মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ; প্রথম খণ্ড
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৯
শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৮
শুনছো
আজ তোমার কথা খুব মনে পড়ছে...
জানো মা----
রাজার হট্টহাসি,কোটালের চোখ রাঙানো
বড়ো অসহায় করে তোলে পুরো কবিতা পড়ুন
ঘুড়ি উৎসব
। প্রমিলা দাস ।
ফাগুনের পবনে ডাকে সারাক্ষণ।
হারানো ছেলেবেলা
পুনঃ শনবিলে দিল দেখা।
। আদিমা মজুমদার ।
মৃত্যু যে এত সুন্দর হতে পারে, জানতাম না।
জুবিন, তুমি দেখিয়ে দিয়েছো
জীবিত জুবিন থেকে মৃত জুবিন কত শক্তিশালী, কত মহান।
বিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করতে মাঠে নামায়, বর্বরতা নিষ্ঠুরতা তোমাকে কাঁদায়।
পুরো কবিতা পড়ুন
শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৭
। শাশ্বতী পুরকায়স্থ (চৌধুরী) ।
মনের ক্যাম্পাসের করিডরে আত্মহত্যা করছে, এক রং তুলির ফেস্টুন। ফুলকারীরা তখন আবছায়ার মাঝে- অসংযত মেঘেদের লুকোচুরি খেলায় '-চাঁদ'একা,কিছু ক্ষতবিক্ষত চুরমার ইচ্ছেরা ইমারত গড়ে নির্দ্বিধায় অথচ,মুহূর্তের কারচুপি গুলু ফাঁকতালে পরে থাকে। পুরো গদ্য কবিতাটি পড়ুন
। শিপ্রা দাশ ।
এক অতি সাধারণ গরিব পরিবারের মেয়ে আশা। আরও পাঁচ পাঁচটা মেয়ের মতনই অনেক স্বপ্ন ছিল আশার জীবনে। সেই স্বপ্ন পূরণ হবার আগেই,গরিব বাবা পাঠশালার গণ্ডি পেরুতে না পেরুতেই বিয়ে দিয়ে দেন। সেও বাধ্য হয়ে সেই বিয়েকে মেনে নেয়। আশা স্বপ্নের জাল বুনতে বুনতেই শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশ করে। স্বামী নিতান্তই ছোটখাটো কাজ করেই সংসারের হাল টানে। রোজকার অভাব অনটনের মধ্য দিয়েই চলতো তাদের সংসার। পুরো গল্পটি পড়ুন
স্মার্যকথা
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
চেনা কন্ঠস্বরে বৃষ্টিস্নাত হয় প্রকৃতি অমানিশার ঘোরে।
নীরবতার নিঠুর সুরে উচ্ছাস উঠে শান্ত সরিৎ এর বুক জুড়ে,
চেনা মুখগুলো আজ বড্ড অচেনা কুহকিনী নীড়ে।
পুরো কবিতাটি পড়ুন
রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৬
তোমাতেই থাকতে চাই
। সুমন দাস ।
তোমার চোখের ভেতর আমি
একটা ছোট্ট ঘর বানাতে চাই,
যেখানে সকাল হবে তোমার পলকে,
রাত হবে শুধু তোমার নিঃশ্বাসে।
। দেবতোষ নাথ ।
বৈচিত্র্যেভরা এই পৃথিবীতে পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সৃষ্টির পর মুহূর্ত থেকেই এই প্রক্রিয়া চালু হয়ে গেছে। পৃথিবীতে মানবরূপী জীবের আবির্ভাবের পর এই প্রক্রিয়া আরো দ্রুততর হতে থাকলো। আর বিংশ শতকের মধ্যভাগ থেকেই পৃথিবী যেন সম্পূর্ণ পাল্টে গেল। প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে সাথে পাল্টে যেতে থাকলো মানুষের মানসিকতা, চিন্তা ভাবনা। নগরায়নের দ্রুত অগ্রগতিতে ধ্বংস হতে থাকলো প্রকৃতি, উদাও হয়ে যেতে থাকলো পল্লীর শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ। বিজ্ঞানের এই জয় জয়কারে একদিকে যেমন আজ গোটা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠোয় এসে গেলো, মানুষ সুখ-সুবিধে উপভোগের চূড়ান্ত পর্যায়ে যেমন পৌঁছে গেল, তেমনি প্রকৃতি ধ্বংস হওয়ার ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রচণ্ডভাবে ব্যাহত হলো, মানুষ ক্রমে যন্ত্রমানব হয়ে ওঠতে থাকলো। মনের আবেগ-উচ্ছ্বাস, প্রেম-ভালোবাসা হারিয়ে গেলো ঐশ্বর্যের বাহ্য আড়ম্বরের মধ্যে। পুরো প্রবন্ধটি পড়ুন
। প্রতীমরাজ ভট্টাচার্য ।
মানুষ জন্ম নেয় একা, কিন্তু বাঁচে ভালোবাসার ভেতর দিয়ে। পৃথিবীর ইতিহাস যত পুরোনো, ভালোবাসার গল্পও ততটাই চিরন্তন। সভ্যতার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ তার হৃদয়ের ভাষায়, তার স্পর্শে, তার চোখের নীরবতায় ভালোবাসার অর্থ খুঁজে এসেছে। কেউ তা খুঁজেছে দেবতার মধ্যে, কেউ প্রকৃতির, কেউ মানুষের মুখে। পুরো লেখাটি পড়ুন
। শৈলেন দাস ।
হে রাজন,
দ্বিতীয় রামপাল এবং তার মিত্রদের
অসম আক্রমণের বিরুদ্ধে
তোমার অসীম পরাক্রম এবং বীরত্ব
কৈবর্ত যোদ্ধাদের যেভাবে
উদ্বুদ্ধ এবং উত্তেজিত করেছিল
তাতে তোমার আত্মবিশ্বাস কি এতটাই
দৃঢ় এবং প্রগাঢ় হয়েছিল যে -
বধূবরণ
। আকাশ ধর ।
আজি রাজপ্রাসাদে বাজলো সানাই,
জয়ডঙ্কা কাশি।
মন্দিরা মৃদঙ্গ খোল,
বাজলো রাশি রাশি।।
বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৫
। পিয়ালী ঘোষ ।
শ্রীভূমি জেলার একটি ছোট্ট গ্রাম বারইগ্রাম নামক জায়গার একটি মধ্যবিত্ত পরিবার হচ্ছে দাস বাবুদের পরিবার। পরিবারে দাস বাবু অর্থাৎ গোপি দাস, উনার স্ত্রী রাধারানী আর দুই মেয়ে জ্যোতি ও আরতি। দাস বাবু এবং রাধারানীর প্রথম কন্যা সন্তান হচ্ছে জ্যোতি। ছোটবেলা থেকেই অনেক দুঃখ-কষ্ট, বঞ্চনার মধ্যে বড় হয়েছে এই দুই বোন। দাস বাবু খুব একটা বিশেষ টাকা উপার্জন করতেন না। চাষবাসের মাধ্যমে যা টাকা উপার্জন করতেন, তা দিয়ে খুব কষ্টে তাদের জীবন কাটতো। মা-বাবার পড়াশোনা নেই বলে কম কথা শুনতে হয়নি দুই বোনকে। আরতি খুব একটা পড়াশোনায় ভালো নয়, তবে জ্যোতি বেশ অনেকটাই মেধাবী ছিল। গান, নাচ, চিত্র আঁকা, রান্নাবান্না—কোন কিছুই তার অজানা ছিল না পড়াশোনার সাথে সাথে। এক কথায় বলতে গেলে সর্বগুণসম্পন্ন হচ্ছে জ্যোতি। পুরো গল্প পড়ুন
মাটির প্রদীপ
। পল্লব দে ।
।। প্রথম দৃশ্য ।।
মা - (বাচ্চাকে কোলে নিয়ে) ওলে .. ওলে .. সোনা মা আমার, আমার পাখি ! এখন আমার সোনা মোবাইলে গান শুনবে ।
(গান ধরেছেন)
"আমার সোনার ছোট্ট মোবাইল
শুনায় শুধু গল্প- গান
গানের তালে তাল মিলিয়ে
সোনা আহ্লাদে আটখান।
দেখা না যায় যে ঝলমল আলো না দেখা যায় মুখ,
তবুও সেথায় লুকায় হাজার রং এর সুখ।"
— আপনি কবি মানুষ,
আপনি যা লিখবেন, সেটাই সাজানো গোছানো হবে।
আমি ছোট্ট মানুষ,
আমি কি বা লিখতে পারি?
বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
এগিয়ে চলো পাশে আছে অগণিত কলম
। চান্দ্রেয়ী দেব ।
ঘুম ভাঙতেই জানালার পর্দা সরাতেই চোখে দাগ কাটে পরিষ্কার আকাশে ঝকঝকে নীল রং ছড়ানো। স্নিগ্ধ হাওয়ার পরশে প্রাণ ফিরে পায় কাশফুল প্রায় একটা বছর পার করার পর। হঠাৎ শরতের প্রাঙ্গণে এসে উপস্থিত হয় এক নির্ভেজাল সৃষ্টি। এই সৃষ্টির অভ্যন্তরে কবিতা এবং গল্পেরা ঠাঁই পেয়েছে অনাবিল কালের জন্য। অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্যই ঘামের বিন্দুরা মাথা উঁচু করে সকলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে আজ পরিচিত নামে পূজা সংখ্যা "প্রতাপ সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস" সম্পাদক শৈলেন দাসকে আমার শ্রদ্ধা এবং প্রণাম জানাই। কবিতা বিভাগের প্রতিটা কবিতাই মনছোঁয়া। যাদের লেখায় এই সংখ্যাটি প্রত্যেকের হৃদয় অবধি পৌঁছবেই তারা হলেন শর্মি দে, অনন্যা ভট্টাচার্য, সুচরিতা দাস, শতদল আচার্য, অর্পিতা দাস, অসিত চক্রবর্তী, সানি ভট্টাচার্য, মঙ্গলা দত্ত রিমি, সুজিতা দাস, অমলেন্দু চক্রবর্তী, স্বাতীলেখা রায়, শমিতা ভট্টাচার্য, আদিমা মজুমদার, শান্তশ্রী সোম, মাম্পী দাস, বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য, নীলাদ্রি ভট্টাচার্য, হরপ্রসাদ কর্মকার এবং শৈলেন দাস। গল্প বিভাগের তিনটি গল্প এবং একটি প্রবন্ধ পাঠকের মনে সমাদৃত হবে এই কথা দাবি রেখে বলতে পারি।
একটা বই জানেন কখন পড়তে ইচ্ছে হয় যখন প্রচ্ছদটা ডাক দেয় কারণে অকারণে। নির্দ্বিধায় বলছি পড়ন্ত দুপুরে ডাকবে আপনাকে বইয়ের শেলফ থেকে। এই অপূর্ব সুন্দর প্রচ্ছদের জন্য শিল্পী শ্রেয়ান দাসকে কুর্নিশ জানাই। কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ পড়ে অনবদ্য সৃষ্টিদের স্পর্শ করতে পেরেছি বলে আমি ধন্য। সাহিত্যের দরবারে প্রতাপ তুমি উজ্জ্বল মুখ। এভাবেই ভয়হীন হয়ে এগিয়ে চলো অগণিত কলম তোমার পাশে আছে।
https://pratapsomajosahitya.blogspot.com/2025/09/blog-post_28.html
প্রতাপ : বরাকের জল-বাতাস-মাটির প্রতিফলন যেখানে
। ডঃ পিংকি পুরকায়স্থ চন্দ্রানী ।
শরৎ আবারও এলো, সঙ্গে নিয়ে এলো প্রাণের মেয়ে উমাকে। সাদা মেঘের ভেলা নতুন দিল্লীর আকাশে, তবে মাঝে মাঝে কালো মেঘের ও লুকোচুরি। এই নিয়ে দশটি বছর , পূজোর সময়টায় আমার জন্ম শহর, বেড়ে ওঠার শহরের আকাশ বাতাস মাটি জলের স্পর্শ পাওয়া হয় না, মেয়েবেলায় ফিরে যাওয়া হয় না কিন্তু তা সত্বেও শিলচর এবং বরাক উপত্যকা থেকে প্রকাশিত পূজোসংখ্যাগুলো আমাকে পরিপূর্ণ করে রাখে। "প্রতাপঃ সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস" চিরদিনই আমার মনের খুব কাছের একটা লিটল মাগ্যাজিন। যে জলবহর , যে মাটি আমাকে দিনরাত চুম্বকের মতন আকর্ষণ করে, তারই প্রতিফলন ঘটে এর পাতায় পাতায়। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।
পূজোর ঠিক কদিন আগে আমরা হারিয়েছি আমাদের আসামের গর্ব, আমাদের প্রাণের শিল্পী জুবিনদাকে, তাই এই ঘোরতর বেদনার চোরাস্রোতের মধ্যেই দেবীকে আবাহন। আর সেই সময়টাতে প্রতাপের “জুবিন গর্গ স্মরণে বিশেষ সংখ্যা” আর “পূজা সংখ্যাঃ ১৪৩২” দুটো সংখ্যাই ছুঁয়ে গেছে আমার শারদ প্রহর।
আমি নিজে জুবিনদার বিশাল ভক্ত, একসময় আমার একটা ফেসবুক ফেন পেইজও ছিল, “Zubeen Garg: The Jewel of Assam”, নামে। ২০০৯-১০ সালেই যার ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ১২০০০। ২০১২ তে জুবিনদা নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ শুরু করার পর,নিজের ব্যস্ততার কারণে, আর মেসেজ বক্সে প্রতিদিন ফ্যানদের হাজার হাজার মেসেজের রিপ্লাই দেবার লোড থেকে মুক্ত হবার জন্যে আস্তে আস্তে নিজের পেজটাকে সরিয়ে ফেলি। ফ্যানদের ভালবাসা ,এবং ক্রেজ এডমিন হিসেবে অনুভব করেছি তখনই। ২০১৭ তে দিল্লীর “Northeast Calling” উৎসবে পেয়েছিলাম সরাসরি সাক্ষাত। দেখেছিলাম, তাঁকে ঘিরে জনসমুদ্রের উন্মাদনা। প্রতাপের পাতায় পাতায় যেন সেই ভালোবাসারই সুর।
জুবিন গর্গ স্মরণে বিশেষ সংখ্যা্র প্রতিটি লেখা অনবদ্য। রুমা দাসের “নদীর ঢেউ যে ছন্দ তোলে,মাঠের ঘাসে যে সুর দোলে,তার ভেতরেই তুমি ছিলে,জুবিন“,সুরজ কুমার নাথ “এমন তো কথা ছিল না জুবিন দা,মাঝপথে থেমে যাওয়া”, ড. অর্পিতা দাসের “জাতিহীন,ধর্মহীন,দেবতাহীন দিগন্তে—তিনি দাঁড়ালেন অনন্ত জনতার কণ্ঠস্বর হয়ে” প্রত্যেকটা লাইনেই হৃদয়ের অভিব্যক্তি।
প্রজ্ঞাদীপ্তা ভট্টাচার্যের কলমে জুবিন যেন ছবির মতনই আকার নেন, রিপন দাসের মায়ায় “চলে গেলে বহু দূর,রাজপুত্র সেজে” রাজাই তো ছিলেন জুবিন। মঙ্গলা দত্ত রিমির কথায় “নীলাম্বু সৈকতে আছড়ে পড়া লোনা জলের ঢেউটাও জানে জুবিন দা,আজও তোমার কন্ঠস্বরে সুনামির হিল্লোল”, চাঁদনী দাসের কথায়, “তোমার দেওয়া ভালোবাসা, সত্যিই আজও অসহায়”, পিয়ালী ঘোষের ভাষায় “যার গন্ধে শুধু আসাম নয় গোটা ভারত ছিল সুগন্ধিত, সুরের হাত ধরে রাজপথে এসেছিল এক নাম- জুবিন গর্গ”, সুজিতা দাসের কবিতা যেন জুবিনের কাছে সরাসরি চিঠি, কথকতা। রূপালী রায়ের কলমে বাস্তবের সুর, “জীবনে যে মানুষ জয় করতে পারে,তাঁর কোনো মৃত্যু নেই”, রাজন দাস, চয়ন ঘোষ , রাহুল দাসের কলমে প্রকাশ পেয়েছে জুবিনের বিশালতা ব্যপ্তি,অপর্ণা কুমার , মাধুরী দাস , অনুরাগ ভৌমিক, গোপেন্দ্র দাস ,সুরজ শুক্লবৈদ্যের কলমে ধ্বনিত বেদনার সুর। শেখর মালাকার, প্রিয়তোষ শর্মার লেখায় সব হারানোর পর আবার ফিরে পাওয়ার আর্তি,অনুরোধ ও কামনা।
প্রতাপের পূজো সংখ্যাটাও বরাবরের মতনই আকর্ষনীয়, যা সেজে ওঠেছে বরাকের বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিকদের গল্প-কবিতার আল্পনায়। বরাকের পূজোর গন্ধ ভেসে এসেছে আমার জানালায়, সুচরিতা দাস, অসিত চক্রবর্তী, সানি ভট্টাচার্য, মঙ্গলা দত্ত রিমি, সুজিতা দাস, অমলেন্দু চক্রবর্তী, রঞ্জন কুমার বনিক, আনওয়ারুল হক বড়ভূইয়া, সুস্মিতা দাসচৌধুরী, শমিতা ভট্টাচার্য, স্বাতীলেখা রায়, মমতা চক্রবর্তী, রাখী দাস, শিপ্রা দাস, গোপেন্দ্র দাস, শতদল আচার্য, সদয় দাস, রাহুল দাস, আদিমা মজুমদার, বিষ্ণুপদ দাস, রাণা চক্রবর্তী, অপর্ণা কুমার, মাম্পী দাস, রুমা দাস, কুসুম কলিতা, আব্দুল হালিম বড়ভূইয়া, অর্পিতা দাস, শর্মি দে, প্রমিলা দাস, নীলাদ্রী ভট্টাচার্য, বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য, সুরজ কুমার নাথ, হর প্রসাদ কর্মকার, মানসী সিনহা, শান্তশ্রী সোম, অনন্যা ভট্টাচার্য, শৈলেন দাস দাদার কবিতার হাত ধরে। পুষ্পিতা দাস, সৈকত মজুমদার, সত্যজিৎ নাথের লেখা তিনটি গল্প আর যোগেন্দ্র চন্দ্র দাসের কলমে প্রবন্ধ ছড়িয়ে দিয়ে গেছে অনাবিল ভালোলাগা, আর ছোট্ট শ্রেয়ানের আঁকা প্রচ্ছদটাও কি অপূর্ব। সব মিলিয়ে প্রতাপ আবারও অনন্য। অনেক অনেক শুভ কামনা এবং ভালোবাসা “প্রতাপঃ সমাজ ও সাহিত্যের প্রতিভাস” কে।
https://pratapsomajosahitya.blogspot.com/2025/09/blog-post_60.html
https://pratapsomajosahitya.blogspot.com/2025/09/blog-post_28.html
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
প্রতাপ : অনলাইন-৩৪
![]() |
| জুবিন গর্গ স্মরণে বিশেষ সংখ্যা |
মাঝপথে থেমে যাওয়া।
তোমার গানে গানে অনেক ছবি এঁকেছি প্রাণে,
এখন সে ছবিগুলো 'তাসের ঘর'......
তোমার সুরে সুরে ভোর হয়, বেঁচে থাকা হয়, ভালোবাসা হয়............ ।
পুরো কবিতা পড়ুন
মায়া
। রিপন দাস ।
দিনরাত্রি তোমার মধুর সুর,
মনে উঠে বেজে।
চলে গেলে বহু দূর,
রাজপুত্র সেজে।
। মঙ্গলা দত্ত রিমি ।
নীলাম্বু সৈকতে আছড়ে পড়া
আজও তোমার কন্ঠস্বরে সুনামির হিল্লোল
তুমি বড্ড প্রিয় জুবিন দা, বড্ড প্রিয়।
ভেঙে পড়া স্তম্ভের গায়েও লেগে থাকে
আর তুমি ভাবছো,
কেউ তোমায় মনে রাখবে কি রাখবে না?
পুরো কবিতা পড়ুন
আমাদের সম্পদ জুবিন গর্গ
। পিয়ালী ঘোষ ।
চোখের কোনে জমেছে জল।
সুসজ্জিত তুমি আজ , চারিপাশে কত লোকজন ।
ফুলের বাগানে তুমি সেই ফুল,
যার গন্ধে শুধু আসাম নয় গোটা ভারত ছিল সুগন্ধিত।
সুরের হাত ধরে রাজপথে এসেছিল এক নাম- জুবিন গর্গ।
জুবিন গার্গ
। রাজন দাস ।
ভারতের গৌরব, অসমের সন্তান,
জুবিন গার্গ তোমার নাম,
শিল্পী জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র,
তুমি ছিলে কত মহান।
সাগরের মতো তুমি
। চয়ন ঘোষ ।
মিশে গেছো সাগরের মাঝে, হে মহানায়ক,
তুমিও ছিলে সাগরের মতো— অসীম, গভীর, এক বিশাল।
নীরব ঢেউয়ের ভাঁজে তব অনন্ত গান বাজে,
তুমি ছিলে নির্ভীক জোয়ার, তুমি ছিলে দুর্বার প্রাণ।
তুমি রবে অমর -অনন্ত
। রাহুল দাস।
হে অমর শিল্পী
তুমি রবে নীরবে,
চিরদিন সবার অন্তরে ...
নানা ভাষায় গেয়ে গান
স্নেহ ভালোবাসার বন্ধনে
জড়িয়েছো সবার প্রাণ।
আমাদের প্রিয় জুবিন দা
। অপর্ণা কুমার ।
হারিয়ে গেলেন
আমাদের প্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুবিন দা।
কিন্তু আজও তিনি রয়ে গেছেন আমাদের হৃদয়ে।
অসমবাসীর হৃদয়ে জুবিন দা
। মাধুরী দাস ।
তবু প্রতিধ্বনিতে বাজে তোমার অমর কণ্ঠ।
তুমি গান গাইলে, নিস্তব্ধ রাতও জেগে ওঠে,
অশ্রুঝরা মনও খুঁজে পায় শান্তির আলো।
পুরো কবিতা পড়ুন
এই সপ্তাহের জনপ্রিয় পোষ্ট
-
আজব দুনিয়া । রূপালী দাস । আস্ত একটি গাছ কেটে করে নিল কাঠি, এটা কী হচ্ছে, আরে বুঝতে রয়েছে বাকি?...
-
নাটক । শমিতা ভট্টাচার্য । এই সংসার একখানা মঞ্চ এখানে নিত্য নাটকের আয়োজন আজ যাঁরা অভিনেতা, অভিনেত্রী কাল তারাই আবার দর্শক ...
-
শুরু হল প্রতাপ এর নতুন পথ চলা। ভিন্ন সময়, ভিন্ন বিষয়, যখন যা খুশি মনে হয়; সুযোগ হলেই পৌঁছে যাব পাঠকের কাছে। আশা করি আমাদের এই উদ্যোগ সবার...
-
। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...
-
আজ 'রবি পুজোর' দিন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী। নিজের সাহিত্যকীর্তির মাধ্যমে আজও তিনি সকলের মাঝে জীবিত, তাঁর সৃ...
আকর্ষণীয় পোষ্ট
প্রান্তিক জীবন যেখানে রোদ্দুর লিখতে চায়
। চন্দ্রিমা দত্ত । অনলাইন থেকে মুদ্রিত সংস্করণ 'প্রতাপ' প্রথম খণ্ড যেদিন সম্পাদক কবি শৈলেন দাস আমার হাতে এনে দিল খুব আনন্দ হচ্ছিল আম...









































