ্রিত সংখ্যার সম্পাদকীয় থেকে নেওয়া)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন